ঢাকা, বৃহস্পতিবার 17 May 2018, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ৩০ শাবান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চট্টগ্রামে ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উদযাপিত

চট্টগ্রামে ফারাক্কা লংমার্চ দিবসে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, আলোচক ও সভাপতিকে মঞ্চে দেখাযাচ্ছে

১৯৭৬ সালের ১৬ মে মওলানা ভাসানী ভারতের দেয়া ফারাক্কা বাধের প্রতিবাদে রাজশাহী মাদরাসা ময়দান থেকৈ ভারত সীমান্তের অদূরে কনসার্ট পর্যন্ত লংমার্চ করেছিলন। ১৯৮০ সাল পর্যন্ত লংমার্চ স্মরণে চট্টগ্রামে ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উদ্যাপিত হয়। মওলানা ভাসানীর অনুসারীরা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, ডিএল, ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টি সহ বিভিন্ন দলে সম্পৃক্ত হওয়ায় এই দিবস চট্টগ্রামে আর উদ্যাপিত হয়নি। মাওলানা ভাসানী অনুসারী পরিষদ চট্টগ্রাম শাখা ৩৮ বছর পর চট্টগ্রামে ফারাক্কা লংমার্চ উদ্যাপন করলেন।

ঐতিহাসিক ‘ফারাক্কা লংমার্চ দিবস’ উপলক্ষে ভাসানী অনুসারী পরিষদ, চট্টগ্রাম শাখার উদ্যোগে ১৪ মে সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক সদস্য, চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক এডভোকেট কবীর চৌধুরী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান ডা. জাফর উল্লাহ চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দার। বিশেষ বক্তা ছিলেন ভাসানী অনুসারী পরিষদ কেন্দ্রীয় মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু। বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়ার্ল্ড এসোসিয়েশন অব প্রেস কাউন্সিলস্ নির্বাহী পরিষদের সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা-সাংবাদিক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ড. হাসান মোহাম্মদ। ভাসানী অনুসারী পরিষদ চট্টগ্রাম শাখার সদস্য সচিব মোজাম্মেল হকের সঞ্চালনায় অনুুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মোহাম্মদ ইলিয়াস, এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জেলা জাসদ সভাপতি বেলায়েত হোসেন, শ্রমিক নেতা আবদুস সাত্তার প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ