ঢাকা, মঙ্গলবার 24 April 2018, ১১ বৈশাখ ১৪২৫, ৭ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কালবৈশাখী ঝড়ে জীবননগর লণ্ডভণ্ড

ঝড়ে উড়ে গেছে বিদ্যালয়ের চালা। পাঠদান চলছে খোলা ময়দানে

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা : গতকাল রাতে কালবৈশাখী ঝড়ে চুয়াডাঙ্গা জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের করতোয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আম বাগান, ধান চাষ, গাছপালা ও ঘরবাড়ী লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। এ অবস্থায় শিক্ষক শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে খোলা আকাশে নিচে। এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি জরুরী ভিত্তিতে বিদ্যালয়টি মেরামত করে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তৌফিক আহম্মেদ জানান, শিক্ষা বিস্তারে এলাকাবাসীর সাথে নিয়ে ১৯৮৮ সালে বাঁশ ও টিন দিয়ে চৌচালা টিনের ঘর নির্মাণ করে পাঠ দান শুরু করা হয়েছিল। বর্তমানে ছাত্র ২শ ৩০ ও ছাত্রী ২শ ৭৮ জন মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ৫শ ৮জন। এবং ১৭ জন শিক্ষক ৫ জন কর্মচারী মোট ২২ জন। অফিস কক্ষসহ মোট ১১টি কক্ষ ছিল। শনিবার (২১ এপ্রিল) রাতে কালবৈশাখি ঝড়ে টিনের ছাউনী, বেড়া, বিদ্যালয়ের বৈদ্যুতিক মিটার উড়িয়ে নিয়ে গেছে। ভিজে গেছে মূল্যবান কাগজ, বই ও মূল্যবান জিনিসপত্র।  শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান অব্যহত রাখতে গাছতলায়, খোলা আকাশের নিচে পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ না থাকায় বর্তমানে ডিজিটাল হাজিরা সহ শিক্ষার্থীদের প্রজেক্টরের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস নেয়া সম্ভব হচ্ছেনা। শনিবার রাতের কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যালয়ের প্রায় ৮ থেকে ৯ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শ্রী দিনেশ চন্দ্র পাল জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়টি সংষ্কার ও শিক্ষা উপকরনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফারজানা, শিউলী, রাজীব মন্ডল, মিথুন বিশ্বাস জানায়, মান সম্মত শিক্ষার জন্য মান সম্মত শিক্ষার পরিবেশ দরকার। শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জরুরী ভিত্তিতে স্কুলঘর মেরামত সহ যাবতীয় শিক্ষনীয় উপকরন অবশ্যক। এদিকে শনিবার রাতের কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলার বেনীপুর, ধান্যখোলা, কেয়া গ্রাম সহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের আম বাগান, ধান ক্ষেতের ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি সহ ঘরবাড়ী ভেঙ্গে লণ্ডভণ্ড হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ