ঢাকা, রোববার 22 April 2018, ৯ বৈশাখ ১৪২৫, ৫ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আতঙ্কে পথচারি কেসিসি’র ফুটপাতে  ঝুঁকিপূর্ণ স্লাব

 

খুলনা অফিস : খুলনা মহানগরীর ফুটপাত দিয়ে চলাচল করেন পথচারিরা। যানজটের অস্বস্তির মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে পায়। তবে ফুটপাতে বন্ধুর, ভাঙাচোরা ও ঝুঁকিপূর্ণ স্লাব রয়েছে। যাতায়াতের সময় আতঙ্কে থাকে পথচারিরা। কেননা যেকোন সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। আর এই দুর্ঘটনার শিকার পথচারিরা।

জানা গেছে, খুলনা মহানগরীর সড়ক ও ফুটপাত অবৈধ দখল রয়েছে। একই সাথে কোথাও কোথাও ফুটপাতই নেই। তবুও যে ফুটপাতটুকু সাধারণ পথচারিরা ব্যবহার করতে পারে তাও ঝুঁকিপূর্ণ। নামে রয়েছে ফুটপাত কিন্তু সেখানে দেওয়া রয়েছে উঁচুনিচু ও ভাঙাচোরা স্লাব। আবার কোথাও কোন স্লাবের লেশমাত্র নেই। কোথাও স্লাব পড়ে রয়েছে ড্রেনের মধ্যে। তারপরেও যানজট থেকে নিজেকে বাঁচাতে সাধারণ পথচারিরা বেছে নেয় এই ফুটপাত। তবে এই ফুটপাতেও তারা যাতায়াতে নিরাপদ নয়। কেননা সামান্য বেখেয়াল হলেই ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। ভর্তি হওয়া লাগতে পারে ক্লিনিক ও হাসপাতালে। সরেজমিন নগরীর মডার্ন ফার্নিচার মোড়, শান্তিধাম মোড়, সাতরাস্তার মোড়, দোলখোলার মোড়, ডাকবাংলার মোড়, পিকচার প্যালেস মোড়, শিববাড়ি মোড়, শেখপাড়া মোড়ে ফুটপাতের ওপর উঁচুনিচু, ভাঙাচোরা, অসমতল স্লাব দেখা  গেছে। এমনকি কোথাও কোথাও স্লাব দেখাও যায়নি।

নগরীর শান্তিধাম মোড় এলাকার সাধারণ পথচারি মো. ইমাম হোসেন বলেন, রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে যানজট, ইজিবাইক ও রিক্সার নিয়ন্ত্রণহীন গতির কারণে সমস্যা হয়। কিন্তু তার চেয়ে অনিরাপদ এই ফুটপাত। কেননা যেকোন সময় খেয়াল না করলে পা চলে যেতে পারে স্লাবের ফাঁকা অংশে। এমনকি হোঁচট খাওয়াও লাগতে পারে। রায়পাড়াস্থ খাদিজা বেগম নামের এক পথচারি বলেন, তিনি এই ফুটপাতে চলাচলের কারণে একবার আহত হয়েছেন। স্লাবগুলো বসানো খুবই এলামেলো। কোথাও ফাঁকা থাকে, আর চলতে চলতে কোথাও মোটেই থাকে না। ফলে পড়তে হয় ভোগান্তিতে।

মিস্ত্রিপাড়াস্থ মো. জাকির হোসেন নামের এক পথচারি আক্ষেপ করে বলেন, ফুটপাত এমনিতেই খুব বেশি ফাঁকা নেই। তাও যে অংশটুকু দখলবিহীন রয়েছে তা চলাচলের জন্য নিরাপদ নয়।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী-৩ মশিউজ্জামান খান বলেন, ফুটপাতের স্লাবের কাজগুলো নির্বাহী প্রকৌশলী মেকানিক্যাল আব্দুল আজিজ দেখভাল করে থাকেন।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মেকানিক্যাল মো. আব্দুল আজিজ বলেন, তিনি এই দায়িত্ব পালন করেন এটা ভুল ধারণা। তিনি মূলত জরুরি কোথাও স্লাবের প্রয়োজন হলে নগরবাসীর চাহিদা মোতাবেক করে থাকেন। স্বল্প বাজেট নিয়ে তিনি জরুরি কাজগুলো করে থাকেন। তবে টার্গেট রয়েছে পরবর্তীতে এগুলো আধুনিক করার। দেখা যাক কি হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ