ঢাকা, শনিবার 28 April 2018, ১৫ বৈশাখ ১৪২৫, ১১ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে : মাশরাফি

স্পোর্টস রিপোর্টার : আসন্ন এই বিশ্বকাপ ক্রিকেট সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। আগামী বছর ৩০ মে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ক্রিকেট বিশ্বকাপ। ওই বছর ২ জুন ওভালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে টাইগাররা। এবারের বিশ্বকাপটি হবে ১৯৯২ সালের ফরমেটে। যেখানে দশটি দলই রাউন্ড রবিন লিগে পরস্পরের বিপক্ষে খেলবে। সেখান থেকে সেরা চার দল খেলবে  সেমিফাইনালে। তার কথায়, ‘আশা করছি, আমার খেলা বিশ্বকাপগুলোর মধ্যে এটিই হতে যাচ্ছে সবচেয়ে প্রতিদ্বন্ধীতাপূর্ণ। আমার মনে হয়, এবারই প্রথম দশটি দল শেষ চারে ওঠার জন্য একে অপরের বিপক্ষে খেলবে। এখানে প্রত্যেক দলই নিজেদের দিনে প্রতিপক্ষকে হারাতে সক্ষম।’ ইংল্যান্ডে বাংলাদেশের ইতিহাসটা সুখকরই। গেল বছর যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেমি ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। মাশরাফীর প্রত্যাশা, সেই ধারাবাহিকতা ২০১৯ সালেও ধরে রাখবে তার দল। তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে আমাদের দারুণ স্মৃতি আছে। ওয়ানডেতে অনেক বাংলাদেশি ক্রিকেটারের পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডকে হারানোর সেরা স্মৃতি আছে এখানে। গেল বছরই এখানে আমরা আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমি ফাইনালে উঠেছিলাম। এটা আমাদের সত্যি উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে।’ ইংল্যান্ডের কন্ডিশনও বাংলাদেশের জন্য সুবিধাজনক বলে মনে করেন মাশরাফী। মাশরাফির মতে, ‘এখানকার কন্ডিশন সম্পর্কে আমাদের ভালো ধারনা আছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে বড় একটা বাংলাদেশি কমিউনিটি আছে। যারা আমাদের সমর্থন দিয়ে উৎসাহিত করেন। যেকারণে এখানে আমরা বরাবরই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।’ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ফেভারিট না হলেও প্রতিপক্ষের সামনে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়ার সামর্থ্য রাখে, ‘আমাদের যে সামর্থ্য, ঠিকভাবে অনুশীলন চালিয়ে গেলে আমি নিশ্চিত, বিশ্বকাপে আমরা প্রতিপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ দাঁড় করাতে পারবো।’ গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে খেলার সুখস্মৃতি দলকে উদ্বুদ্ধ করবে বলেই বিশ্বাস মাশরাফির। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসীদের সমর্থনকেও বাড়তি প্রেরণা হিসেবে দেখছেন তিনি, ‘গত বছর আমরা আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনাল খেলেছি। এটা আমাদের উদ্বুদ্ধ করবে, অনুপ্রেরণা দেবে। কন্ডিশন সম্পর্কে আমাদের ভালো ধারণা আছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের বড় একটা সম্প্রদায় বাস করে। তারা আমাদের দলকে সমর্থন দেন, তাই যেখানেই খেলি না কেন আমরা বেশ স্বস্তিতে থাকি। আমাদের দলটির যেমন মান, যদি সঠিক প্রস্তুতি নেয়া যায়; আমি আত্মবিশ্বাসী, আমরা বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলব।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ