ঢাকা, সোমবার 23 April 2018, ১০ বৈশাখ ১৪২৫, ৬ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

জেলার বৃহৎ কলা ও পানের বাজার মধুপুর

কুষ্টিয়ার মধুপুর ঐতিহ্যবাহী পানের বাজার

ভোর হলেই বিভিন্ন জাতের কলা নিয়ে মানুষ ছুটে আসে মধুপুর বাজারে। কেউবা ভ্যান ভর্তি করে, কেউবা সাইকেলের দু’পাশে বেঁধে, কেউবা ট্রলি ভর্তিসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে কলা বিক্রির জন্য আসে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আব্দালপুর ইউনিয়নের মধুপুর বাজারে। এ বাজারটি জেলার ইবি থানার শেষ সীমানায় হওয়ায় এ বাজারে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন এলাকার কলা ছাড়াও পাশ্ববর্তী ঝিনাইদহ জেলার কলা চাষীরাও এ বাজারে কলা নিয়ে আসেন। নির্দিষ্ট দিন ছাড়াও প্রায় প্রতিদিনই কলা বেচাকেনা হয় এখানে। কলার বাজারটি প্রসিদ্ধ হওয়ায় দিনের পর দিন এর বিস্তৃত বেড়েই চলেছে। কিন্তু জায়গার অভাবে বাজারের রাস্তার দুধারেও বেচাকেনা করা হয়। এ বাজারের জনপ্রিয়তার কারণে সারা দেশের বিভিন্ন স্থানের কলা ব্যবসায়ীরা এখানে আসেন কলা কেনার জন্য। যে যার মত চাহিদা অনুযায়ী কলা কিনে নিয়ে যায় ব্যবসায়ীরা। ট্রাক ভর্তি করে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় বড় শহরে পাঠানো হয় এ এলাকার কলা। কুষ্টিয়াসহ এ এলাকার উন্নত কলা ও সুস্বাদের কারণে এ অঞ্চলের কলার চাহিদা সব সময়। এ কারণে এ অঞ্চলে কলার আবাদও বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ প্রধান সড়কের পাশে দীর্ঘ দিনের পানের সমৃদ্ধ বাজার লক্ষীপুর। জেলার পান চাষীরা সপ্তাহের দু’দিন এ হাটে পান বিক্রির জন্য আসে। উন্নত পানের জন্য খ্যাত কুষ্টিয়া জেলার সাচি পানসহ বিভিন্ন জাতের পান উৎপন্ন হওয়ায় বাইরে রাষ্ট্রেও পাঠানো হয় এ এলাকার পান। দেশের বড় বড় পান ব্যবসায়ীরা এ বাজারে এসে পাইকারী পান কিনে নিয়ে যায়। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বাইরে রপ্তানী হয় এ অঞ্চলের পান। পানের বাজারে হিসাবে খ্যাত লক্ষীপুর বাজারের সুনাম সারা দেশে থাকলেও এ হাটের তেমন উন্নয়ন হয়নি। হাটের দিন জায়গার অভাবে রাস্তার উপর বেচাকেনা হওয়ায় প্রায়ই দূর্ঘটনা ঘটে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ