ঢাকা, শনিবার 21 April 2018, ৮ বৈশাখ ১৪২৫, ৪ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ছয় মাস পরেই নির্বাচনের শিডিউল-ওবায়দুল কাদের

স্টাফ রিপোর্টার : আগামী সম্মেলনে ছাত্রলীগকে নতুন মডেলে নিয়ে আসা হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগ নিয়ে আমরা নতুন করে ভাবছি। সামনে তাদের কনফারেন্স (সম্মেলন) আছে। সেখানে ছাত্রলীগের স্ট্রাকচারাল লিডারশিপ ও ছাত্রলীগকে নতুন মডেলে বিকাশ করার নির্দেশনা আমাদের নেত্রীর (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) রয়েছে। আমরা সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। একটু  ধৈর্য ধরুন, অপেক্ষা করুন।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের প্রচার উপকমিটির উদ্যোগে ‘দেশরত্ন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ’ শীর্ষক এক সেমিনারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। প্রচার ও প্রকাশনা উপ-পরিষদের চেয়ারম্যান এইচটি ইমামের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গবর্নর ফরাস উদ্দিন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান
অপরাধ করে কেউ পার পাবে না উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কিছু এমব্যারেসিং (বিব্রতকর) ব্যাপার ঘটে। এ ব্যাপারে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। ছাত্রলীগ হোক বা আওয়ামী লীগ হোক আমাদের যেকোনও সংগঠনের কেউ অপরাধ করে পার পায়নি। এ ব্যাপারে আমাদের নেত্রীর জিরো টলারেন্স অবস্থান। কোন অপরাধের শাস্তি হয় না? আমাকে বলুন, প্রমাণ করুন। আমাদের অনেক কর্মী কারাগারে। অপরাধ করে পার পেয়ে যাবে এমন কালচার আওয়ামী লীগে নাই, বিএনপির থাকতে পারে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখন আমি এ ধরনের সেমিনারের পক্ষপাতী নই। কারণ, আগামী নির্বাচন কাছে চলে এসেছে। এখন আমাদের অ্যাকশন প্রোগ্রাম নিতে হবে। বসে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আমরা সেমিনার করবো, প্রচার সেল তা করেও আসছে, কিন্তু এ মুহূর্তে এটার আর প্রয়োজন নেই। এখন অনেক কাজ রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের কৌশল নির্ধারণ করতে হবে। কোন সময়ে কোন কাজ করবো তা আমাদের ঠিক করতে হবে। যখন যেটা অগ্রাধিকার, সেখানেই আমাদের মনোযোগ দিতে হবে। এয়ারকন্ডিশনার রুমে সেমিনার না করে তাপদগ্ধ মাঠে বেরিয়ে পড়তে হবে। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বসে পরামর্শ করা যেতে পারে।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “ছয় মাস পরেই নির্বাচনের শিডিউল। এখন পর্যন্ত আমাদের থিম স্লোগান ঠিক হয়নি। গতবার ছিল ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’, ‘ভিশন ২০২১’। কিন্তু এবারকার স্লোগান এখনও ঠিক হয়নি। আমরা ফ্রিস্টাইলে একেকজন একেকটা বলে যাচ্ছি। আমার মনে হয় এটা নিয়ে কাজ হওয়া উচিত। স্লোগান হতে পারে ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’, ‘বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ কিংবা ‘সবার জন্য সোনার বাংলা’।” সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর দুর্বলতা চোখে পড়ে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ