ঢাকা, মঙ্গলবার 8 May 2018, ২৫ বৈশাখ ১৪২৫, ২১ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আওয়ামী ডেঞ্জারাস ম্যাসেজ আনলিমিটেড!

এম. কে. দোলন বিশ্বাস : বাংলায় একটি নয়া প্রবাদ সংযোজন করা এখন সময়ের দাবি। সেটি হলো- ‘ক্ষমতা বলে কথা।’ তার মানে, ক্ষমতায় আসীন থাকলে কেল্লাফতে। ক্ষমতার ক্যারিশমায় অসম্ভব সহসাই সম্ভব হয়ে ওঠে। বেমানান মানান হয়ে যায়। এছাড়াও ক্ষমতার হিম্মতে কথায় কথায় কাজ। কাজে কাজে সাজ। যতো সাজ, ততো নাচ। ক্ষমতাবানের কথাতেও থাকে যশ বেশি। তবে যার কথায় যতো রস বেশি, সে ততো মিথ্যাবাদি’ এমনটা জ্ঞানীদের বাণী চিরন্তনীতে বহুকাল আগেই লিপিবদ্ধ। সুতরাং বেশি রসযুক্ত কথার দাপটে অপ্রিয় সত্য কথাও কোনো কোনো সময় অস্তিত্ব সংকটে পড়ে। এমনটির বাস্তবতার কোনো প্রকার ব্যত্যই ঘটেনি ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকারের নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগের বেলায়। বরং নীতিনির্ধারক-দায়িত্বশীল পর্যায়ের লিডারদের তরফ থেকে একের পর এক ‘আওয়ামী ডেঞ্জারাস ম্যাসেজ আনলিমিটেড’ভাবেই চারদিকে চাউর হচ্ছে। এসব ভয়ংঙ্কর মন্তব্যে একদিকে যেমন আওয়ামী লীগ দিশাহারা। অন্যদিকে নিজেদের ‘বিতর্কিত’ বক্তব্যে দলটি ক্রমেই হারাতে বসেছে অস্তিত্ব।
আওয়ামী স্তাবকদের ভয়ঙ্কর উক্তিগুলো আজ প্রাসঙ্গিকভাবে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আওয়ামী লীগের অনেক নেতার অনেক বেমানান কথাই। যে কারণে আজকের নিবন্ধটির মূলত সূত্রপাত। ‘আওয়ামী ডেঞ্জারাস ম্যাসেজ আনলিমিটেড’ থাকলেও পাঠকদের উদ্দেশে এখানে যৎসামান্য তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
আজীবন প্রধানমন্ত্রিত্ব থিওরী : ভারতীয় ক্ষমতাসীন জনতা পার্টি-বিজেপি’র আমন্ত্রণে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলটির ১৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ভারত সফর করে বাংলাদেশে ফিরে এসে দেশবাসীকে জানান দিয়েছেন ‘আজীবন প্রধানমন্ত্রিত্ব থিওরী’।
ওই প্রতিনিধি দল গত ২২ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে বিজেপি’র শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজন এর সাথে বৈঠকে মিলিত হয়।
প্রতিনিধি দলের অন্যতম সিনিয়র সদস্য দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ একটি ডেঞ্জারাস উক্তির মাধ্যমে ‘আজীবন প্রধানমন্ত্রিত্ব থিওরী’ এর তত্ত্ব চাউর করেন। তিনি বলেছেন, ‘যতদিন শেখ হাসিনা জীবিত এবং সক্ষম থাকবেন, ততোদিন আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকবে। জননেত্রী শেখ হাসিনাই ততদিন বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই থাকবেন।’
গত ২৫ এপ্রিল রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে কাজী বশির মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সম্মেলনে আওয়ামী লীগের অন্যতম মুখপাত্র হানিফ এ ‘বেসম্ভব মন্তব্য’ করেন। (তথ্যসূত্র : প্রথম আলো-২৫.০৪.২০১৮)
ফ্রি ইলেকশন ফর আওয়ামী সিলেকশন : কোনো প্রকার নির্বাচন ছাড়াই আ’লীগ জিততে পারে, এমন ডেঞ্জারাস উক্তির মাধ্যমে ‘ফ্রি ইলেকশন ফর আওয়ামী সিলেকশন’ থিওরীর তত্ত্ব আবিষ্কার করেছে আ’লীগ।
কিছুদিন আগে দলটির সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন যে, ‘আওয়ামী লীগ ইলেকশনে অলরেডি জিতে গেছে।’ একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন, এ বছরের শেষের দিকে যে নির্বাচন হবে সেটি নেহায়েৎ আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। (তথ্যসূত্র : ইনকিলাব- ০১.০৫.১৮)
আওয়ামী ফর্মুলা : রাজনীতিতে আওয়ামী চাপাবাজি জনপ্রিয়তার ফর্মুলা আবিষ্কার করেছেন আ’লীগ। তাদের মতে, কোনো রাজনৈতিক দল জনবিচ্ছিন্নতার তলানিতে ঠেকলেও জনপ্রিয়তায় ধ্বস নামে না। বরং ক্ষমতার ক্যারিশমায় চাপাবাজিতে জনপ্রিয়তার কমতি থাকে না। যেমন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচন কোনো অবস্থাতেই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি। নির্বাচনের আগেই ১৫৪ জন এমপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
বিরোধী দলগুলোর দাবি, ওই নির্বাচনে ৬ শতাংশের বেশি ভোটার ভোট দেয়নি। বিদেশি একাধিক জরিপ সংস্থা এবং গবেষণা সংস্থার প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে, ওই নির্বাচনে কয়েকটি নির্বাচনী এলাকায় সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে ২০ শতাংশ। অবশিষ্ট এলাকায় ২০ শতাংশের অনেক কম ভোট পড়েছে। তদুপরি আওয়ামী চাপাবাজিতে ডাকঢোল পিটিয়ে চারদিকে চাউর করা হচ্ছে, জনগণ ভোট দিয়েছে বলেই পাঁচ বছর পূর্ণ করতে চলেছে আওয়ামী সরকার।
বিএনপি অবৈধ থিওরী : আ’লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বিএনপিকে সমালোচনা করে বলেছেন, দেশের জনগণ চাইলে বিএনপিকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করা হবে। গত ২০১৬ সালের ১৩ জানুয়ারি আ’লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। (তথ্যসূত্র : দৈনিক জনতা- ১৪.০১.১৬)
দেশ অস্থিরের আওয়ামী তত্ত্ব : কখন এবং কী কারণে বাংলাদেশ অস্থির হয়ে ওঠে, এব্যাপারে গবেষণামূলক তত্ত্বের সন্ধ্যান পেয়েছেন আ’লীগ। দলটির প্রবীণ নেতা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বলেছেন, ‘সাংবাদিক বেটারা দেশ অস্থির করে ফেলে’। সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, চাকরিজীবীদের বেতন বেড়েছে ১০০ ভাগ। দেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। কৃষকের আলু, পেঁয়াজ ও ধান অর্থাৎ কৃষি পণ্যের দাম বাড়লেই সাংবাদিক বেটারা দেশ অস্থির করে ফেলে। তোমরা সাংবাদিক বেটারা কী করো সেটাও আমরা জানি। মন্ত্রী বলেন, আমরা পত্রিকা পড়ি কিন্তু শেখ হাসিনা পত্রিকা পড়ে দেশ চালায় না। তিনি প্রশ্ন রাখেন, খালেদা জিয়া গভীর রাতে গাড়িতে আগুন দিলে সেখানে কী করে সাংবাদিক বেটারা হাজির হয়।
শেখ হাসিনা সর্বেসেরা আওয়ামী ফর্মুলা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাকে জানান দিতে ‘শেখ হাসিনা সর্বেসেরা আওয়ামী ফর্মুলা’ আবিষ্কার করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার। তিনি বলেছেন, ‘আগামী নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনেই হবে। পৃথিবীর কোনো শক্তি নেই যে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন রুখতে পারে।’
বলাবাহুল্য যে, ‘দেশের মালিক জনগণ, আর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস’ এ সত্যকে অস্বীকার করে ২০১৭ সালের ১৯ ডিসেম্বর জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গুঠাইল উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত শিক্ষার্থীদের মাঝে সোলার হ্যারিকেন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী ফিজার এসব কথা বলেন। (তথ্যসূত্র : নয়াদিগন্ত- ২০.১২.১৭)
হজ্ব-তাবলীগ জামাতে ম্যানপাওয়ার লস তত্ত্ব আবিষ্কার : হজ্বকে কেন্দ্র করে কত যে ম্যানপাওয়ার ‘লস’ হয় এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে নিজেকে ‘হজ্বে ম্যানপাওয়ার নষ্ট তত্ত্বের প্রবর্তক’ হিসেবে কুখ্যতি অর্জন করেছেন আ’লীগের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা বহিষ্কৃত মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী। ২০১৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে অবস্থানরত টাঙ্গাইলবাসীদের সাথে এক মতবিনিময়কালে লতিফ সিদ্দিকী পবিত্র হজ্ব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। এরপর গণমাধ্যমে ওই বক্তব্য প্রচার হলে রীতিমত ঝড় ওঠে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে।
লতিফ সিদ্দিকী প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে নিউইয়র্ক সফরকালে তার বক্তৃতায় বলেন, ‘আমি জামায়াতে ইসলামীর বিরোধী। তার চেয়েও বেশী বিরোধী হজ্ব ও তাবলীগ জামাতের।’
তিনি হজ্বের শুরু প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘আব্দুল্লাহর পুত্র মোহাম্মদ চিন্তা করলো, এ জাজিরাতুল আরবের লোকেরা কীভাবে চলবে। তারা তো ছিল ডাকাত। তখন একটা ব্যবস্থা করলো যে, আমার অনুসারীরা প্রতি বছর একবার একসাথে মিলিত হব। এর মধ্য দিয়ে একটা আয়-ইনকামের ব্যবস্থা হবে।’
লতিফ সিদ্দিকী আরও বলেছেন, ‘হজ্বে কত যে ম্যানপাওয়ার নষ্ট হয়। হজ্বের জন্য ২০ লাখ লোক আজ সৌদি আরবে গেছে। এদের কোনো কাম নাই। এদের কোনো প্রডাকশন নাই। শুধু রিডাকশন দিচ্ছে। শুধু খাচ্ছে আর দেশের টাকা দিয়ে আসছে।’
তাবলীগ জামাতের সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, ‘তাবলীগ-জামাত প্রতি বছর ২০ লাখ লোকের জমায়েত করে। নিজেদের তো কোনো কাজ নেই। সারা দেশের গাড়ি-ঘোড়া তারা বন্ধ করে দেয়।’
লতিফ সিদ্দিকীর ওই বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে আ’লীগ চরম বেকায়দায় পড়ে। ফলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে তাকে মন্ত্রিসভা ও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তবে তার বিরুদ্ধে সরকারের তরফে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এমনকি তার সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকে। তবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্মপ্রাণ মানুষদের পক্ষ থেকে দায়েরকৃত মামলায় নাটকীয় আত্মসমর্পণের পর তিনি দীর্ঘ আট মাস কারা ভোগের পর জামিনে মুক্তি পান তিনি।
আমরা মনে করি, হজ্ব বিষয়ক মন্তব্যে সরকার বিব্রত হলেও লতিফ সিদ্দিকীর মূল অ্যাকশনটা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পুত্রকে তাচ্ছিল্য করে বক্তব্য দেয়ার দায়ে। কারণ ধর্মীও অনুভূতিতে আঘাত দিলেও লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে সরকার কোনো ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নজির দেখাননি। বরং লতিফ সিদ্দিকীকে যা সহায়তার প্রয়োজন সরকার সেটাই যে করেছে এমন আলামতই স্পষ্ট।
দুই আনার মন্ত্রী তত্ত্বের প্রবর্তক : দক্ষিণ ও মধ্যএশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়াল এর বাংলাদেশ সফর নিয়ে চরম বিরূপ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে ‘দুই আনার মন্ত্রী তত্ত্বের প্রবর্তক’ হিসেবে নিজেকে পরিচিতি লাভ করিয়েছেন আ’লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। ২০১৪ সালের ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ সফরে আসেন কুমারী নিশা দেশাই বিসওয়াল। তিনি ২৯ নভেম্বর  চলে যান।
এর পর ২৯ ডিসেম্বর খুলনায় দলের এক সম্মেলনে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বক্তৃতাকালে নিশা দেশাইকে ‘দুই আনার মন্ত্রী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে নিশা দেশাইয়ের বৈঠকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সৈয়দ আশরাফ বলেছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুই আনা, চার আনাও না- এক মন্ত্রী আছে নিশা দেশাই। ভারতীয় বংশোদ্ভূত, যদিও সে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘টেলিভিশনে দেখে মনে হয়েছে ২২/২৩ বছরের মেয়ের সামনে খালেদা জিয়া একদম শিশু। হাত পেতে বসে আছেন ক্ষমতাটা যাতে এই মিস দেশাই খালেদা জিয়ার হাতে তুলে দেবেন।’
কাজের মেয়ে ড্যান মর্জিনা তত্ত্ব : ২০১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর খুলনায় আ’লীগের এক সম্মেলনে বক্তৃতাকালে সৈয়দ আশরাফ বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদায়ী মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনার কঠোর সমালোচনা করে তাকে ‘কাজের মেয়ে মর্জিনা’ বলে সম্বোধন করেন। আশরাফ বলেছেন, ‘কয়দিন আগে উনি (খালেদা জিয়া) ছিলেন আরেকজনের দিকে তাকিয়ে। মজিনা তো কত চেষ্টা করল নির্বাচনটা বন্ধ করার জন্য, শেখ হাসিনা যাতে প্রধানমন্ত্রী না হতে পারে তার জন্য। এমন কোনো প্রচেষ্টা নাই তিনি করেন নাই। আল্লাহর ওয়াস্তে সবশেষে চাকরির মেয়াদও শেষ, ক্ষমতাও শেষ। আগামী সপ্তাহে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেবেন। জীবনে হয় তো আর বাংলাদেশে আসবেন না। বাংলাদেশ কিন্তু ওই অবস্থায় নাই যে ‘কাজের মেয়ে মর্জিনা’ বাংলাদেশের ক্ষমতার রদবদল করবে।’
উল্লেখ্য, এর আগে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী ও শিল্পমন্ত্রী তোফায়েল আহমদও যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে বিভিন্ন প্রকার বিরূপ মন্তব্য করে সমালোচনার পাত্র হয়েছেন। [চলবে]

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ