ঢাকা, শনিবার 21 April 2018, ৮ বৈশাখ ১৪২৫, ৪ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

তিন জনে মিলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ॥ গ্রেফতার ১

কুমিল্লা দক্ষিণ সংবাদদাতা: কুমিল্লার লাকসামে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তিন জনে মিলে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা সদরের উত্তর লাকসাম এলাকার আবদুল আউয়ালের বাড়িতে এ ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। মঙ্গলবার রাতে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর মা বাদী হয়ে লাকসাম থানায় মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় গতকাল বুধবার পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। অন্য দুই আসামি পলাতক রয়েছে বলে জানান লাকসাম থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত রুবেল মিয়া লাকসামের গোপালপুর গ্রামের হারুনুর রশিদের পুত্র।
লাকাসাম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মাহফুজ জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়ের পর ওই তরুণীর সঙ্গে ফাহাদ হোসেন জনি নামে এক তরুণের প্রেমের সম্পর্ক হয়। জনি ওই তরুণীকে জানিয়েছিল সে প্রবাসে থাকে। গত ১৩ এপ্রিল জনি তরুণীকে জানায় সে দেশে এসেছে এবং দেখা করতে চায়। এরপর ওই তরুণীকে বিয়ের কথা বলে উত্তর লাকসাম এলাকায় আবদুল আউয়ালের বাড়ির সপ্তম তলায় নিয়ে যায়। পরে সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা লাকসাম গোপালপুর গ্রামের ছালেহ আহম্মেদের পুত্র ফাহাদ হোসেন জনি (২৪), একই এলাকার হারুনুর রশিদের পুত্র রুবেল মিয়া (৩১), এবং আবদুল আউয়ালের বাড়ির দারোয়ান মনোহরগঞ্জ উপজেলার শাকতোলা পাটোয়ারী বাড়ির মৃত সিরাজুল ইসলামের পুত্র আনিছুর রহমান (৩০), মিলে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, ধর্ষণের শিকার তরুণীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে রুবেল মিয়া নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার রুবেলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী জানা যায়, ধর্ষণের ঘটনায় আরও দু’জন জড়িত রয়েছে। তাদের মধ্যে ফাহাদ হোসেন জনি প্রধান আসামি। জনি এবং আনিছুর রহমান পলাতক রয়েছে। তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। গতকাল বুধবার ওই তরুণীকে মেডিকেল চেক আপের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ