ঢাকা, শুক্রবার 18 May 2018, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ১ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াত আমীরের বিবৃতি

চট্টগ্রাম ব্যুরো: রহমত, বরকত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে রমজানের পবিত্রতা রক্ষায়, দিনের বেলায় হোটেল রেস্তোঁরা বন্ধ এবং অশ্লীলতা-বেহায়াপনা বন্ধ ও কুরআন পড়ুন, কুরআন বুঝুন, আল কুরআনের সমাজ গড়ুন কুরআনের এই চেতনায় তাকওয়ার প্রেরণায় মাহে রমজানের সাধনা হোক দেশবাসীর প্রতি এই আহবান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান এক বিবৃতি প্রদান করেন।

বিবৃতিতে জামায়াত নেতা মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, মাহে রমজানের রোজা মুসলমানদের  উপর একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। আত্মসংযম, আত্মশুদ্ধি ও আত্মগঠনের মাস মাহে রমজান। 

রমজান মাস তো সেই মাস যেই মাসে নাজিল হয়েছিল আল-কুরআন, মানুষের পথ নির্দেশনা হিসাবে“ মানুষের সামগ্রিক জীবনের নির্দেশনার এবং কল্যাণ অকল্যাণের মানদন্ড সমৃদ্ধ এই কোরআন নাজিলের মাধ্যমে মহিমান্বিত করা হয়েছে এই মাসকে। যখন রমজান মাস আসে তখন জান্নাতের সকল দরজা খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের সকল দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়।

বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, রমজান মাস তাকওয়া অর্জনের মাস। তাকওয়া হচ্ছে এমন এক শক্তি যার দ্বারা খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকা যায়, সত্য ও ন্যায়ের পথে টিকে থাকা যায়। 

মাহে রমজান হল ধৈর্য্যরে এক অনুপম ট্রেনিং সেন্টার। আবার এ মাসেই রয়েছে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম একটি অতি মহিমান্বিত রাত বা লাইলাতুল ক্বদর। ইসলাম বিজয়ের এ মাসে ইসলামের সোনালী অতীতকে স্মরণে এনে আধ্যাত্মিক, নৈতিক, আমলী ও জ্ঞানের শক্তিতে বলিয়ান হয়ে দ্বীন কায়েমে প্রেরণায় উজ্জীবিত হতে হবে। আল্লাহ প্রদত্ত তারবিয়াতের মাস এ মাহে রমজানের মাস।

বিবৃতিতে জামায়াত নেতা আরো বলেন, বর্তমানে দেশে অস্থিরতা, হতাশা, উদ্বেগ, উৎকন্ঠা, নৈরাজ্য, নিরাপত্তাহীনতা, অর্থনৈতিক দুর্ভোগ এবং নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক শান্তি ও স্থিতি কেড়ে নিচ্ছে। সরকার আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে খুন,গুম, জুলুম, নির্যাতন চালিয়ে বিরোধী মতকে দমন পীড়ন চালাচ্ছে। এ অবস্থায় আমাদেরকে ইসলামের সুমহান আদর্শকে মজবুতভাবে আঁকড়ে ধরে ধৈর্য ও সহনশীলতার সাথে এগিয়ে যেতে হবে।

জামায়াত নেতা বলেন, আসুন আমরা মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং অশ্লীলতা-বেহায়াপনা বন্ধ এবং দিনের বেলায় হোটেল রে¯েঁÍারা বন্ধ এবং একটি কল্যাণময় সুখী সমৃদ্ধশালী সমাজ গঠনের লক্ষ্যে তথা কুরআনের সমাজ গঠনের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ