ঢাকা, রোববার 13 May 2018, ৩০ বৈশাখ ১৪২৫, ২৬ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শাহজাদপুরে সড়ক-সেতুর সংস্কার নেই যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি

শাহজাদপুরে (সিরাজগঞ্জ) : পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে বৃষ্টির পানিতে কাদা জমে এভাবেই চলছে রিকশা-ভ্যান

এম,এ, জাফর লিটন, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) থেকে : শাহজাদপুরে সড়ক-সেতুর সংস্কার না করায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
গত বন্যায় শাহজাদপুর পৌর এলাকাসহ ১৩টি ইউনিয়নের রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট  ধসে পরেছে। কাচা পাকা অসংখ্য সড়কের পাড় ভেঙ্গে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রিক্সা,ভ্যান চলাচল তো দূরের কথা পায়ে হেটে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে। উপজেলা শহরের সাথে সংযোগকারী অসংখ্য সড়কের উপর দিয়ে বন্যার স্রোত বয়ে যাওয়ায় মাটি সরে খাল খন্দায় পরিণত হয়েছে। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার ৮ মাস পেড়িয়ে গেলেও এসব সড়ক সংস্কারের কোন উদ্দ্যোগ নেয়া হচ্ছেনা।  ফলে জনদূর্ভোগের যেন শেষ নেই। শাহজাদপুর-জামিরতা, রানীকোলা-পোরজনা, গোপালপুর-পাঁচিল, বেতকান্দী-মালতিডাঙ্গা, মশিপুর-কায়েমপুর, ব্রজবালা তালগাছী, পাড়কোলা-নরিনা শাহজাদপুর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড বাড়াবিল, কায়েমপুর ইউনিয়নের খারুয়াজংলা-আঙ্গারু রোড,  গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কগুলি এখনও যানবহন চলাচল উপযোগী করা হয়নি। 
বিধায় পথচারীদের চরম ভোগান্তী পোহাতে হচ্ছে। সেই সাথে মালামাল আনা নেয়ায় বিঘ্ন ঘটছে। কবে নাগাদ এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো সংস্কার করা হবে তা নিয়ে সংশয়ও রয়েছে। পাকা সড়কগুলির পিচ ও ঢালাই উঠে শত শত গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তে আটকে পড়ছে যানবহন। ফলে ঠেলে ঠেলে যানবহন পাড় করতে হচ্ছে। জরুরী ভিত্তিতে অসুস্থ্য রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া সম্ভব হচ্ছেনা। ফলে ঝুঁকিপূর্ণভাবেই চলছে যানবহন ও রিক্সা-ভ্যান। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, ৪০দিনের কর্মসূচী দিয়ে ছোট ছোট সংযোগ সড়ক সংস্কার করা হবে। তবে এলজিআরডি পাকা সড়কগুলো কবে কখন সংস্কার করা হবে তা অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ