ঢাকা, বুধবার 25 April 2018, ১২ বৈশাখ ১৪২৫, ৮ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

হা-মীম গ্রুপের এমডি এ কে আজাদ ও তাবিথ আউয়ালকে দুদকে তলব

স্টাফ রিপোর্টার : জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে আজাদকে আবারও তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর সই করা চিঠিতে এ কে আজাদকে ৯ মে সকাল ১০টায় দুদকে হাজির থাকতে বলা হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ এপ্রিল তারিখ নির্ধারিত ছিল।  দেশের বাইরে থাকার কারণে ওই দিন সকালে তিনি সময় চেয়ে দুদকে চিঠি দেন। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচ সপ্তাহ সময় দিয়ে তাঁকে ৯ মে দুদকে হাজির থাকতে বলা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, এ কে আজাদের বিরুদ্ধে ভ্যাট-ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি। অভিযোগ সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য জানতে তাঁকে দুদকে হাজির হতে নোটিশ পাঠানো হয়। সংস্থাটির পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর সই করা চিঠিতে এ কে আজাদকে নিজে দুদকে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দেওয়ার মাধ্যমে অনুসন্ধানে সহায়তা করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
গত ২০ মার্চ অনুমোদিত নকশা ছাড়া বাড়ি নির্মাণের অভিযোগে এ কে আজাদের গুলশানের বাড়ির একাংশ ভেঙে ফেলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। এর পরদিনই তাঁকে তলব করে চিঠি দেয় দুদক।
তাবিথ আউয়াল: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে ও দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়ালকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিমশন (দুদক)। তাঁর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে দুদকের উপপরিচালক আখতার হামিদ ভূঁইয়া তাবিথ আউয়ালকে দুদকে হাজির হয়ে অভিযোগ সম্পর্কে বক্তব্য দেওয়ার জন্য চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তাঁকে ৮ মে সতাল ১০টায় সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, চলতি বছরই তাবিথ আউয়ালের বিরুদ্ধে এ অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।
গত ২ এপ্রিল তাবিথ আউয়াল এবং বিএনপির জ্যেষ্ঠ সাত নেতাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আরেকটি অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। তাঁদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তাবিথ আউয়াল ছাড়া যেসব জ্যেষ্ঠ নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে, তাঁরা হলেন স্থায়ী কমিটির চার সদস্য, ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও মির্জা আব্বাস; দুই ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু ও এম মোর্শেদ খান; যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল।এ ছাড়া এম মোর্শেদ খানের ছেলে খান ফয়সাল মোর্শেদ খানের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ