ঢাকা, রোববার 22 April 2018, ৯ বৈশাখ ১৪২৫, ৫ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

যে পথে ক্র্যাক ডাউন হয়েছে জামায়াত-শিবিরের ওপর সেই একই পথে ক্র্যাক ডাউন হচ্ছে বিএনপি-ছাত্রদলের ওপর

দেশে মাঠের রাজনীতি বলতে গেলে নাই। সরকার বিরোধী যতটুকু বক্তব্য শোনা যায় সেটিও গোল টেবিল বৈঠক, সেমিনার বা মানব বন্ধনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তার পরেও রাজনীতি থেমে নাই। বরং বিরোধীদলীয় রাজনীতির অনুপস্থিতিতে দেশে একটার পর একটা ভয়ংকর সব ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনা দেখে সমাজের সর্বশ্রেণীর মানুষ চরম বিভ্রান্ত। আসলে দেশে ঘটছে টা কি? যাচ্ছে কোন দিকে দেশ? গত কয়েক দিনে যেসব ঘটনা ঘটেছে সেগুলোর দিকে নজর দিলেই বোঝা যাবে যে একটি অনিশ্চিত পথে দেশ ধাবমান। গত ১৯ এপ্রিল মধ্যরাতে কবি সুফিয়া কামাল হল থেকে চারজন ছাত্রীকে বের করে দেওয়া হয়। দোষী হোক বা নির্দোষ হোক, সরকারপক্ষীয় হোক বা সরকার বিরোধী হোক, এই রকম সাংঘাতিক ঘটনার কথা অতীতে কোনো দিন শোনা যায়নি। গভীর রাতে ছাত্রীকে ডেকে হল থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা বিগত ৭০ বছরেও শোনা যায়নি। এটা অকল্পনীয়। এখানে ঐ সব ছাত্রীর জীবনের নিরাপত্তা এবং সম্ভ্রম হারানোর বিরাট ঝুঁকি থেকে যায়। হলের প্রোভোস্ট ড. সাবিতা রেজওয়ানা রহমান নিজে একজন মহিলা হয়ে তারই ছাত্রীদের জন্য ভয়ংকর বিপজ্জনক এই কাজটি কেমন করে করলেন? যাদেরকে গভীর রাতে বহিষ্কার করা হয়েছিল তারা বিগত কোটা আন্দোলনে নাকি সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। এটি হয়েছিল তাদের অপরাধ।

এ সম্পর্কে, বিশেষ করে, গভীর রাত্রে মহিলাদেরকে বের করে দেয়া সম্পর্কে এবং প্রোভোস্ট রেজওয়ানা রহমান সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক এবং বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ড. আসিফ নজরুল তার ফেসবুক পেজে তীব্র কশাঘাত করেছেন। ঐ পেজে তিনি লিখেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিতা রেজওয়ানা রহমান গতকাল কোটা সংস্কার আন্দোলনে জড়িত ছাত্রীদের ডেকে ছাত্রত্ব বাতিল, গোয়েন্দা নজরদারি ও মামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি লিখেছেন- সুফিয়া কামাল হলের নিন্দিত প্রোভোস্ট সাবিতা রেজওয়ানা নাকি যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির একজন সদস্য। আগে দেখতাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপকরা বড় দল দুটোর উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করতেন। আর অধ্যাপিকা সবিতা আওয়ামী লীগের একটি অনুলেখ্য অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যমাত্র। এতেই তার এতো তেজ, এতো অনাচার! নামতে নামতে কোথায় যে নেমেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শ্রেণীর শিক্ষক! ভাঙতে ভাঙতে কি যে মেরুদন্ডহীন হয়ে গেছে বাকী অনেক শিক্ষক? ঢাবির প্রায় দু’হাজার শিক্ষকের মধ্যে কতজনকে প্রতিবাদ করতে দেখেছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের উপর পুলিশ, ঢাবি প্রশাসন আর ছাত্রলীগের নানামুখী আক্রমণের? অথচ আমরা নাকি ‘জাতির বিবেক’? প্রশ্ন ড. আসিফ নজরুলের। 

জনাব আনোয়ার মুকুল একজন বাংলাদেশী কানাডিয়ান। বাংলাদেশে থাকতে তিনি সেক্যুলার ও বামপন্থী আন্দোলনের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। গভীর রাত্রে ছাত্রীদেরকে হল থেকে বের করার ঘটনায় তিনি দারুণ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং সুদূর কানাডা থেকে নিজে সরাসরি কয়েক জনের সাথে যোগাযোগ করেন এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত তার বন্ধু-বান্ধব এবং আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে পরিস্থিতি জানার চেষ্টা করেন। তিনি লিখছেন, ডঃ সাবিতা মেয়েদেরকে বের করে দেয়ার কথা স্বীকার করলেও ভিসি ডঃ আখতারুজ্জামান এসব ¯্রফে গুজব বলেই দাবি করেছেন। অথচ পত্রিকায় ছবি ছাপা হয়েছে, মেয়েরা কিভাবে গভীর রাতে হল থেকে তাদের অভিভাবকদের সাথে বের হয়ে যাচ্ছেন। 

একজন অভিভাবক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাকে হল থেকে একজন মহিলা ফোন দিয়ে আসতে বলেন। আমি বললাম, আমার বাসা ধামরাই। ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে কীভাবে আসব? তখন ওই মহিলা বলেন, আপনাকে আসতেই হবে।’ রাত ১০টার দিকে ওই হলের ভুক্তভোগী এক ছাত্রীর বড় ভাই আব্দুল আউয়াল জানান, রাত ৮টার সময় আমার বোন হল থেকে আমাকে ফোন করে কান্নাকাটি করে বলে, আমি যেন তাকে এসে হল থেকে নিয়ে যাই। আমি কিছুক্ষণ পরে তাকে আবার ফোন দিলে আমার বোনের ফোন একজন শিক্ষিকা রিসিভ করেন। ওই শিক্ষিকা আমাকে বলেন, আপনার বোনকে হল থেকে নিয়ে যান। তার ফোন জব্দ করা হয়েছে। যে কোন পরিস্থিতিতেই হল প্রোভোস্ট এভাবে অভিভাবকদের হয়রানি আর আতঙ্কিত করতে পারেন না। তাঁকে এই অধিকার কেউ দেয় নাই। মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদেরকে ডেকে নিয়ে নানাভাবে হুমকি ধামকি দেয়া, মোবাইল ফোন জব্দ করা, সর্বোপরি রাত বারোটায় নিরাপত্তাহীন রাজধানীর পথে ছেড়ে দিয়ে তিনি যে অপরাধ করেছেন তাতে একজন শিক্ষক এবং হলের অভিভাবক হিসেবে তিনি তার নৈতিক সম্মান ও মর্যাদা সম্পূর্ণভাবে হারিয়েছেন। এই ছিল মন্তব্য আনোয়ার কামালের। 

কবি সুফিয়া কামাল হলের এই কলঙ্কময় ঘটনার প্রতিবাদে গত ২০ এপ্রিল শুক্রবার ‘সাধারণ ছাত্রদের অধিকার সংরক্ষণ’ নামক প্রতিষ্ঠানটি আবার রাজু ভাস্কর্যের সামনে মিলিত হয় এবং সেখান থেকে একটি বিশাল শোভাযাত্রা বের করে। এই শোভাযাত্রা থেকে প্রোভোস্ট সবিতা রেজওয়ানার অপসারণ দাবি করে। এই সংগঠনটিই কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে। এখানে একটি অবাক ব্যাপার হলো এই যে, যার নামে হলটির নামকরণ করা হয়েছে সেই কবি সুফিয়া কামালের কন্যা সুলতানা কামালের প্রতিক্রিয়া বড় রহস্যময়। এই ঘটনায় তিনি শুধু ‘স্তম্ভিত’ হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, হলের প্রোভোস্ট বা শিক্ষামন্ত্রী সম্পর্কে তিনি একটি কথাও বলেন নি। অথচ, এই সুলতানা কামালরাই নারীর ক্ষমতায়ন, নারী প্রগতি ইত্যাদি নিয়ে যখন তখন গালভরা বক্তৃতা করেন। আসলে এরা এই সরকারের এবং ভারতের ছদ্মবেশি দালাল। তাই এখন তারা এত ভয়াবহ ঘটনার পরেও মিউ মিউ করেন। 

॥দুই ॥

এটাতো গেল কবি সুফিয়া কামাল হলের ঘটনা। চিত্রের অন্যদিকে আসুন। সম্পূর্ণ প্রত্যাশিত কতগুলো ঘটনা। দ্রুত ঘটে চলেছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৩ নেতাকে ডিবি পুলিশ কিভাবে সকলের চোখের সামনে ৮টি মোটর সাইকেলের মহড়া দিয়ে তাদেরকে চোখ বেঁধে ডিবি অফিসে নিয়ে যায় এবং সেখানে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে পেছনে হাত বেঁধে মেঝেতে বসিয়ে রাখা হয় সেসব কাহিনী আপনারা সকলেই জানেন। আপনারা আরো জানেন যে কোটা আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি। এ সম্পর্কে এখনো কোনো গেজেট প্রকাশিত হয়নি। গেজেট প্রকাশিত হওয়ার পর বোঝা যাবে যে সরকার গণদাবি কতদূর মেনে নিল আর কতদূর মেনে নিল না। তবে এখনো এই ব্যাপারে এমন কিছু অলিখিত ব্যাপার রয়েছে যার জন্য সরকার একদিকে গড়িমসি করছে, অন্যদিকে একটি ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে, যাতে করে আন্দোলন যেন আবার নতুন করে দানা না বাধে। সে জন্য আন্দোলনের প্রথম সারির নেতৃবৃন্দ এবং সক্রিয় কর্মীবৃন্দকে মৃত্যুর হুমকি দেয়া হচ্ছে। এই অভিযোগ করেছেন, কোটা আন্দোলনের ৩ শীর্ষ নেতার অন্যতম নেতা রাশেদ খান (ডেইলি স্টার, প্রথম পৃষ্ঠা-২১ এপ্রিল)।

এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী সরকার স্বরূপে আত্মপ্রকাশ করছে। গতকালের ডেইলি স্টারের ঐ রিপোর্টে আরো বলা হয় যে, সাধারণ ছাত্রদের অধিকার সংরক্ষণ কমিটি এবং ছাত্রলীগের মধ্যে বৈরী সম্পর্কের আলামত দেখা যাচ্ছে। ঐ রিপোর্ট মোতাবেক গত শুক্রবার সাধারণ ছাত্রদের শোভাযাত্রাটি পাবলিক লাইব্রেরি থেকে বেলা ৪টায় বের হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই ঐ এলাকায় ছাত্রলীগের নেতা ও কর্মীদেরকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। ফলে সাধারণ ছাত্রদের অধিকার সংরক্ষণ কমিটির নেতাদেরকে সেখানে দেখা যায়নি। তারা তখন রাজু ভাস্কর্যে যান। সেখানেও ছাত্রলীগের জনা তিরিশেক কর্মী মওজুদ ছিল। কিন্তু ছাত্রদের অধিকার সংরক্ষণ কমিটির বিশাল মিছিল দেখে তাদের মারমুখী ভঙ্গি থেকে তারা পিছু হটে যায়। 

॥তিন॥

জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্র শিবিরের ওপর এই সরকার যেভাবে ক্র্যাক ডাউন করেছে সেই একই পদ্ধতি এবং একই পদক্ষেপ তারা গ্রহণ করেছে বিএনপি এবং তার প্রধান অঙ্গ সংগঠন ছাত্রদলের ক্ষেত্রেও। বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে দেয়ার পর বিএনপির মানব বন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট এবং কালো পতাকা প্রদর্শন কমসূচির ওপর ইতোঃপূর্বে আওয়ামী সরকারের পুলিশ এবং র‌্যাব ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। পরবর্তীতে তারা বিএনপি ও ছাত্রদলকে রাস্তায় বের হতেই দেয়নি। সর্বশেষ অবস্থায় দেখা যাচ্ছে যে তারা যে ঘরের মধ্যে বৈঠক করবেন সেটিও সরকার বরদাস্ত করতে রাজি নয়। এখন ঘরোয়া বৈঠকেও পুলিশি হামলা চলছে এবং বিপুলসংখ্যক বিএনপির নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। গত ২১ এপ্রিল দৈনিক প্রথম আলোর খবরে প্রকাশ, ‘নড়াইলে বিএনপির বৈঠক চলাকালে অভিযান চালিয়ে স্থানীয় ৫৯ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ’। শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি থানার খাশিয়াল গ্রামের জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কবীর মুরাদ, যশোর জেলা বিএনপির সহসভাপতি সাজিদুর রহমান, কালিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান মিলু, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার জরজ, দপ্তর সম্পাদক টিপু সুলতান, জেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা তৈয়বুর রহমান, কালিয়া উপজেলার সাবেক শ্রমিক দলের সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেন ও লোহাগড়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. আখিদুল ইসলাম।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল থেকে নড়াইল, যশোর, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, মাগুরা জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের বাড়িতে জড়ো হতে শুরু করেন। পরে বিকেলে তারা বৈঠক করন। এ সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

॥চার॥

এত দিন ধরে জামায়াত-শিবিরের ওপর জুলুম হয়েছে। বিগত ১০ বছর ধরে জামায়াতের ওপর অব্যাহত জুলুমের ফলে দলটি ধ্বংস হয়ে গেছে বলে আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী ঘরানার মানুষজন মনে করে। বাস্তবে জামায়াত ধ্বংস হয়েছে কিনা, নাকি আরও বিপুল জনসমর্থনে সমৃদ্ধ হয়েছে, সেটি বিবেচনা করবে ভবিষ্যৎ। তবে একথা ঠিক, যে লাইনে সরকার জামায়াতের ওপর হামলা করেছিল, আজ ঠিক সেই লাইনেই সরকার বিএনপির ওপরও হামলা করছে। এব্যাপারে বেগম খালেদা জিয়াকেও কোন রকম ছাড় দিচ্ছে না তারা। সেজন্য সারা দেশের প্রধান এজেন্ডা হলো বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি। কিন্তু বিগত ২ মাস কুঁড়ি দিনের অভিজ্ঞতায় বোঝা গেল যে সরকার বেগম জিয়াকে কোনো অবস্থায় ছাড়বে না। এই বিষয়টি যথার্থভাবে উপলব্ধি করেছেন বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। সম্প্রতি তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়া ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে যাবে না। তিনি আরো বলেন, আমরা যদি এই সরকারের পতন ঘটাতে না পারি তাহলে খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে না, শেখ হাসিনাও আমাদের নেত্রীকে মুক্তি দিবে না। জেলগেটে লাশ ফেরত দেবে, জীবিত মুক্তি দিবে না। আমাদেরকে নেত্রীর লাশের জন্য জেলগেটে অপেক্ষা করতে হবে। সুতরাং খালেদা জিয়াকে যারা জেলে পাঠিয়েছে, তাদেরকে ক্ষমতায় রেখে এদেশে গণতন্ত্রের কোনো ভবিষ্যৎ নাই (ইনকিলাব, ১৮ এপ্রিল প্রথম পৃষ্ঠা)।

তিনি বলেন, বিএনপির অনেকেই যুক্তি দেখায়, আমরা নির্বাচনে অংশ নেবো, নেত্রীর মুক্তির আন্দোলনের অংশ হিসেবে। নির্বাচনে অংশ নিতে চান আন্দোলনের কৌশল হিসেবে। এ-ও কথা আছে, সরকার নাকি ৩০-৯০টি আসন বিএনপিকে দিতে চায়। আমি জানতে চাই, আসনের মালিক কি আওয়ামী লীগ? যদি তাই হয় তাহলে আমরা গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন করছি কেনো? আন্তর্জাতিক মহল বিরোধী দল বলতে এখনো বিএনপিকে চেনে। আমাদের কৌশল এখন একটাই হওয়া উচিত। তা হলো, জনগণের রাস্তায় নামা। এর ফলাফল অবশ্যই দৃশ্যমান হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ