ঢাকা, শনিবার 21 April 2018, ৮ বৈশাখ ১৪২৫, ৪ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

২৮৯টি ভোট কেন্দ্র ও ১৫৩১ কক্ষ চূড়ান্ত দায়িত্ব পালন করবেন ৪৯৭২ কর্মকর্তা

খুলনা অফিস : খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট কেন্দ্র চূড়ান্ত করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। এবার ২৮৯টি ভোট কেন্দ্রের এক হাজার ৫৩১ কক্ষ বা বুথে ভোট গ্রহণ করা হবে। গত নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোট কক্ষ বেড়েছে একটি আর বুথ বেড়েছে ১১৭টি। এসব ভোট কেন্দ্র ও ভোট কক্ষে দায়িত্ব পালন করবেন চার হাজার ৯৭২ জন কর্মকর্তা। এই তালিকা তৈরির কাজও প্রায় শেষের পথে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই ভোট কেন্দ্রের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়। নির্বাচনে এবার ভোট দেবেন চার লাখ ৯৩ হাজার ৯২ জন ভোটার। এই সংখ্যা মাথায় রেখেই কেন্দ্র ও বুথের সংখ্যা যাচাই-বাছাই করা হয়।
দেখা যায়, বিদ্যমান অবস্থায় নতুন ভোট কেন্দ্রের প্রয়োজন নেই। শুধু ভোটার বাড়ায় কক্ষ বাড়ালেই সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ সম্ভব।
এদিকে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, এনএসআই ও ডিজিএফআইকে চিঠি দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। চিঠিতে আগামী ২৫ এপ্রিলের আগেই কেন্দ্রগুলো সম্পর্কে প্রতিবেদন দেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কারণ ২৬ এপ্রিল ঢাকায় আইন-শৃংখলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক রয়েছে। সেখানে নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসবে।
সূত্রটি জানায়, এবার ভোট গ্রহণের জন্য ২৮৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার, এক হাজার ৫৬১ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং তিন হাজার ১২২ জন পোলিং এজেন্ট লাগবে। এই চার হাজার ৯৭২ কর্মকর্তার তালিকা তৈরি করতে হিমশিম খাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। খুলনা মহানগরীর কর্মকর্তাদের দিয়ে এই তালিকা প্রণয়ন সম্ভব হচ্ছে না। এ জন্য মহানগরীর বাইরে থেকে কর্মকর্তা নেয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের আগামী ৯ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এর আগে ২৬ এপ্রিল ঢাকায় আইন-শৃংখলা বাহিনীর সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক হবে। এছাড়া নির্বাচনী কার্যক্রম তদারকি করতে কমিশনের সচিব, কমিশনার এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবারও খুলনা সফর করবেন।
কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুস আলী জানান, ভোট কেন্দ্রের তালিকা তৈরি করে আইন-শৃংখলা বাহিনীর কাছে দেয়া হয়েছে। তারা ভোটকেন্দ্রের ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদন দিবেন। সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৫ জুন অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ২৮৮টি কেন্দ্র এবং এক হাজার ৪১৪টি বুথ ছিলো। ভোটার ছিলো চার লাখ ৪০ হাজার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ