ঢাকা, রোববার 22 April 2018, ৯ বৈশাখ ১৪২৫, ৫ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চৌহালীতে যমুনা নদীর 'মিটুয়ানী ব্রিজ' এখন মরণ ফাঁদ

আব্দুস ছামাদ খান, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ)  : সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে যমুনার বুকে দাড়িয়ে থাকা মিটুয়ানী ব্রিজটি দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসি। ৪ বছর আগে যমুনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় ব্রিজের সংযোগ সড়কসহ মিটুয়ানী গ্রাম। 

এরপর থেকে নদীর মাঝে দাড়িয়ে থাকা ব্রিজের সাথে যাত্রীবাহী নৌকার ধাক্কা লেগে ঘটেছে প্রাণহানি, ব্যাহত হচ্ছে নৌ চলাচল। আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগেই ব্রিজটি অপসারণ করা না হলে বড় ধরেনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা নৌ পথের যাত্রী ও চালকদের।

স্থানীয়রা জানায়, যমুনা বিধ্বস্ত চৌহালী উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সাথে যোগাযোগের জন্য ১যুগ আগে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের মিটুয়ানী বাজার সংলগ্ন প্রায় ৭৫ মিটার দৈর্ঘ্যের গার্ডার ব্রিজটি নির্মাণ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। কিন্তু ২০১৪ সালের বন্যায় যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে মিটুয়ানী বাজার, গার্ডার বিজ্রের সংযোগ সড়ক, সাড়ে ৩ কিলোমিটার পাকা রাস্তাসহ বিশাল এলাকা বিলীন হয়ে যায়। বর্তমানে নদীর পূর্ব পাড় হতে ব্রিজটি আধা কিলোমিটার ভিতরে দাঁড়িয়ে আছে। দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘ পাকা সড়ক নদীতে চলে যাওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের উপজেলা সদরে যাতায়াতের জন্য নৌপথই এখন একমাত্র ভরসা। মিটুয়ানী থেকে সম্ভুদিয়া পর্যন্ত নৌ সার্ভিস চালু হওয়ায় অন্তত ১২টি নৌকায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে ।

এবিষয়ে বাঘুটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাহহার সিদ্দিকী বলেন, মিটুয়ানী গার্ডার ব্রিজটি এখন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। দ্রুত অপসারন করা না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। 

বর্ষা মৌসুম আসার আগেই ব্রিজটি অপসারণে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করছি।

এদিকে চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আনিছুর রহমান জানান, গার্ডার ব্রিজটি অপসারণের বিষয়ে মঙ্গলবার মাসিক সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাথে কথা বলে উপজেলা প্রশাসন ও এলজিইডি দ্রুতই একটি সিদ্ধান্ত নেবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ