ঢাকা, মঙ্গলবার 8 May 2018, ২৫ বৈশাখ ১৪২৫, ২১ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

গণজোয়ার ঠেকানো যাবে না মনে করেই সরকার গাজীপুরে ভোট বন্ধ করে দিয়েছে -মঈন খান

গতকাল সোমবার জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান জিয়ার মাজারে ফুল দিয়ে মোনাজাত করেন -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : গণজোয়ার ঠেকানো যাবে না মনে করেই সরকার গাজীপুরে ভোট বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান। সেইসাথে আইনী লড়াইয়ের মাধ্যমে দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
গতকাল সোমবার জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠনের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরস্থ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
মঈন খান বলেন, আজকে আমাদের দলের প্রধান খালেদা জিয়া একটি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় কারারুদ্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতেও কিন্তু দেশে গণতন্ত্রের স্বার্থে, দেশের মানুষের কল্যাণের স্বার্থে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে অংশগ্রহণ করব। কারণ দলীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষা করা। যেটা আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, ব্যক্তির চেয়ে দল বড় দলের চেয়ে দেশ। আমরা সেই আদর্শে বিশ্বাসী হয়েই কিন্তু এই নির্বাচনে গিয়েছিলাম। কিন্তু তার ফলাফল দেখুন কি হলো? আশ্চর্যের বিষয় যখন সরকার বিগত কয়েকদিন আমরা দেখলাম নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের বিনা প্ররোচনায় ধরপাকর শুরু করেছে। আমাদের মধ্যে ভয়ভীতি আশঙ্কা সৃষ্টি করছে। সেই পুরানো টেকনিক যাতে কেউ ভোট দিতে না যায়।
তিনি বলেন, এতকিছু করার পরও সরকার যখন বুঝতে পেরেছে গণজোয়ারের এই ঢেউ আর ঠেকানো যাবে না তখন  বাধ্য হয়ে আইনের অছিলায় তারা সেই নির্বাচন বন্ধ করে দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ তো আর এতো বোকা নয়, তারা বুঝতে পেরেছে কেন এই নির্বাচন বন্ধ হলো।
আগামী নির্বাচনে বিএনপি বা কোনো দলকে ডাকা হবে না আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, আওয়ামী লীগ আমাদের ডাকলো কি ডাকলো না তার ওপর আমাদের নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া নির্ভর করবে না। আমরা নির্বাচনে যাব কি যাব না সেটা আমাদের বিচার বিবেচনা, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি,  নির্বাচনের নিরপেক্ষতা, সুষ্ঠুতা  এসব কিছুর উপর নির্ভারশীল হবে। তবে একটা কথা সেটা হলো বেগম খালোদা জিয়াকে কারাগারে রেখে অন্যায়ভাবে তার ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হলে আমরা তা মেনে নিব না।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শাহা আলম রেজা, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব শফিক, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ