ঢাকা, বুধবার 25 April 2018, ১২ বৈশাখ ১৪২৫, ৮ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শালিখায় খাস জমি অবৈধ দখল মুক্ত করে গুচ্ছগ্রাম নির্মাণ

মাগুরা সংবাদদাতা : মাগুরার শালিখায় ১একর ১০শতক  খাস খতিয়ানের জমি দখলমুক্ত করে ভূমিহীন ২০টি পরিবারের পুনর্বাসন করা হচ্ছে।
গুচ্ছগ্রাম দ্বিতীয় পর্যায় প্রকল্পের আওতায় আড়পাড়া মৌজায় গুচ্ছ গ্রামের কাজ শুরু হয়। কিন্তু সেখানে মামলা সংক্রান্ত জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় পরবর্তীতে উক্ত গুচ্ছগ্রাম পার্শবর্তী পোড়াগাছি মৌজায় সরকারি খাস জমি অবৈধ দখল মুক্ত করে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। উল্লেখ্য সরকারি খাস খতিয়ানের ১একর ১০শতক জমি দীর্ঘ ৩০/৩৫ বছর যাবত সম্পূর্ন অবৈধ দখলে ছিলো। পরে মাগুরা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে উপজেলা প্রশাসন অবৈধ দখল মুক্ত করে ৩১ লক্ষ টাকা নির্ধারণ করে গুচ্ছ গ্রামের ২০টি ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এ সফল উদ্যোগ গ্রহনে পুড়াগাছি মৌজায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার কাজ চলমান  রয়েছে। গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের সার্বিক লক্ষ্য হলো ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে সরকারী খাস জমিতে পুনর্বাসন করানো। যে কারনে পুড়াগাছি খাসজমিতে ভূমিহীনদের পুনর্বাসনে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। জমি ও বসত ঘর পেয়ে আনন্দিত সেখানকার ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষগুলো। চলতি বছরের ১৪ইূ ফেব্রুয়ারী পুড়াগাছি গুচ্ছগ্রাম নির্মাণকাজ শুরু করা হয়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় (সিভিআরপি) প্রকল্পের আওতায় পুড়াগাছি গ্রামে গুচ্ছগ্রাম-দ্বিতীয় পর্যায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইতো  মধ্যে ইতোমধ্যে ২০টি ঘর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। গুচ্ছগ্রামের প্রতিটি ঘরের জন্য থাকছে একটি করে স্বাস্থ্য সম্মত শৌচাগারের পাশাপাশি  সুপেয় পানির গভীর নলকুপ যা চলমান রয়েছে।
এ ছাড়াও প্রতিটি পরিবারের জন্য থাকছে উন্নত চুলা, ফলদ ও বনজ ঔষধী গাছ। সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা হাসিয়ারা খাতুনের সাথে। তিনি বলেন  নিজস্ব কোনো জায়গা ছিলোনা। পরিবার নিয়ে বাস করতেন পাড়া-প্রতিবেশীর জায়গায়। গুচ্ছগ্রামে একটি ঘর পেয়ে তিনি বেশ স্বস্তিতে। ইব্রাহিম মোল্যা ঘর-জমি কিছুই নেই। দিনমুজুরি করে দিন কাটান। তিনি বললেন, সরকারিভাবে আমাদের ঘর করে দেয়া হয়েছে। ঘর পেয়ে আমার পরিবার খুব খুশি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ