ঢাকা, মঙ্গলবার 8 May 2018, ২৫ বৈশাখ ১৪২৫, ২১ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ফরিদপুরে কলেজ শিক্ষিকা ও ব্যাংক কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার

ফরিদপুর সংবাদদাতা : ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ ঝিলটুলি এলাকার একটি বাসা থেকে ২জনের লাশ উদ্ধার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ।
একজন সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক ও অপরজন ফরিদপুর সোনালী ব্যাংক প্রিন্সিপাল শাখার অডিট কর্মকর্তা।
নিহত কলেজ শিক্ষিকা সাজিয়া বেগম, রাজধানীর সুত্রাপুর থানার বানিয়া নগর এলাকার শেখ শহিদুল ইসলাম এর স্ত্রী এবং ব্যাংক কর্মকর্তার নাম ফারুক হাসান। তার বাড়িও রাজধানীর আগারগাও এলাকায়। বাসা নং ৩৮।
ফরিদপুর কোতয়ালী থানার অফিসার ইন চার্জ এফএম নাসিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বাড়ির মালিক পুলিশকে খবর দিলে আমরা এসে লাশ উদ্ধার করি। দক্ষিণ ঝিলটুলি এলাকার নুর ইসলাম এর দ্বিতল বাড়ির নিচ তলার একটি ফ্লাট থেকে লাশ দুইটি উদ্ধার করা হয়।
শিক্ষিকার লাশ দরজার পাশে রক্তাত্ত অবস্থায় এবং ব্যাংক কর্মকর্তার লাশ ফ্যানের হুকের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে বিস্তারিত বলতে পারবো।
বাড়ির মালিকের ছেলে ডেবিড বলেন, রাজেন্দ্র কলেজের অভিষেক অনুষ্ঠানের কনসার্ট ছিল। রাত সাড়ে ১১ টার দিকে কনসার্ট শেষে বাড়ি ফিরে নিচ তলার ওই ফ্লাটের দরজা খোলা দেখতে পাই। দরজার ফাকা দিয়ে দেখতে পাই ব্যাংক কর্মকর্তার লাশ ঝুলছে। আমি সাথে সাথেই পুলিশকে জানাই। পুলিশ এসে লাশ উদ্বার করে।
তিনি আরো জানান, নিহত কলেজ শিক্ষিকা ১ বছর আগে এই বাসা ভাড়া নেন। আর ব্যাংক কর্মকর্তা ১ মাস আগে ভাড়া নেন। ১ মাস আগে বাসা ভাড়া নিলেও তিনি থাকতেন না। দুই দিন আগে তিনি বাসায় এসে উঠেছেন। শিক্ষিকা দুই ছেলে নিয়ে একই ভবনের পাশাপাশি ফ্লাটে থাকতেন। তার স্বামী ঢাকায় ব্যবসা করেন।
 সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সুলতান মাহামুদ বলেন, ম্যাডাম উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার দায়িত্ব পালন করেছেন। বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে বাসার উদ্দেশ্যে বের হয়ে যান। এরপর রাতে জানতে পারলাম ম্যাডামকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা অনেক খুঁজাখুঁিজর পরে না পেয়ে থানায় যাই। ঠিক তখনই বাড়ির মালিকের ছেলে থানায় গিয়ে পাশের ফ্লাটে লাশ ঝুলে থাকার খবর দেয়। সেই লাশ উদ্ধার করতে এসে পুলিশ ম্যাডামের লাশও উদ্ধার করে।
নিহত কলেজ শিক্ষিকার স্বামী শেখ শহিদুল ইসলাম জানান, ৪ টার দিকে স্ত্রীর সাথে শেষ কথা হয়। তখন সে জানায় বাসায় আসছে । এর পর রাত হয়ে গেলেও বাসায় না ফেরায় তার কলিগদের জানাই। কোথায় খুঁেজ না পেয়ে থানায় জানাই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ