ঢাকা, বুধবার 25 April 2018, ১২ বৈশাখ ১৪২৫, ৮ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ত্রিনিদাদের বিরুদ্ধে ভেনিজুয়েলান শরণার্থীদের বের করে দেয়ার অভিযোগ জাতিসংঘের

২৪ এপ্রিল, রয়টার্স : ক্যারিবিয়ান দেশ ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো থেকে ৮২ ভেনিজুয়েলান শরণার্থীকে জোর করে বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ। দেশটির সরকার দাবি করেছে, এসব আশ্রয়প্রার্থী ব্যক্তি স্বেচ্ছায় সেখান থেকে চলে গেছে। আর জাতিসংঘের অভিযোগ, এই আশ্রয়প্রার্থীদের আটক করে রাখা হয়েছিল। দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার আগে তাদের সঙ্গে কাউকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশন-ইউএনএইচসিআর বলেছে, এসব মানুষকে ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোতে আটক করা হয়েছিল। শনিবার তাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। তাদের কাছে সংস্থাটিকে পৌঁছাতে দেওয়া হয়নি। ইউএনএইচসিআর’র সুরক্ষা বিষয়ক সহকারী হাই কমিশনার ভোলকার তুর্ক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘দলটিকে জোর করে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি গভীর উদ্বেগজনক। আমরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি ও তাদের তাড়িয়ে দেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চেয়েছি’।

ইউএনএইচসিআর বলছে, তাড়িয়ে দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই নিবন্ধিত আশ্রয়প্রার্থী ছিলেন। এছাড়া শরণার্থীর মর্যাদা পাওয়ার জন্য অনেকেই ঘোষণা দিয়েছিলেন। সংস্থাটির পক্ষ থেকে গত মার্চে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৪ সালের পর থেকে সারাবিশ্বে ভেনিজুয়েলান আশ্রয়প্রার্থীদের সংখ্যা দুই হাজার শতাংশ বেড়েছে। প্রতিবেদনে এসব আশ্রয়প্রার্থীকে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় দেওয়া ও জোর করে বের করে দেওয়ার ব্যাপারে সব দেশকে সতর্ক করা হয়। জাতিসংঘ সংস্থাটি ক্যারিবিয়ান দেশগুলোর সরকারগুলোর সঙ্গে এসব শরণার্থীর বিষয়ে সহায়তার করতে কাজ করে যাচ্ছে। ভেনিজুয়েলায় অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের কারণে লাখ লাখ মানুষ রাজনৈতিক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। দেশটির প্রায় ৩০ লাখ মানুষ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। ইউএনএইচসিআর’র মুখপাত্র ক্রিস বোইয়ান বলেন, ত্রিনিদাদ অ্যানড টোবাগো সরকারের সঙ্গে করা চুক্তি মেনে তাদের বের করে দেওয়া হয়নি। নিবন্ধিত আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে যারা দেশে ফিরতে চাইবে তাদের অবশ্যই প্রথমে ইউএনএইচসিআর’র কাছ থেকে পরামর্শ নিতে হবে। এরপর তাদের লিখিত বিবৃতি দিতে হবে যে, তার স্বেচ্ছায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ