ঢাকা, শনিবার 28 April 2018, ১৫ বৈশাখ ১৪২৫, ১১ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রমযানকে সামনে রেখে অস্থির হয়ে উঠছে নিত্যপণ্যের বাজার

স্টাফ রিপোর্টার : মাত্র দু’সপ্তাহ পরে শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র রমযান। আর রমযানকে সামনে রেখেই অস্থির হয়ে উঠছে নিত্যপণ্যের বাজার। বিশেষ করে ক্রেতাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে সবজি বাজার। মাত্র একদিনের ব্যবধানে রাজধানীর অধিকাংশ কাঁচাবাজারে সবজির  দাম ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। গত দু’ সপ্তাহ ধরে সবজির দাম বেড়েই চলছে। এদিকে নতুন করে বেড়েছে দেশী পেঁয়াজ ও ব্রয়লার মুরগীর দাম।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে যে বেগুন বিক্রি হয়েছে প্রকারভেদে ৫৫-৬০ টাকা কিন্তু তা বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকা,  পেঁপে ৪০-৪৫ টাকা, করলা ৫৫-৬০ টাকা, কাকরল ১০০ টাকা, শিম ৫৫-৬০ টাকা, দেশি টমেটো ৩০-৩৫ টাকা, গাজর ৪৫-৫০ টাকা, শসা ৪০-৪৫ টাকা, খিরা ৮০-৯০ টাকা, মূলা ২৫ টাকা, আলু ২০ টাকা।
এ ছাড়া প্রতি পিস বাঁধাকপি ৩৫ টাকা, প্রতি পিস ফুলকপি ৪৫ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
এক আঁটি লাল শাক ২০ থেকে ২৫ টাকা ও ধনিয়াপাতা ১০০ টাকা কেজি, কাঁচকলা হালি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, লাউ প্রতিপিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুর ছড়া প্রতি কেজি ৩০ টাকা ও লেবু হালি ৪০ টাকা। আদা ১০০ থেকে ১১০ টাকা, রসুন ৮০ থেকে ১১০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪২-৪৫ টাকা, আমদানী করা পেয়াঁজ ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে গরু, খাসির গোশতের দাম। তবে ব্রয়লার মুরগীর দাম কিছুটা বেড়েছে। প্রতি কেজি গরুর গোশত ৫০০ টাকা, খাসির গোশত ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৪০-১৪৫ টাকা, দেশি মুরগি ৩৪০ টাকা কেজি, লেয়ার মুরগি প্রতি পিস আকারভেদে ১৫০ থেকে ২২০ টাকা ও পাকিস্তানি মুরগি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে কিছুটা বেড়েছে মাছের দাম। গত সপ্তাহে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকায় বিক্রি হওয়া প্রতিটি ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ১৫০০ টাকায়। চিংড়ির দাম একটু বেশি বেড়েছে। গত সপ্তাহে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ১০০০ টাকায়। এছাড়া অন্যান্য মাছের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। যেমন রুই ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, কাতল ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, চাষ করা শিং মাছ ২২০ টাকা ৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৬০ টাকা, কই ১৬০-১৮০ টাকা, পাঙাশ ১৩০-১৫০ টাকা, পাবদা ৫০০-৫৫০ টাকা, এবং মাগুর মাছ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে চালের দাম বাড়েনি। তবে বৃদ্ধি পাওয়া চালের দাম কমেনি। ব্যবসায়ীরা বলছেন অদূর ভবিষ্যতে চালের দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে নতুন ধান পুরোদমে আসার পর দাম কমতে পারে বলে মনে করছে ব্যবসায়ীরা। বাজারে গুটি স্বর্ণা ৪২ টাকা, মিনিকেট মানভেদে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, নাজিরশাইল মানভেদে ৫০ থেকে ৭৪ টাকা এবং পোলাও চাল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ