ঢাকা, সোমবার 7 May 2018, ২৪ বৈশাখ ১৪২৫, ২০ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে -মঈন খান

গতকাল রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয়তাবাদী ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আয়োজিত প্রকৌশলী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে নতুন করে পুনর্গঠন করতে হবে। আজ সারাদেশ কারাগারে পরিণত হয়েছে। এমন একটি সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে যারা সম্পূর্ণ নির্লোভভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে। এমনকি নির্বাচনের ফলাফলের ওপর তাদের কোনো স্বার্থ থাকবে না। সম্পূর্ণ বাইরে থেকে নির্বাচন পরিচালনা করবে। এটাই হওয়া উচিত আগামী নির্বাচনের রূপরেখা।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের বাক-স্বাধীনতা নাই। গুম, খুন এবং বিরোধী দলকে দমন পীড়নের মাধ্যমে সরকার ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করতে পারবে না। সরকারের সময় শেষ হয়ে এসেছে। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললেই গুম, খুন, নির্যাতন এবং মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে। প্রতিবাদ নয় গুম, খুন, নির্যাতন এবং মামলার জন্য সরকারকে কড়ায় গন্ডায় হিসাব দিতে হবে।
গতকাল রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিকেলে জাতীয়তাবাদী ডিপ্লোমা ইন্ডিনিয়ার্স সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। পরিষদের আহ্বায়ক প্রকৌশলি কবির হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, শিক্ষক কর্মচারী পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, শিকক্ষ নেতা জাকির হোসেন, সাংবাদিক কাদের গনি চৌধুরী, বিএনপির নেতা শওকত সিকদার প্রমুখ।
ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাতে হবে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে। অতীতে বেগম জিয়া একটি স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে ৯১ সালে ক্ষমতায় এসেছিন। সরকার গাজীপুরে নির্বাচনে পরাজয হবে জেনে নির্বাচন স্থগিত করেছে। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ইতিহাস একটি কলঙ্কজনক ইতিহাস। আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী দল, যারা লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করতে জানে কিন্তু গণতন্ত্র বুঝে না এবং মানেও না।
ড. মঈন খান বলেন, এদেশের মানুষ ভোটাধিকার চায়, গণতন্ত্র চায়। সংবিধানের দোহাই দিয়ে ধোঁকাবাজি করছে সরকার। সংবিধানের অজুহাত অর্থহীন। সংবিধানের অজুহাতে বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। ৪৬ বছরের আগের স্লোগানে হবে না।
এসময় তিনি দলের নেতাকর্মীদের নির্বাচনের পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
শওকত মাহমুদ বলেন, সরকার আতঙ্কি হয়ে এবং পরাজয়ের ভয়ে গাজীপুরের নির্বাচন স্থগিত করেছে। দেশে গুম-খুনের আতঙ্কে জনজীবন দুর্বিষহ। এসবের হাত থেকে তাদের উদ্ধার করতে হবে। এজন্যই আমরা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু সরকার পরাজয়ের ভয়ে গাজীপুরের নির্বাচন স্থগিত করে দিয়েছে।
অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া বলেন, আজ জাতীয় জীবনে একটি সংকট চলছে। বেগম জিয়া ছাড়া বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ