ঢাকা, সোমবার 7 May 2018, ২৪ বৈশাখ ১৪২৫, ২০ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বেড়েছে পাসের হার ॥ জিপিএ-৫ ও শতভাগ পাসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

রেজাউল করিম রাসেল, কুমিল্লা অফিস : এসএসসি’র ফলাফলে গত বছরের ভরাডুবির পর এবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড। গত বছরের তুলনায় এ বছর বেড়েছে পাসের হার ও জিপিএ-৫ এবং শতভাগ পাসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। এ বছর এ বোর্ডে পাসের হার ৮০.৪০ শতাংশ ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৮৬৫ জন এবং শতভাগ পাসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৭৪টি। এ বোর্ডের ১ লাখ ৮২ হাজার ৭১১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৯৭ জন। গত বছর এ বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৭৯জন, পাসের হার ছিল ৫৯.০৩, জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৪ হাজার ৪৫০ জন এবং শতভাগ পাসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল ১৪টি। গতকাল রবিবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের হলরুমে সাংবাদিক সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান।
বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এ বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে তিনটি বিভাগে গড় পাসের হারে মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের গড় পাসের হার ৮১.২৯ ও মেয়েদের ৭৬.৬৯। ৩টি বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৮৬৫ জন। এরমধ্যে ৩ হাজার ৪৮৬ জন ছেলে ও ৩ হাজার ৩৭৯ জন মেয়ে। এ বছর বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৯৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। এ বিভাগে ৫৪ হাজার ৮৭৯ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫১ হাজার ৭৯৫ জন এবং ছেলেদের পাসের হার ৯৪.৫২ ও মেয়েদের ৯৪.২৩। জিপিএ-৫ পাওয়া ছেলে ৩ হাজার ৪৩২ জন ও মেয়ে ৩ হাজার ২১৩ জন। মানবিক বিভাগে পাসের হার ৬৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এ বিভাগে ৫১ হাজার ৭৭৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৩৫ হাজার ১৩১ জন এবং ছেলেদের পাসের হার ৮১ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং মেয়েদের ৭৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়া ছেলে ১১ জন ও মেয়ে ৫১ জন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৭৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এ বিভাগে ৭৬ হাজার ৫৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫৯ হাজার ৯৭১ জন এবং ছেলেদের পাসের হার ৭৬.৭৯ এবং মেয়েদের ৮১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়া ছেলে ৪৩ জন ও মেয়ে ১১৫ জন। এ বছর ১ হাজার ৭০৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৪টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে এবং কোন প্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য নেই। গত বছরের তুলনায় এ বছর এ বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬৮ জন বৃদ্ধি পেলেও পাসের হার, জিপিএ-৫ ও শতভাগ পাসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে।
গত বছরের বিপর্যয় কাটিয়ে এ বছরের ফলাফলের বিষয়ে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সচিব প্রফেসর আবদুস সালাম ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, গত বছরের ফলাফল নিয়ে বোর্ডের অধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের অংশগ্রহণে একাধিকবার বৈঠক করে তাঁদের দিক-নির্দেশনা প্রদানসহ মনিটরিং ব্যবস্থা বাড়ানো হয়। এছাড়াও নির্বাচনী পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপ না করানোর জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দেয়ার পর অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ