ঢাকা, রোববার 13 May 2018, ৩০ বৈশাখ ১৪২৫, ২৬ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শেষ মুহুর্তের গণসংযোগে মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু

খুলনা অফিস : কেসিসির নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ও ২০ দলীয় জোট সমর্থিত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু শনিবার সকালে নগরীর মিয়াপাড়া, মৌলভী পাড়া, দোলখোলা, টি বি বাউন্ডারী রোড, টুটপাড়া ও সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক ও সর্বাত্মক গণসংযোগ করেন। তিনি জনগনের দুয়ারে দুয়ারে যান এবং হাতে লিফলেট তুলে দিয়ে ভোট প্রার্থণা করেন। এ সময় তার সাথে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ প্রচার সম্পাদক সম্পাদক কৃষিবীদ শামীমুর রহমান শামীম, জেপির সভাপতি মোস্তফা কামাল, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজউদ্দিন সেন্টু, মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আক্তার জাহান রুকু, খেলাফত মজলিসের জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট শাহ আলম, বিএনপি নেতা মোল্লা আবুল কাশেম, এডভোকেট বজলুর রহমান, সিরাজুল ইসলাম, ফখরুল আলম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, শফিকুল আলম তুহিন, এডভোকেট মশিউর রহমান নান্নু, ইউসুফ হারুন মজনু, কে এম হুমায়ুন কবির, রবিউল ইসলাম রবি, শামসুজ্জামান চঞ্চল, হাসান মেহেদী রিজভী, মাজেদা খাতুন, কামরান হাসান, শরিফুল ইসলাম বাবু, এডভোকেট শাহীন বাবু, শেখ আব্দুল জব্বার, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, মাওলানা নুর আলম, জাকারিয়া লিটন, মিজানুর রহমান ডিকেন, লায়ন ওমর ফারুক, খান সাইফুল ইসলাম, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, মুশফিকুর রহমান অভি প্রমুখ। এখানে গণসংযোগ শেষ করে নজরুল ইসলাম মঞ্জু দৌলতপুর পাইকারি কাঁচা মালের আড়ৎ ও জুট প্রেস এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন। প্রিয় প্রতীতের প্রার্থীকে কাছে পেয়ে শ্রমিকরা কাজ ফেলে ছুটে আসেন এবং তাকে আলিঙ্গন করেন। নজরুল ইসলাম মঞ্জুও পাট গোডাউন শ্রমিকদের বুকে টেনে নেন এবং তাদের কাছে দোয়া চান। এ সময় তার সাথে কৃষিবীদ শামীমুর রহমান শামীম, জেপি সভাপতি মোস্তফা কামাল, বিজেপির সিরাজউদ্দিন সেন্টু, জামায়াতের এডভোকেট শাহ আলম, বিএনপি নেতা শেখ মোশারফ হোসেন, এডভোকেট বজলুর রহমান, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, ফখরুল আলম, সিরাজুল হক নান্নু, সাইফুর রহমান মিন্টু, আব্দুর রকিব মল্লিক, শরীফ মোজাম্মেল হোসেন, অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, লিয়াকত হোসেন লাভলু, মুর্শিদ কামাল, শেখ ইমাম হোসেন, শরীফুল আনাম, আনসার আলী, মুজিবর রহমান, হাফিজুর রহমান পিন্টু, শেখ আব্দুল গফুর প্রমুখ। জুট প্রেস এলাকায় গণসংযোগের সময় মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মজিবর রহমান ও জেলা শ্রমিক দল সভাপতি উজ্জল কুমার সাহার নেতৃত্বে শ্রমিক দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত হন। তারা হলেন খান ইসমাইল হোসেন, আযম সরোয়ার, আরব আলী সরদার, আবু হানিফ, সিদ্দিকুর রহমান সিকো, সেলিম মোল্লা, বারেক হাওলাদার, মিজানুর রহমান, এনায়েত হোসেন, ইসমাইল শিকারী, খলিলুর রহমান, কামাল, নাসির, শামীম প্রমুখ। দুপুর ১২ টায় তিনি ১৭ নং ওয়ার্ডের খা পাড়ায় গণসংযোগ করেন। এ সময় স্থানীয় নেতাদের মধ্যে এস এম শাহজাহান, ফারুক হোসেন, কাজী নজরুল ইসলাম, মেহেদী হাসান সোহাগ, তারিকুল ইসলাম বাকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 
হেরাজ মার্কেটে মজসিদে জোহরের নামাজ আদায় শেষে তিনি হেরাজ মার্কেট ও সংলগ্ন সকল ওষুধের দোকানের ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ক্রেতাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এদিকে নগরীর ২৪ নং ওয়ার্ড মুসলমানপাড়া আব্দুল গণি বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তা দখল করে নৌকা মার্কার বিশাল প্যান্ডেল তৈরি  ও মাইকিং করে জনগনের চলাচলে প্রতিবদ্ধকতা তৈরি করছে। রাস্তা দখল করে নির্বাচনী প্রচারণা আচরনিবিধি লংঘন এবং আইন বিরুদ্ধ। এর বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা।

সব ধরনের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত
করার অঙ্গিকার করলেন মেয়র প্রার্থী তালুকদার খালেক
খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত ও ১৪ দল সমর্থিত মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, খুলনা সিটি কর্পোরেশন অনেক এলাকার মানুষ এখনো পরিপূর্ণ নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ওই সব এলাকার অধিবাসীরা সব ধরণের সেবা ঠিকমত পাচ্ছে না। এসব এলাকার মানুষের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য।
তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। এবারের সিটি নৌকা প্রতীক বিজয়ী হলে খুলনা সিটির দরিদ্র মানুষের জন্য সিডিসি’র পাশাপাশি নতুন প্রকল্প নেওয়া হবে। দরিদ্র বস্তিবাসীদের স্যানিটেশন ব্যবস্থা, ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ সব ধরনের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী বলেন, আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী। একটি দল নির্বাচন এলেই কথার ফুলঝুড়ি দিয়ে জনগণের সাথে প্রতারণা করে। তারা দীর্ঘদিন মেয়র পদে থেকেও খুলনার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করেনি। তাদের সময়ে কেসিসিতে অস্থায়ী চাকরী পেতে হলেও ব্যাপক হারে দিতে হয়েছে ঘুষ। তিনি বলেন, ঘুষ, দুর্নীতিমুক্ত কেসিসি গড়া এবং সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা আমরা লক্ষ্য। এজন্য তিনি ১৫ মে’র নির্বাচনে নৌকা প্রতীককে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার জন্য নগরবাসীর প্রত আহ্বান জানান।
আজ শনিবার নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। সকাল ৮টায় তিনি নগরীর মতিয়াখালী ব্রীজ থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। এরপর শিপইয়ার্ড, মতিয়াখালী মৌজা, মোল্লা বাড়ি, লবণচরা, জিন্নাহপাড়া, হঠাৎ বাজার, বান্ধা বাজার, বোখারী পাড়া, মোক্তার হোসেন রোড সংলগ্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সাথে সালাম ও কুশল বিনিময় করেন। এসময় এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে তিনি নির্মাণাধীন ইসলামপাড়া মেইন রোড রবিবারের মধ্যে চলাচলের উপযোগী করে দিতে ঠিকাদারকে নির্দেশ প্রদান করেন।
গণসংযোগকালে মেয়র প্রার্থীর সাথে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, জাসদ খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি ও ১৪ দল নেতা রফিকুল হক খোকন, সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াউল ইসলাম মন্টু, ৩১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ মো. ফারুক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাহেবুর রহমান পিটু মোল্লা, সাবেক সভাপতি রফিকুল আলম, কাউন্সিলর প্রার্থী ও নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, আওয়ামী লীগ নেতা হেমায়েত উদ্দিন, খান মো. কবির হোসেন, হিটু, জালাল আহমেদ, মোশারেফ হোসেন, আকরাম হোসেন, আজিজুল বারী বাহার, শেখ আরিদুল্লাহ, আ. বারেক, যুবলীগ নেতা আরিফ হোসেন, আসাদুজ্জামান শাহীন প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ