ঢাকা, বৃহস্পতিবার 10 May 2018, ২৭ বৈশাখ ১৪২৫, ২৩ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বার্সেলোনা-রিয়ালের এল ক্লাসিকো

অরণ্য আলভী তন্ময় : বহু বছর ধরে এই একটি লড়াইকে পুজি করে এগিয়েছে স্পেনের ফুটবল। ছোট করে বললে লিওনেল মেসি আর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর কথা বলতে হবে। এই দুজনের কারণে বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যকার স্প্যানিশ লা লিগার লড়াইয়ের আরেক নাম এল ক্লাসিকো। এই লড়াই যেন অনেক কিছুকে পাশ কাটিয়ে অন্যরকম গুরুত্ব বহন করে। এই ম্যাচকে ঘিরে মাসখানেক ধরে চলেছে ‘গার্ড অব অনার’ বিতর্ক। রিয়াল মাদ্রিদ কেন সম্মান জানাবে না, আর বার্সেলোনা কেন শিরোপাজয়ের সম্মান পেতে পারে না- এ নিয়ে দুই শিবিরে রীতিমতো তর্কযুদ্ধ বেধে গিয়েছিল। ঘটমান সময়ে ওই তর্কযুদ্ধকে ‘বাড়াবাড়ি’ মনে হলেও এল ক্ল্যাসিকোর মাঠের লড়াই শেষে সেটিকে এখন ‘নস্যি’ বলতে হচ্ছে। গত ৬ মে দু’দলের মুখোমুখি অবস্থানে তর্কযুদ্ধ তো হলোই, কয়েক চোট শারীরিক লড়াইও হয়ে গেল। রেফারির কিছু সিদ্ধান্ত যে লড়াইকে দিয়েছে উস্কানিও। নব্বই মিনিটের মধ্যে তাই রোনালদো এবং মেসি, লুইস সুয়ারেজ ও গ্যারেথ বেলের গোলের পরও, দশজনের দল নিয়ে বার্সেলোনার অপরাজেয় ধারা ধরে রাখা কিংবা কোচ হিসেবে জিদানের টানা চার ম্যাচ ন্যু ক্যাম্পে অপরাজিত থাকার কীর্তির পরও- ঘুরেফিরে ভাসছে কেবল বিতর্কের ছবি, নাটকীয় ঘটনার দৃশ্য। ম্যাচের আগ পর্যন্ত যেটিকে বলা হচ্ছিল ‘মর্যাদার এল ক্ল্যাসিকো’, সেটিই হয়ে গেল ‘নাটকীয়তা আর বিতর্কের এল ক্ল্যাসিকো।’ ২০১৭-১৮ মৌসুমের শেষ এই ক্ল্যাসিকো ২-২ সমতার কারণে নয়, ভবিষ্যতের আলোচনার খোরাক হবে পাল্টাপাল্টি উত্তেজনা, বিতর্ক আর নাটকীয় সব ঘটনার জন্যই। অথচ, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা নামক এক কিংবদন্তির শেষ এল ক্ল্যাসিকো হিসেবেও আলাদা এক মাহাত্ম্য ছিল এই ম্যাচের। যে ইনিয়েস্তার জন্য খেলাশেষে বিদায়ী সম্ভাষণ জানাতে পাঁচ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকেন জিনেদিন জিদান, সার্জিও রামোস বলে ওঠেন, আমিও একসময় ওর সঙ্গে চীনে গিয়ে খেলব’- সেই ইনিয়েস্তা তার বিদায়ী ক্ল্যাসিকোয় আড়ালেই পড়ে গেলেন। লা লিগার শিরোপাজয়ী হিসেবে বার্সেলোনা এ রাতে ন্যু ক্যাম্পকে সাজিয়েছিল বর্ণিল সাজে। খেলাশেষে মাঠের চারপাশ প্রদক্ষিণ করে পিকে-সুয়ারেজ-মেসিরা অভিবাদন নিলেন-দিলেন গ্যালারির দর্শকদেরও। এমন সুন্দর সমাপ্তি যে ম্যাচের, তার প্রথম পৌনে দু’ঘণ্টা কেটেছে মহাউত্তেজনায়, নাটকীয়তায়। ক্ষণে ক্ষণে দেখা মিলেছে তর্কযুদ্ধ, গায়ে হাত লাগিয়ে ধাক্কাধাক্কি। কেইলর নাভাস-সুয়ারেজ, লুকাস ভাসকেজ-পাওলিনহো, নাচো-উমতিতি, মার্সেলো-রবার্তো- এমন সব দ্বৈরথের কটু দৃশ্য দেখা গেছে মাঠের ভেতরেই। বিরতিতে টানেলে ঝগড়া বেধেছে নাচো ফার্নান্দোজ-পিকেরও; রামোসের অভিযোগ, মেসিও নাকি টানেলের মধ্যে রেফারিকে ‘ভয়’ দেখিয়েছেন। এত এত সব ঝঞ্ঝাটের ম্যাচে শক্ত হাতে শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব ছিল যার, সেই রেফারি হোসে হার্নান্দেজও তালগোল পাকিয়েছেন বিতর্কিত সব সিদ্ধান্ত দিয়ে এবং না দিয়ে। তার পরও হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন রিয়াল রক্ষণের চারজনের তিনজনকেই, বাদ যাননি বার্সার শিবিরের মেসি, সুয়ারেজও। রবার্তো তো সরাসরি লাল কার্ডে বহিস্কৃতই হয়েছেন। অথচ, ম্যাচের প্রথম মিনিট ১৫ দেখে এত উত্তেজনার ছায়াই বোঝা যায়নি। স্বাভাবিক আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের ধারায় চলার এক পর্যায়ে সুয়ারেজের সৌজন্যে গোল পেয়ে যায় বার্সা। ম্যাচের তখন দশম মিনিট। মেসির দিকে লক্ষ্য রাখতে গিয়ে সুয়ারেজকে জায়গা দিয়ে ফেলেছিল রিয়াল রক্ষণ। সুযোগ কাজে লাগিয়ে ডান পায়ের ভলিতে বল জালে জড়ান উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার। চার মিনিট পরই গোলটা শোধ দিয়ে ফেলেন রোনালদো। টনি ক্রুসের ক্রস থেকে পাওয়া বল জালে পাঠানোর চেষ্টা না করে হেডে রোনালদোকে দেন বেনজেমা। পায়ের আলতো ছোঁয়ায় রিয়ালের হয়ে সাড়ে চারশ’তম গোলটি করেন পর্তুগিজ তারকা। প্রথমার্ধে গোল হয়েছে এ দুটিই। কিন্তু বড় ঘটনা ঘটে বিরতির বাঁশি বাজার আগমুহূর্তে। মার্সেলোর ধাক্কা খেয়ে তাকে ঘুষি মারতে উদ্যত হন রবার্তো, ফলাফল- লাল কার্ড। বিরতির শেষমুহূর্তে দু’দল মাঠে নামার আগে টানেলে ঝগড়ায় জড়ান দুই স্প্যানিশ সতীর্থ নাচো-পিকে। প্রথমার্ধে খানিকটা চোট পাওয়ায় সতর্কতামূলক রোনালদোকে আর মাঠে নামাননি জিদান। রিয়াল আক্রমণের ধার কমে যাওয়া ওই সময়েই দশজনের বার্সাকে এগিয়ে দেন মেসি। সুয়ারেজের দারুণ এক পাস থেকে বল পেয়ে রিয়াল ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে করেন এল ক্ল্যাসিকোয় নিজের ২৬তম গোলটি।এই গোলের পাস দেওয়ার আগে ভারানেকে স্পষ্ট ফাউল করলেও রেফারির নির্লিপ্ততায় বেঁচে যান সুয়ারেজ। রেফারি নির্লিপ্ত ছিলেন ৭৫তম মিনিটে মার্সেলোর ঘটনাতেও। বার্সা ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হয়ে পড়ে যান মার্সেলো। কিন্তু রেফারি তাতে কর্ণপাত করেননি। ক্ষুব্ধ মার্সেলো রেফারিকে কিছু এক বললে তাকেই উল্টো হলুদ কার্ড দেখিয়ে দেওয়া হয়। এর তিন মিনিট আগে রিয়ালকে সমতায় ফেরান বেল। রোনালদোর বদলি হিসেবে নামা মার্কো অ্যাসেনসিওর বল পেয়ে বাঁকানো শটে আন্দ্রে টের স্টেগানকে পরাস্ত করেন ওয়েলস ফরোয়ার্ড। এই গোলের সুবাদে হার এড়ালেও দশজনের বার্সার বিপক্ষে না জেতার আক্ষেপ ঠিকই রয়ে যাচ্ছে রিয়ালের। আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছে অবশ্য বার্সাও। আরও একবার যে ন্যু ক্যাম্পে ফসকে গেল ক্ল্যাসিকো জয়! কিন্তু দর্শকের চোখে জয়-পরাজয়ের চেয়েও যে বেশি ভাসছে নানান কান্ড-অকান্ড! এল ক্লাসিকো ফুটবল প্রেমীদের কাছে এমন একটি ম্যাচ যার সঙ্গে জুড়ে আছে অনেক ভালোলাগা ও আবেগ। স্প্যানিশ লা লিগার প্রতি মৌসুমের সূচি প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ক্যালেন্ডারে এই ম্যাচের তারিখে গোল দাগ পড়ে যায়। কত অপেক্ষা, আনন্দ ও উত্তেজনা নিয়েই না এই ম্যাচটির জন্য অপেক্ষায় থাকা হয়। কিন্তু এই মৌসুমে নেই যেন এমন কিছুই। এর আগে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর লিগে দু’দলের প্রথম এল ক্লাসিকোতে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ৩-০ গোলে জিতে ফিরেছিল বার্সা। চলতি লিগে বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ উভয় দলের জন্যই এল ক্লাসিকো ৩৫ তম ম্যাচ। সাম্প্রতিক ইতিহাসে এত অর্থহীন এল ক্লাসিকো আর হয়েছে কিনা সন্দেহ! এটি এমন একটি ম্যাচ যেখানে শুধু বলের লড়াইতেই সীমাবদ্ধ থাকে না। এখানে থাকে আভিজাত্যের লড়াই, থাকে অহংয়ের টক্করও। কিন্তু চলতি মৌসুমে সেই ম্যাচই হয়ে গেছে অপ্রাসঙ্গিক বিষয়। কারণ বার্সা এরই মধ্যে লা লিগার শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলেছে। ৩৪ ম্যাচে ৮৬ পয়েন্ট নিয়ে অনেকটাই এগিয়ে থেকে শিরোপা ঘরে তুলেছেন লিওনেল মেসিরা। অপর দিকে জিনেদিন জিদানের দল বার্সা থেকে পিছিয়ে আছে ১৫ পয়েন্টে। একদিকে বার্সেলোনা জিতে গেছে লা লিগার শিরোপা, অপরদিকে রিয়াল উঠে গেছে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে। আপাতত সেদিকেই নজর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোদের। শুধু সমর্থকদেরই নয়, এল ক্লাসিকো গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে খেলোয়াড়দের কাছেও। তবে পুরো ম্যাচে একটা জায়গাতেই নজর থাকবে সবার।
বার্সেলোনা লা লিগা চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এ ম্যাচ খেলতে নামলে রিয়াল মাদ্রিদ তাদের ‘গার্ড অব অনার’ দেবে কি না! যদিও মাদ্রিদের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সে পথে তারা হাটছে না। কিন্তু বার্সেলোনার বাইরেও কথা থেকে যায়। দীর্ঘদিনের দল বার্সেলোনার হয়ে শেষ ম্যাচ খেলতে নামবে তারকা মিডফিল্ডার আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। প্রথম ৩৪ ম্যাচের মধ্যে ২৬টিতে জিতেছে বার্সা; ড্র বাকি আট খেলায়। এখন পর্যন্ত হারেনি এক ম্যাচেও। অপরাজিত থাকার রেকর্ডের অমরত্ব থেকে এখন মাত্র চার ম্যাচ দূরে বার্সেলোনা। এই ম্যাচের আগে ৩২ গোল করে এক কথায় এই লড়াইয়ে রোনালদোর থেকে বেশ এগিয়ে আছেন মেসি। রোনালদো পিছিয়ে আছেন ৮ গোলে। এই ম্যাচে মেসির আরেকটি রেকর্ড হয়েছে। নাটকীয় এক ড্রয়ের মধ্যদিয়ে শেষ হলো মৌসুমের শেষ এল ক্লাসিকো। ২-২ গোলে সমতার ম্যাচে একটি গোল করে যেখানে ভিন্নরকম রেকর্ডের মালিক বনে গেলেন লিওনেল মেসি। লা লিগার ক্লাসিকোতে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’য়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এদিন লুইস সুয়ারেজের গোলে লিড নেয় বার্সেলোনা। তবে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর গোলে সমতা পায় রিয়াল মাদ্রিদ। সেখান থেকে দলকে ফের লিড পাইয়ে দেন মেসি। আর দ্বিতীয়ার্ধের এই গোলেই রেকর্ড গড়েন মেসি। শেষ পর্যন্ত অবশ্য রিয়ালকে সমতায় ফেরান গ্যারেথ বেল। এ নিয়ে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’য়ে লিগের ক্লাসিকো ম্যাচে ৭টি গোল করলেন মেসি। পাঁচবারের ব্যালন ডি অর জয়ী পেছনে ফেললেন ১৯৫৩-৭১ পর্যন্ত রিয়ালে খেলে ক্যাম্প ন্যু’য়ে লা লিগার ক্লাসিকোয় ছয় গোল করা ফ্রান্সিসকো জেন্তোকে।
এদিকে এল ক্লাসিকোতে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মেসির ২৬তম গোল পেলেন। এছাড়া চলমান মৌসুমে লিগে এটা তার ৩৩তম গোল। এবারের এল ক্লাসিকো’য় বিশ্বকাপের ৩২ তারকা খেলোয়াড় অংশগ্রহন করেন! দুটি ক্লাব দলের খেলায় এতগুলো খেলোয়াড় খেলানোর রেকর্ডও এই প্রথম তৈরি হলো। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ৩২ জনই বিভিন্ন দেশের জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এই ৩২ জনেরই নিজ নিজ জাতীয় দলের হয়ে আসন্ন রাশিয়া বিশ্বকাপে যাওয়ার বিষয়টি এক রকম নিশ্চিত। রিয়াল-বার্সা মানেই তারকার ছড়াছড়ি। এই তথ্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে সেটাই। শুধু এই ৩২ জনই নয়। দুই দল মিলিয়ে আরও একজন আছেন, যিনি জাতীয় দলের দরজায় কড়া কাড়া নাড়ছেন। তিনি বার্সেলোনার স্প্যানিশ উইঙ্গার সের্গিও রবার্তো। এই তরুণ উইঙ্গারকে আসন্ন বিশ্বকাপ দলে রাখা না রাখার প্রশ্নে দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যেই পড়ে গেছেন স্পেন কোচ। শেষ পর্যন্ত কোচের মন জয় করে সের্গিও রবার্তোর বিশ্বকাপ ভাগ্য খুলেও যেতে পারে। তার ভাগ্য খুলুন না খুলুক, দুই দলের ৩২ জন ঠিকই মাতাবেন রাশিয়া বিশ্বকাপ। সেই ৩২ জনের মধ্যে ১৭ জন বার্সেলোনার।
বাকি ১৫ জন রিয়াল মাদ্রিদের। বার্সেলোনার ১৭ বিশ্বকাপ তারকার মধ্যে ৪ জন স্পেনের। তারা হলেন-জেরার্ড পিকে, সার্জিও বুসকেটস, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা ও জর্ডি আলবা। এছাড়া ৩ জন ফ্রান্সের (উসমানে ডেম্বেলে, উমতিতি ও দিগনে), দুজন পর্তুগালের (সেমেদো ও আন্দ্রে গোমেজ), জার্মানির একজন (গোলরক্ষক মার্ক-আন্দ্রে তের স্টেগান), ক্রোয়েশিয়ার একজন (ইভান রাকিতিচ), ব্রাজিলের দুজন (ফিলিপে কুতিনহো ও পওলিনহো), আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, কলম্বিয়া ও বেলজিয়ামের একজন করে।
যথাক্রমে লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ, ইয়ারি মিনা ও ভারমিউলেন। রিয়াল মাদ্রিদের ১৫ জনের ৬ জনিই স্পেনের। সার্জিও রামোস, ইসকো, মার্কো এসেনসিও, লুকাস ভাজকুয়েজ, ড্যানি কারবাহাল ও নাচো। এছাড়া ব্রাজিলের দুজন (মার্সেলো ও কাসেমিরো), ক্রোয়েশিয়ার দুজন (লুকা মডরিচ ও কোভাচিচ) এবং পর্তুগাল, ফ্রান্স, কোস্টারিকা ও মরক্কোর একজন করে। তারা হলেন যথাক্রমে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, রাফায়েল ভারানে, গোলরক্ষক কেইলর নাভাস ও আচরাফ হাকিমি। বিশ্বকাপের এই ৩২ তারকার সবাই এল ক্লাসিকোর উত্তেজনার প্রত্যক্ষ স্বাদ পাবেন না। কারণ, দুই দল মিলিয়ে খুব বেশি হলেও এদের ২৮ জন সরাসরি মাঠে খেলার সুযেগা পাবেন। বাকিদের এল ক্লাসিকোর উত্তেজনা গায়ে মাখতে হবে বেঞ্চ গরম করেই। এসব কারণেই এল ক্লাসিকোর গুরুত্ব দিনে দিনে বাড়ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ