ঢাকা, শনিবার 28 April 2018, ১৫ বৈশাখ ১৪২৫, ১১ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সকল নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার মেয়র কেসিসি প্রার্থী তালুকদার খালেকের

খুলনা অফিস : খুলনা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, ‘২০০৮ সালে আমি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর সিটি কর্পোরেশনের ১২ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ করে পরিকল্পিতভাবে খুলনার উন্নয়ন করেছি। তারই অংশ হিসেবে খুলনা নগরীর জলাবদ্ধতা দূরীকরণে নানা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। যে পরিকল্পনার মধ্যে নগরী পরিবেষ্টিত ২২টি খালকে চিহ্নিত করে দখলমুক্ত করা হয়েছিলো। অধিকাংশ ক্ষেত্রে জলাবদ্ধতা নিরসন হয়েছিলো। ২০১৩ সাল থেকে গত ৫ বছরে আবারও খুলনা শহর পিছিয়ে পড়েছে। থমকে গিয়েছে খুলনার উন্নয়ন। তিনি নগরবাসিকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, নির্বাচনে আমি মেয়র নির্বাচিত হলে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন নিশ্চিত করা হবে।’ এজন্য তিনি নৌকা প্রতীককে ভোট দিয়ে খুলনার উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত রাখতে সকলের সহযোগিতা, দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করেন। গতকাল শুক্রবার সকালে নগরীর ১৬নং ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। সকাল সাড়ে ৮টায় রায়েরমহল হামিদ নগর থেকে শুরু করে ওয়ার্ডে বিভিন্ন এলাকায় তিনি গণসংযোগ ও স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময় করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী এনায়েত হোসেন, নগর আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হাসান ইফতেখার চালু, শেখ মোশাররফ হোসেন, অসিত বরণ বিশ্বাস, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা, কাজী মুজিবুল হক, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, মো. নুর ইসলাম, ইউসুফ আলী খান, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে)’র সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম, কাউন্সিলর প্রার্থী ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আবিদ উল্লাহ, সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী শেখ আমেনা হালিম বেবী, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা খন্দকার মো. বাহাউদ্দিন, আব্দুল কুদ্দুস, লোকমান হাকিম, শেখ আরিফ উল্লাহ, মুকুল, মো. শাহীন, রফিকুল ইসলামসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক ১৬ ও ১৭ নং ওয়ার্ডের বয়রা বাজার, রায়ের মহল, পূজা খোলা, ইসলামিয়া কলেজ রোড, বয়রা কলেজ রোড, নিউ মার্কেট এলাকা, সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকা, সোনাডাঙ্গা ময়লাপোতা এলাকা, সি এ্যান্ড বি কলোনী, করিমনগর সহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন।এছাড়া তিনি বিভিন্ন সংগঠনের সাথে মতবিনিময় করেন।
অপরদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধু এবং শেখ হাসিনাই ইসলামের স্বার্থ সংরক্ষণ করেছেন। আর বিএনপি ইসলামের অবক্ষয় ঘটিয়েছে। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে ইসলামী ফাউ-েশন গঠণ করেছিলেন। তিনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড পুন:গঠন করেন। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের সেরা মসজিদ হিসেবে বায়তুল মোকাররম মসজিদ উদ্বোধন করেন। তিনি মদের লাইসেন্স বাতিল করেছিলেন। আর জিয়াউর রহমান মদের লাইসেন্স পুনরায় চালু করেছিলো। বিএনপি ধর্মের কথা বলে মানুষকে প্রতারিত করছে একই সাথে ইসলামকে সাধারণ মানুষের মাঝে বির্তকিত করেছে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনাই বাংলাদেশে ইসলামের প্রসার ঘটিয়েছেন। শেখ হাসিনা ইসলামী বিশ^বিদ্যালয গঠণ করে ৩১টি কামিল মাদ্রাসায় অর্নাস কোর্স চালু করেছেন। তিনি ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু এবং শেখ হাসিনা সব ধর্মের অবাধ এবং সমান অধিকার নিশ্চিত করেছেন। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সোচ্চার থেকে শান্তি শৃংখলা রক্ষা করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি খুলনা বাসির প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, কোন অপপ্রচারে কান না দিয়ে খুলনা তথা দেশের সার্বিক উন্নয়নে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে অব্যহত উন্নয়নে সহযোগিতা করার আহবান জানান।
গতকাল শুক্রবার দৌলতপুর, খালিশপুর, সোনাডাঙ্গা এবং সদর থানার বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও পথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি দৌলতপুর কারিগরপাড়া আল আকসা জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা অসিত বরণ বিশ্বাস, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, এস এম আব্দুল হক, মেহেদী, সাঈয়েদুজ্জামান সম্রাট, হারিবুর রহমান, ডা. আব্দুল মান্নান, আব্দুস সালাম মোড়ল, আসলাম মোড়ল, মাজহারুল হান্নান, এস এম রাকিবুল হক, জাফরিন বিশ্বাস, নাদিম হোসেন, ইমতিয়াজ রাসেল বাবু, ইমরান মোড়ল, সোহেল বিশ্বাস, মেহেদী হাসান রাসেলসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ