ঢাকা, রোববার 13 May 2018, ৩০ বৈশাখ ১৪২৫, ২৬ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আক্কেলপুরে বৈদ্যুতিক মিটার চুরি ॥ প্রশাসন নীরব

নিশাত আনজুমান. আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) ঃ জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার কয়েক বছর ধরে একাধিক সংঘবদ্ধ চক্র বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে টাকা আদায় করছে।এভাবে চুরির ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে চোর চক্রের সদস্যদের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছে। পুলিশকে সে নম্বর দেওয়া হলেও চক্রের কেউ ধরা পড়ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েই মিটার ফেরত নিচ্ছেন গ্রাহকেরা।
উপজেলার একাধিক ভুক্তভোগীদের অভিযোগ,তারা এসব চক্রের মুঠোফোন ও আর্থিক লেনদেনের বিকাশ নম্বর পুলিশকে দেওয়ার পরও তা নিয়ে কাজ করছেনা পুলিশ।উল্টো এসব ঘটনায় মামলা না নিয়ে সাধারণ ডায়েরি(জিডি) করতে ভুক্তভোগীদের উৎসাহ দিচ্ছে পুলিশ। তাদের অভিযোগ ,পুলিশের গাফলতিতেই এসব চক্রের কেউ গ্রেপ্তার হচ্ছে না। ফলে বন্ধ হচ্ছে না মিটার চুরি। আর দিনের পর দিন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, গভীর-অগভীর নলকূপমালিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত তিন চার বছরে উপজেলার তিন শতাধিক তিন ফেজের বৈদ্যুতিক মিটার চুরি হয়েছে। চুরির প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পক্ষ থেকে এলাকায় একাধিকবার মাইকিং করে লোহার খাঁচায় মিটার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরে গত চার মাসে ৩০ টিরও বেশী মিটার চুরি হয়েছে। সর্বশেষ গত ১৯ এপ্রিল রাতে পৌর শহরের পশ্চিম হাস্তবসন্তপুর মহল্লার মাহমুদ হাসান ও সোনামুখীর আবদুল কাদেরের চাল কলের দুটি এবং পালপাড়া  মাঠের বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্র্তৃপক্ষের গভীর নলকূপের মিটার চুরি হয়। এর মধ্যে খোঁজাখুঁজি করে গভীর নলকূপের মিটারটি পাওয়া গেছে।
চুরি যাওয়া তিনটি মিটারের স্থানে কাগজের টুকরায় একই মুঠোফোন নম্বর লিখে দিয়ে যায় চোরেরা। মালিকেরা ওই নম্বরে যোগাযোগ করলে তাদের কাছ থেকে প্রথমে ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়।  পরে চোরের নেতা একটু টাকা কম নিতে চায়। এসব নম্বর আক্কেলপুর থানা পুলিশকে দেওয়া হলে তারা কোন তৎপরতা চালায় না বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো: সিরাজুল ইসলাম বলেন, বৈদ্যুতিক মিটার চোরদের ধরতে তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ