ঢাকা, মঙ্গলবার 24 April 2018, ১১ বৈশাখ ১৪২৫, ৭ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবার আশা কৃষি বিভাগের

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা: বরিশালের আগৈলঝাড়ায় চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে রবি ফসলের চাষে ব্যাপকতার কারনে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫০ হেক্টর জমি কম চাষ করেও বাম্পার ফলন হওয়ায় ১০হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে উদপাদনের লক্ষমাত্রা ৪৭ হাজার ৬শ ৮৭মেট্রিক টন চাল ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করছেন কৃষি বিভাগ। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানান, এলাকার চাষিরা ২হাজার ৭শ হেক্টর জমি আগাম চাষ করায় ইতোমধ্যেই তাদের ক্ষেতের পাকা ধান কাটা শুরু হয়েছে। তবে আর এক সপ্তাহ পরেই ধান কাটার ভরা মৌসুম শুরু হবে। কৃষি অফিসের প্রদর্শনী বীনা-১০ ধানের চাষ করে কৃষকরা লাভবান হয়েছেন। বীনা ধান-১০ চাষে হেক্টর প্রতি ফলন হয়েছে ৬ দশমিক ৫ মেট্রিক টন ধান। এছাড়াও জিং সমৃদ্ধ ব্রি-৬২ ও ৬৭ ধান চাষে আশাতীত ফলন ফেয়েছে চাষীরা। উফশী ও হাইব্রীড ধানের ফলনও গত বছরের তুলনায় এবছর অনেক ভাল। এরইমধ্যে পাকা ধান কটার জন্য বিভিন্ন জেলা থেকে ধান কাটার জন্য শ্রমিকেরা এলাকায় আসতে শুরু করেছে। উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে গত বছরের চেয়ে এবছর ৮হেক্টর জমি কম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করে চলতি বছর ১০হাজার ৫শ ৫০ হেক্টর জমি বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু কৃষকদের আগ্রহে রবি ফসলের আবাদ বৃদ্ধি পাওয়ায় এবছর ৫০ হেক্টর জমিতে ইরি বোরো চাষ কম হয়েছে। তার পরেও অনুকুল আবহাওয়া, কৃষি উপকরণের সহজ প্রাপ্যতা এবং কীট পতঙ্গের আক্রমণ একেবারেই কম হওয়ায় এবছর উপজেলায় ফসলের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলে ৫০ হেক্টর জমি কম চাষের পরেও উৎপাদনের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ৪৭ হাজার ৬শ ৮৭মেট্রিক টন চাল ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। মঙ্গলবার কাল বৈশাখী ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উঠতি পাকা ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হলেও আবহাওয়া ভাল থাকলে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কৃষকের মাঠের পাকা ধানের ৯০ভাগ ঘরে তুলতে পারবেন বলেও জানান তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ