ঢাকা, শনিবার 28 April 2018, ১৫ বৈশাখ ১৪২৫, ১১ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

নীলফামারীর কৃষি শ্রমিকরা কাজের সন্ধানে ছুটছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়

নীলফামারী সংবাদদাতা: নীলফামারীতে বোরো ধান ঘরে তুলতে লাগবে আরো দুই সপ্তাহ বা তারও বেশী। এ ছাড়া এ সময়ে এ এলাকায় তেমন কোন কাজ থাকেনা। এ কারনে এ সময় অলস দিন কাটছে এ অঞ্চলের কৃষি শ্রমিকদের। হাতের জমানো টাকাও শেষ। ধার-দেনা করে সংসার চালাতে গিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছে অনেকে। তাই কাজের সন্ধানে ছুটছে দক্ষিণের জেলাগুলোতে। ধান কাটা শুরু হয়েছে নাটোর, নওগাঁ সহ বিভিন্ন জেলায়। ওই অঞ্চলের কৃষকেরা দেশের উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন জেলায় গিয়ে খোঁজ করে কৃষি শ্রমিক নিয়ে আসেন। তাই প্রতিদিন সহস্রাধিক কৃষি শ্রমিক ট্রেনে করে কাজের সন্ধানে ছুটছে দক্ষিনের ওইসব অঞ্চলে। গত তিন দিনে বিভিন্ন ট্রেনে নীলফামারীর প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক পাড়ি দিয়েছে দক্ষিণের ওইসব জেলায়। নীলফামারী সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের দারোয়ানী এলাকার মহির, কালঠু, আকালু সহ বেশ কয়েকজন কৃষি শ্রমিকদের সাথে কথা হয় সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনে। তারা আন্তঃনগর রুপসা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে যাবে সান্তাহারে। তারা জানায়, এখন হামার এত্তি কাম নাই, তাই হামরা ধান কাটির দক্ষিনোত যায়ছি। তবে নীলফামারী অঞ্চলে ধান কাটা মাড়াই শুরু হলে তারা ফিরে আসে নিজ গ্রামে। বিগত বছরগুলোতে এসব শ্রমিকরা ট্রেনের ছাদে যাতায়াত করলেও এবারে রেলওয়ে পুলিশের বিশেষ নজরদারীতে ছাদে ভ্রমন করতে পারছে না শ্রমিকরা। সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমদাদুল হক জানান, ট্রেনের ছাদে, ইঞ্জিনে ভ্রমন আইনত দন্ডনীয় অপরাধ, আর তা যাত্রীদের মধ্যে সচেতনতার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে যাত্রীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ