ঢাকা, মঙ্গলবার 8 May 2018, ২৫ বৈশাখ ১৪২৫, ২১ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চতুর্থ মেয়াদে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিলেন পুতিন

৭ মে, বিবিসি, রয়টার্স : মার্চের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিপুল জয় পাওয়া ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে চতুর্থ মেয়াদ শুরু করেছেন। গতকাল সোমবার চতুর্থবারের মতো দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট অথবা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গত ১৮ বছর ধরে রাশিয়ার ক্ষমতায় আছেন তিনি, বিরোধীরা যার মেয়াদকালকে রাশিয়ার জার বা সম্রাটের রাজত্বের সঙ্গে তুলনা করে থাকেন।

এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৭৬ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়ে পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন পুতিন। সবধরনের নির্বাচনে এটিই তার সেরা সাফল্য। তবে এই নির্বাচনে বিভিন্ন ধরনের অনিময় হওয়ার কথা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।

রাশিয়ার সবচেয়ে পরিচিত বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সি নাভালনিকে দুর্নীতির দায়ে সাজা পাওয়ায় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়। এই সাজাকে রাজনৈতিক উদ্দেশমূলক দাবি করে কোনো অপরাধ করার কথা অস্বীকার করেছেন নাভালনি।

পুতিন গণতন্ত্রকে অবজ্ঞা করে ‘ম্যানেজ ডেমোক্রেসি’ চালু করেছেন বলে অভিযোগ রাশিয়ার বিরোধীদলগুলোর। এর মাধ্যমে প্রকৃত বিরোধীদলগুলোকে পার্লামেন্টের বাইরে রেখে নিজের ও মিত্রদের অনির্দিষ্টকাল ক্ষমতায় থাকার ব্যবস্থা করেছেন বলে অভিযোগ করে আসছে বিরোধীদলগুলো।

২০০০ সালে প্রথমবারের মতো রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন পুতিন। এরপর ২০০৪ সালে তিনি আবার নির্বাচিত হন। একটানা দুই মেয়াদের বেশি প্রেসিডেন্ট না থাকার বিষয়ে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকায় ২০০৮ সালে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। 

ওইবার নিজের সহচর দিমিত্রি মেদভেদকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী করে এনে নিজে তার অধীনে প্রধানমন্ত্রীর পদ গ্রহণ করেন। তবে দুজনের মধ্যে পুতিনের হাতেই বেশি ক্ষমতা ছিল বলে সন্দেহ পর্যবেক্ষদের।

২০১২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ফের নির্বাচিত হন পুতিন। এই সময় তার প্রেসিডেন্ট মেয়াদকাল হয় ছয় বছরের। চলতি বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবার জয়ী হন তিনি।

২০২৪ সালে চতুর্থ মেয়াদ মেয়াদ শেষ করতে পারলে ২৪ বছর রাশিয়ার ক্ষমতায় থাকার গৌরব অর্জন করবেন তিনি, যা হবে সোভিয়েত আমলের নেতা জোসেফ স্ট্যালিনের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সময় রাশিয়ার ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ