ঢাকা, শুক্রবার 21 September 2018, ৬ আশ্বিন ১৪২৫, ১০ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

গাজীপুর সিটি নির্বাচন নিয়ে শুনানি পেছাল

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে করা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মেয়র প্রার্থীর আবেদনের শুনানি পিছিয়ে বৃহস্পতিবার রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট।

বুধবার হাইকোর্টের স্থগিতাদেশকে চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনের আরো একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ দিন ঠিক করেন।

নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ওবায়দুর রহমান মোস্তফা বলেন, নির্বাচন কমিশন বুধবার সকালে দুই মেয়র প্রার্থীর আবেদনের শুনানি পেছাতে আপিল বিভাগের কাছে অনুরোধ জানায়।

তিনি জানান, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশকে চ্যালেঞ্জ করে আমরাও আজ (বুধবার) একটি আবেদন করতে যাচ্ছি।

সম্প্রতি গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন হাইকোর্ট কর্তৃক তিন মাসের জন্য স্থগিতাদেশের দেয়া রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম ও বিএনপি প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার।

তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আজ বুধবার শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করেছিলেন।

গত রবিবার এক রিটের প্রেক্ষিতে নির্বাচনের ১০ দিন আগে (১৫মে) সীমানা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। উল্লেখ্য, ৫৭টি সাধারণ ও ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড নিয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৪২৫ জন।

গত ৪ মার্চ সিটি কর্পোরেশনের সীমানা নিয়ে গেজেট জারি হয়। যেখানে শিমুলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়বাড়ী, ডোমনা, শিবরামপুর, পশ্চিম পানিশাইল, পানিশাইল ও ডোমনাগকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

রিটের পক্ষের আইনজীবী জানান, ২০১৩ সালে এ ছয়টি মৌজাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিলো। তখন বিষয়টি নিয়ে এবিএম আজহারুল ইসলাম সুরুজ আবেদন করেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গ্রাহ্য না করায় হাইকোর্টে রিট করার পর আদালত আবেদনটি পুনর্বিবেচনা করতে নির্দেশ দেয়। এর মধ্যে ২০১৬ সালে শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে এ ছয়টি মৌজা শিমুলিয়ার মধ্যেই ছিল। নির্বাচনে আজহারুল ইসলাম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এখন আবার এ ছয় মৌজাকে সিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেহেতু তিনি ছয়টি মৌজার ভোটেও নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাই এ ছয়টি মৌজাকে সিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত উপরোক্ত আদেশ দেন।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে নির্বাচন আগামী ১৫ মে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ