ঢাকা, শনিবার 12 May 2018, ২৯ বৈশাখ ১৪২৫, ২৫ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বিশ্ববাজারে দ্রুত বাড়ছে ওয়ালটন পণ্যের চাহিদা

আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশী ব্র্যান্ড ওয়ালটনের কদর। বিদেশী পরিবেশকদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, পণ্যের উচ্চমান নিশ্চিতকরণ এবং দামে সাশ্রয়ী- মূলত এই তিন কারণে বিশ্বব্যাপী বাড়ছে ওয়ালটনের বাজার এবং চাহিদা। তাদের মতে, বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ কথাটি এখন বেশ সম্মানের সঙ্গেই উচ্চারিত হচ্ছে। 

সম্প্রতি গাজীপুরের চন্দ্রায় অনুষ্টিত হয়েছে ওয়ালটনের আন্তর্জাতিক পরিবেশক সম্মেলন। দ্রুত পরিবর্তনশীল ইলেকট্রনিক্স ব্যবসার বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার প্রত্যয় নিয়ে চারদিনের ওই সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন ওয়ালটনের দেশী-বিদেশী ৬ হাজারেরও বেশি পরিবেশক। অন্যদের সঙ্গে সম্মেলনে অংশ নেন নেপাল, ভূটানসহ কয়েকটি দেশের ওয়ালটন পরিবেশক। 

ভুটানে ওয়ালটন পণ্যের পরিবেশক ‘স্টেট ট্রেডিং করপোরেশন অব ভুটান লিমিটেড’ এর কর্মকর্তা সোনাম টবগে বলেন, ভুটানে ওয়ালটন পণ্যের বাজারজাতকরণ শুরু হয়েছে ২০১৪ সালে। শুরুতে ফ্রিজ, টেলিভিশন, এয়ার কন্ডিশনারসহ বিভিন্ন হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সেস ভুটানে বাজারজাত করা হয়। বর্তমানে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন আইসিটি ডিভাইসও ভুটানে বাজারজাত করা হচ্ছে। 

তিনি জানান, ভুটানের ক্রেতাদের কাছে অতি অল্প সময়েই ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ওয়ালটন পণ্য ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এক্ষেত্রে প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে ওয়ালটনের প্রতিযোগীতামূলক বাজার সক্ষমতা। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, বাজারে কোনো ব্র্যান্ডের পণ্য কতটা প্রতিযোগী সক্ষম তা নির্ভর করে কয়েকটি মৌলিক বিষয়ের উপর। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে পণ্য তৈরি; উচ্চ গুণগতমান ও টেকসই, মূল্য সাশ্রয়ী এবং রুচিশীল ডিজাইন। এসব বিবেচনায় ভুটানের বাজারে অন্যান্য যেকোনো ব্র্যান্ডের চেয়ে ওয়ালটন এগিয়ে।  ফলে, ভুটানের বাজারে প্রতিবছর ২০ থেকে ২৫ শতাংশহারে বাড়ছে ওয়ালটন পণ্যের চাহিদা। 

নেপালে ওয়ালটন পণ্যের পরিবেশক ‘রিডা ইনকরপোরেট লিমিটেড’ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুক্তার আল আনসারি বলেছেন, সেদিন আর দেরি নেই, যেদিন নেপালিদের কাছে ওয়ালটনই হবে সেরা পণ্য। তার মতে, ওয়ালটন যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে খুব শিগগীরই ওয়ালটন বললে বাংলাদেশকে চিনবে সারা বিশ্ব । ২০১৩ সালে তারা নেপালে ওয়ালটন পণ্য বাজারজাত শুরু করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই ওয়ালটন পণ্য ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বর্তমানে দুই শতাধিক সাব-ডিলারের মাধ্যমে নেপালের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে যাচ্ছে বাংলাদেশে তৈরি ওয়ালটন পণ্য। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ