ঢাকা, শুক্রবার 27 April 2018, ১৪ বৈশাখ ১৪২৫, ১০ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

‘গুলীর পর শারমিনের পাশেই খুনি’

দাগনভূঞা সংবাদদাতা : ‘শারমিন ও জাহাঙ্গীর টিভি দেখছিলেন। আমি পাশের কক্ষে নামাজ পড়তে গেলাম। হঠাৎ গুলির শব্দ। ছুটে এসে দেখি বোনের লাশ। পাশেই বসা জাহাঙ্গীর। একহাতে শারমিনের থুতনি অপর হাতে পিস্তল। ফরিদাকে দেখেই বলল ইন্নালিল্লাহ’। এভাবেই বড় বোন শারমিনের খুনের ঘটনার বর্ণনা দেন ছোট বোন ফরিদা। ফরিদা চিৎকার করে উঠলে ঘর থেকে দৌড়ে বেরিয়ে যায় জাহাঙ্গীর। ততক্ষণে আশপাশের লোকজন জড়ো হতে থাকে।

মঙ্গলবার বিকালে দাগনভূঞা উপজেলার পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়নের নয়নপুর গ্রামে প্রতিবেশীর গুলীতে গৃহবধূ খুন হন। ঘটনার পর ওই অস্ত্রধারী পলাতক রয়েছে। তবে হত্যাকান্ডের কারণ সম্পর্কে নানা গুজব ছড়িয়ে পড়লেও পুলিশ এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মাস আগে সেনবাগ উপজেলার ছমিরমুন্সি গ্রামের শামসুল হকের সঙ্গে শারমিনের বিয়ে হয়। নিহতের স্বামী ঢাকায় একটি অটোমোবাইল গ্যারেজ মিকার। গত কয়েকদিন আগে শারমিন বাবার বাড়ীতে বেড়াতে আসে। নিহতের বোন ফরিদা আক্তার জানায়, নয়নপুর গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম একজন ডেকোরেটর ব্যবসায়ী। দুই পরিবারের মধ্যে পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। একইবাড়ির পাশাপাশি ঘর, সম্পর্কে চাচাতো-জেঠাতো ভাই-বোন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।

দাগনভূঞা থানার ওসি মো. আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে অসাবধানতাবশত: ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। তবে ঘাতক জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হবে। এ রিপোর্ট লিখার সময় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ