ঢাকা, বুধবার 25 April 2018, ১২ বৈশাখ ১৪২৫, ৮ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

উৎপাদন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে দিনাজপুরে বোরো ধান কাটা শুরু

নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) সংবাদদাতা: দিনাজপুরে ১৩ উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে উৎপাদন ভালো হওয়ায় বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। গত বছর বন্যায় কৃষকের ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যায়। সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষি অধিদপ্তরের প্রযুক্তি ভিত্তিক প্রশিক্ষণ আর কৃষকদের কঠোর পরিশ্রমের কারণে মাঠে বোরো ফসলের দৃশ্যপট পরিবর্তন হয়েছে। উৎপাদনের সাথে জড়িত থাকা কৃষকেরা জানান- আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও যথা সময়ে বিদ্যুতের মাধ্যমে সেচ ও বালাই নাশক ঔষধ প্রয়োগ করায় বোরো ফসলের বাম্পার ফলন পাচ্ছে কৃষক। ইতোমধ্যেই আগাম জাতের বোরো ধান কর্তন শুরু করেছে কৃষক। কৃষকেরা জানায়- সরকারিভাবে ন্যায্য মূল্যে খোদ কৃষকদের নিকট থেকে ধান ক্রয় করা হলে উৎপাদন খরচসহ বাড়তি সুবিধা পাবে কৃষকেরা। দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলায় শস্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত। মাঠের পর মাঠ দিগন্ত জুড়ে কাঁচা পাতা ধানের সোনালী রঙ্গে বাতাসে দোল খাচ্ছে। বোরো ধান কর্তনের পর কৃষকেরা আপদকালীন ধান আউষ প্রণোদনার বীজ বপন করেছে। এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু রেজা মোঃ আসাদুজ্জামান জানান- উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে বিভিন্ন জাতের বোরো ধান মাঠে রোপন করা হয়েছে। যেগুলো ফসল আগাম লাগানো হয়েছিল কৃষকেরা ওই ফসল কর্তন শুরু করেছে। উপজেলার হেয়াতপুর গ্রামের কৃষক জামাল উদ্দিন, শওগুনখোলা গ্রামের লোকমান হাকিম, দোমাইল গ্রামের জাহাঙ্গীর, আফতাবগঞ্জের আব্দুস সাত্তার, বিনোদনগরের বাবু তারা জানান- ফসল উৎপাদন ভালো হয়েছে। ঘরে উঠা পর্যন্ত প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকে রক্ষা পেলেই বোরো ধান কৃষকের গোটা বছরের সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ শাখার কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক শাখার ব্যবস্থাপক মো খাইরুল আলম জানান- কৃষি ফসল উৎপাদনের জন্য তার ব্যাংক শাখা থেকে ৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা কৃষি ঋণ বিতরণের কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়। তিনি আরও জানান- এ পর্যন্ত বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে ও কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ে এ শাখা থেকে ৫ কোটি ৪৫ লাখ ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ