ঢাকা, রোববার 13 May 2018, ৩০ বৈশাখ ১৪২৫, ২৬ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

মণিরামপুরের বিঘা প্রতি ৪৮ মণ ধান ফলিয়ে রেকর্ড

নিছার উদ্দীন খান আযম, মণিরামপুর (যশোর) : মণিরামপুর উপজেলার সাতগাতি গ্রামের ফেরদৌস মিটুল ফিলিপাইনের সুপার হাইব্রিড ধান চাষ করে বিঘা প্রতি ৪৮মণ ধান ফলিয়ে এতদাঞ্চলের রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। এ সাফল্যের কারণে দেশের ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের অনেক কৃষি বিজ্ঞানী তাঁর ধান ক্ষেত পরিদর্শন করেছেন।
কৃষি মন্ত্রণালয় মিটুলকে ফিলিপাইনে পাঠিয়ে উন্নত ধান চাষের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। এরপর দেশে ফিরে তিনি সুপার হাইব্রিড ধান চাষের ভিলেজ ও টাউন গড়ে তোলেন।
উচ্চ মাধ্যমিক পাস মিটুল গরীব ঘরের সন্তান। তাঁর মাত্র ১০শতক ধানের জমি রয়েছে। ২০০৮-২০০৯ বোরো মৌসুমে তিনি প্রথমে নিজের ১০শতকের সাথে লীজ নিয়ে মোট ৭০শতক জমিতে এক নিকট আত্মীয়ের মাধ্যমে ফিলিপাইনের এসএল-৮এইচ সুপার হাইব্রিড জাতের ধান চাষ করেন। ওই বার তিনি ফলন পান হেক্টর প্রতি ১০ দশমিক ৬৯ মে.টন। এ সময় তাঁর জমিতে ক্রপকাটিং করেন তৎকালিন কৃষি সচিব সি কিউ কে মোস্তাক। এ সাফল্য দেখে ২০০৯ সালের জুলাই মাসের স্থানীয় সংসদ সদস্য (প্রয়াত) খাঁন টিপু সুলতানের সহযোগিতায় কৃষি মন্ত্রণালয় মিটুলকে ফিলিপাইনে ধান চাষ প্রশিক্ষণের জন্য পাঠায়। ফিলিপাইনের এসএল এগ্রিটেক করপোরেশনের চেয়ারম্যান ড. হেনরি লিম সুপার হাইব্রিড ধান চাষের প্রশিক্ষণ ও কলা-কৌশল সম্পর্কে বিশদ ধারনা দেন।
দেশে ফিরে মিটুল নতুন উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে ২০০৯-২০১০ বোরো মৌসুমে হেক্টর প্রতি ১০ দশমিক ৯২ মে.টন ফলন পান। ২০১০-২০১১ বোরো মৌসুমে হেক্টর প্রতি ১২ মে.টন অর্থ্যাৎ বিঘা প্রতি ৪০ মণ ধান ফলিয়ে রেকর্ড সৃষ্টি করেন। এ কারণে সেবার বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান ড. নাজমুল ইসলাম, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বিশেষজ্ঞ ড. জেড করিমসহ কৃষি বিজ্ঞানী ও কৃষি কর্মকর্তারা তাঁর ধান ক্ষেত পরিদর্শন করেন। চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল আমিন একাডেমী স্কুল এ- কলেজ এসএসসি পরীক্ষার ২০১৮ ফলাফলে জিপিএ-৫ দিক থেকে জেলায় শীর্ষ স্থান অর্জনকারী উচ্ছ্বাসিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ