ঢাকা, শনিবার 28 April 2018, ১৫ বৈশাখ ১৪২৫, ১১ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

নন্দীগ্রামে ইরি-বোরো ধান কাটা মাড়াই শুরু

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) সাংবাদদাতা: বগুড়ার নন্দীগ্রামে ইরি-বোরো ধান কাটা মাড়াইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। উত্তরাঞ্চল তথা বগুড়ার শস্যভান্ডার হিসেবে খ্যাত নন্দীগ্রাম উপজেলায় বছরে ৩ বার ধানের চাষাবাদ করা হয়। তাই প্রতি বছর নন্দীগ্রাম উপজেলার কৃষকরা ফসলী জমিতে ইরি-বোরো, আউশ ও রোপা আমন ধানের চাষাবাদ করে আসছে। এর পাশাপাশি রবিশস্যর চাষাবাদ করে থাকে। এবারো তাই করেছে। চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে নন্দীগ্রাম উপজেলায় ২০ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়। এতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৪৫ মেট্রিকটণ ধান। ইতোমধ্যেই আগাম জাতের ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। কৃষকরা ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলন পেতে ফসলী জমিতে যথারীতি যতœ নেয়। পোকা মাকড় দমনের জন্য পার্চিং পদ্ধতি গ্রহণ করে। ইরি-বোরো চাষ সবচেয়ে ব্যয়বহুল হলেও তা অতি লাভজনক হিসেবে গণ্যকরা হয়। তাই কৃষকরা যথারীতিভাবে প্রতি বছর ব্যাপকহারে ইরি-বোরো ধানের চাষাবাদ করে আসছে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার মশিদুল হক’র সাথে কথা বললে তিনি বলেন এবারো ফসলী জমির চিত্র অনেকটা ভালো রয়েছে। আশাকরি এবারো ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলন হবে। আমরা ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যনিয়ে কৃষকদের পরামর্শ প্রদানসহ সবধরণের সহযোগিতা করেছি। ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি হলে যেমন কৃষকের লাভ হয়। তেমনি দেশের খাদ্য চাহিদা মিটাতে অনেকটা সহায়ক ভূমিকা রাখে। প্রাকৃতিক কিছু দুর্যোগ দেখা দিলেও ইরি-বোরো ধানের তেমন ক্ষতি সাধন হয়নি। নন্দীগ্রাম উপজেলায় উৎপাদিত ফসলের ৭০ ভাগ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে মিনিকেট জাতের ধান ৯০০ থেকে ৯২০ টাকা মণদরে ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে। বিভিন্ন জেলার ধান ব্যবসায়ীরা নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ধান ক্রয় শুরু করে দিয়েছে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ