ঢাকা, মঙ্গলবার 21 August 2018, ৬ ভাদ্র ১৪২৫, ৯ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ঢাকায় দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সংগ্রাম অনলাইন : রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে গঠিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের (জেডব্লিউজি) দ্বিতীয় বৈঠক শুরু হয়েছে। বৈঠকে রোহিঙ্গাদের যাচাই ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে মিয়ানমারকে তাগিদ দেবে বাংলাদেশ। 

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় বেলা ১১টায় শুরু হওয়া এ বৈঠক দুপুর পর্যন্ত চলবে।  বৈঠকে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক ও মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব মিন্ট থো নিজ নিজ পক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দুই পক্ষে ১৫ জন করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন। 

এর আগে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধানে গঠিত জেডব্লিউজি গত ১৫ জানুয়ারি মিয়ানমারে প্রথম বৈঠক করে।

রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমি রাখাইন রাজ্যে ফেরত পাঠানোর প্রথম ধাপ হিসেবে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের কাছে ১ হাজার ৬৭৩ রোহিঙ্গা পরিবারের (৮ হাজার ৩২ ব্যক্তি) তালিকা হস্তান্তর করে বাংলাদেশ। কিন্তু মিয়ানমার এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে ৯০০ জনের কম রোহিঙ্গাকে যাচাই করেছে।

এ অবস্থায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে কার্যত কোনো অগ্রগতি না থাকায় দ্রুত প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য বৃহস্পতিবারে বৈঠকে বসেছে দুই পক্ষ। 

বৈঠকে প্রত্যাবাসন সম্পর্কিত সব ইস্যুগুলো তুলে ধরা হবে বলে ইউএনবিকে জানিয়েছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) আবুল কালাম।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মাঝে চুক্তি সই হয়। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমিতে ফেরত নেয়ার ব্যবস্থা করতে চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি দুই দেশের মধ্যে মাঠপর্যায়ের চুক্তি ‘ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ সই হয়। এ চুক্তি অনুযায়ী, প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার দুই বছরের মধ্যে তা সমাপ্ত হবে।

বাংলাদেশে বর্তমানে যত রোহিঙ্গা নাগরিক আশ্রয় নিয়েছেন তা ভুটানের মোট জনসংখ্যার চেয়েও অনেক বেশি। ভুটানের জনসংখ্যা প্রায় আট লাখ। অন্যদিকে বাংলাদেশ প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। সূত্র: ইউএনবি। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ