ঢাকা, শনিবার 28 April 2018, ১৫ বৈশাখ ১৪২৫, ১১ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চুয়াডাঙ্গা বিটিসিএল সার্ভিস না দিয়ে গ্রাহকদের হাতে ৩ লক্ষাধিক টাকার বিল ধরিয়ে দিয়েছে

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা: চুয়াডাঙ্গাস্থ সরকারী টেলিফোন সংস্থা বিটিসিএল কতৃপক্ষ  গ্রাহকদের সার্ভিস না দিয়েই প্রতিমাসে ৫০ হাজার টাকা করে পকেটস্থ করার অভিযোগ উঠেছে। বিগত ৬মাস যাবত ৩ শতাধিক গ্রাহকদের কাছ থেকে এভাবে ৩ লক্ষাধিক টাকার বিল সেবা ছাড়াই হাতে ধরিয়ে দিয়েছে। জেলায় বর্তমানে ২ হাজার ৩১২ জন বিটিসিএল গ্রাহক রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২৮ অক্টোবর চুয়াডাঙ্গা শহরের কোর্ট এলাকাসহ বেশকিছু স্থানে পৌরসভার পানির লাইন সম্প্রসারণের কাজের কারণে বিটিসিএলএর তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সেই থেকে ৩ শতাধিক গ্রাহক তাদের কাছ থেকে কোনো সার্ভিস পাচ্ছে না। অথচ এসব সকল গ্রাহকদের কাছে প্রতি মাসে সার্ভিস চার্জ বাবদ বিল পাঠিয়ে যাচ্ছে। অসহায় গ্রাহকরা মুখ বন্ধ করে টেলিফোন বিল ব্যাংকে জমা দিয়ে চলেছে। এ বিষয়ে গ্রাহকদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। বর্তমানে তারা টেলিফোন বিল না দিয়ে বিল মওকুফের দাবি তুলেছে।
চুয়াডাঙ্গাস্থ বিটিসিএল অফিসের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইফতিখার মাহমুদ জানান, গত ১ মাস আগে বিটিসিএল এর চাকরি থেকে তিনি পদত্যাগ করেছেন। বর্তমানে তিনি পাবনা পিডিবি অফিসে কর্মরত রয়েছেন। টেলিফোন বিল মওকুফের বিষয়ে কুষ্টিয়া বিটিসিএলএর রাজস্ব কর্মকর্তা সাইদুর রহমান বলেন, গ্রাহকদের বিল মওকুফের বিষয়ে ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার বলতে পারবেন। এবিষয়ে তার সাথে কথা বলতে পরামর্শ দেন তিনি। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কুষ্টিয়া বিটিসিএলএর ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার শামসুল হক বলেন, টেলিফোন লাইনের ফল্ট বের করতে পারছি না। তবে ফল্ট বের করার প্রচেষ্টা চলছে। বিল মওকুফের কোনো বিধান নেই। চুয়াডাঙ্গা অফিসের কর্মকর্তা চাকরি থেকে পদত্যাগ করায় ওই পদে লোক বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিটিসিএলএর এসব ভৌতিক কর্মকান্ডের কারনে সেবা না পেয়ে গ্রাহকরা মুখ ফিরিয়ে নেয়ায় বর্তমানে প্রতি মাসেই বিপুল পরিমান গ্রাহক কমতে থাকায় সংস্থাটি অচিরেই মুখ থুবড়ে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ