ঢাকা, বুধবার 25 April 2018, ১২ বৈশাখ ১৪২৫, ৮ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

এখনো পূরণ হয়নি কোটা

মিয়া হোসেন : হজ্বযাত্রীদের নিবন্ধনে এখনো কোটা পূরণ হয়নি। কোটার ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮জনের মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত নিবন্ধিত হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজর ৬৭৫জন। তার মধ্যে সরকারি ব্যবস্থায় ৬ হাজার ২১১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থায় ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৬৪ জন নিবন্ধন করেছে। বেসরকারি ব্যবস্থায়  আজ বুধবারের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য শেষ সুযোগ দেয়া হয়েছে। প্রাক-নিবন্ধনের ৩৮২৯০৭ থেকে ৩৮৩৪২৪ ক্রমিক পর্যন্ত হজ্ব গমনেচ্ছু ব্যক্তিগণ আজ রাত ৮টা পর্যন্ত নিবন্ধন করতে পারবেন। এদিকে সরকারি ব্যবস্থায় প্যাকেজ-১ এর নিবন্ধন কার্যক্রম গতকাল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে আগে আসলে আগে নিবন্ধন দেয়ার নীতিতে সরকারি ব্যবস্থায় প্যাকেজ-২ এর মাধ্যমে নিবন্ধন চলমান।
ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রমতে, ২০১৮ সালে পবিত্র হজ্বে গমনের জন্য বাংলাদেশের জন্য ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮জনের কোটা নির্ধারিত। তার মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার ও সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ১৯৮জন হজ্বে যেতে পারবে। গতকাল পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থায় ৬ হাজার ২১১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থায় ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৬৪ জন নিবন্ধন করেছে। সরকারি ব্যবস্থায় এখনো প্রায় ১ হাজার জন নিবন্ধনের বাকী রয়েছে। কিন্তু প্যাকেজ ১ এর আওতায় নিবন্ধন বন্ধ হয়ে গেছে। প্যাকেজ-২ এ নিবন্ধন চলমান রয়েছে। এ প্যাকেজের মূল্য ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩৫৯ টাকা। এ দিকে বেসরকারি ব্যবস্থায় নিবন্ধনের বাকী রয়েছে ৩ হাজার ৫৩৬জন। তার মধ্যে হজ্ব ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত মুনাজ্জেম ও গাইডও রয়েছে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনার বাকী কোটা আজ বুধবার রাত ৮টার মধ্যে পূরণ করতে হবে। এ জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রাক-নিবন্ধনের ৩৮২৯০৭ থেকে ৩৮৩৪২৪ ক্রমিক পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
ধর্মমন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে হজ্ব ব্যবস্থাপনার মুনাজ্জেম ও গাইড সম্পর্কে বলা হয়, ২০১৮ সালের হজ্বে বেসরকারি ব্যবস্থাপনার নির্ধারিত কোটা ১ লাখ ২০ হাজার জনের বিপরীতে ৪৫ জনের জন্য ১ জন করে গাইড এবং মুনাজ্জেমসহ মোট ৩ হাজার ৪০০ জনের সংখ্যা সংরক্ষণ করা হয়েছিল। চলমান নিবন্ধন কার্যক্রমে দেখা যাচ্ছে যে, ১ লাখ ২০ হাজার জনের বিপরীতে ৪৫ জনের জন্য ১ জন হারে গাইডের প্রকৃত সংখ্যা দাড়ায় ২৬০৯ জন। অন্যদিকে নিবন্ধনে অংশগ্রহণকারী এজেন্সির সংখ্যা ৫৫৫টি; অর্থাৎ মুনাজ্জেম সংখ্যা হবে ৫৫৫ জন। সে হিসাবে গাইড এবং মুনাজ্জেম (২৬০৯+৫৫৫)=৩১৬৪ (তিন হাজার একশত চৌষট্টি)। প্রথম পর্যায়ে সংরক্ষিত সংখ্যা ৩৪০০ হতে প্রকৃত ৩১৬৪ সংখ্যা বিয়োগ করলে মোট (৩৪০০-৩১৬৪)=২৩৬ জনের সংখ্যা আরো অবশিষ্ট থাকে।
অপেক্ষমান তালিকা হতে ২০১৮ সালের হজ্বে নিবন্ধনের জন্য নির্বাচিত যে সকল হজ্বযাত্রীর এজেন্সী নূন্যতম কোটা পূরণ করতে পারবে না তারা জাতীয় হজ্ব ও ওমরাহ নীতির ৪.৩.২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সমন্বয় করে লীড এজেন্সি নির্ধারণপূর্বক সমন্বয় স্থানান্তর করতে পারবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ