ঢাকা, শুক্রবার 18 May 2018, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ১ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কবিতা

 

কালবৈশাখী 

হোসেন মোতালেব

 

বোশেখ এলে ভ্যাপসা গরম

ঘাম ঝরে দরদর

হঠাৎ আবার কালবৈশাখী

ডাল ভাঙে মড়মড় । 

                                              

দেশটা যেন তপ্ত তাওয়া

সব খানে বয় গরম হাওয়া

হেঁটে কোথাও যায়না যাওয়া

প্রাণ করে আনচান,

পাখ পাখালি গাছের শাখে

লুকিয়ে থাকে পাতার ফাঁকে

বিষাদ সুরে বেজায় ডাকে

ওষ্ঠাগত প্রাণ ।

 

দাবদাহে আজ রুক্ষ ধরা

তৃণ-লতা বৃক্ষ মরা

হয়না মোটেও ক্লান্তি হরা

তপ্ত বায়ু বয়,

পূর্ব আকাশ হঠাৎ কাল

প্রবল ঝড়ে ভাংল ডাল

উড়ছে বেজায় ধুলাবালু

কালবৈশাখী বয় ।

 

 

 

দুষ্টপরী

পলক রায়

 

খুকুমণি দুষ্টপরী

লাল, নীল জামা পরে

খুকুমণি রাঙাস্বপ্নে

আকাশেতে উড়ে।

 

খুকুমণি ঘুমের ঘোরে

করে লাফালাফি

চুপিচুপি মায়ের বুকে

করে দাপাদাপি।

 

খুকুমণি রংতুলিতে

আঁকে বাঁকা চাঁদ

খুকুমণি পড়ালেখায়

অনেক বাজিমাত।

 

এলো রমযান

রুহুল আমিন রাকিব

 

রমযান এলো আবার ফিরে

এসো রাখি রোযা,

নামায পড়ি প্রভুর কাছে

কমাই পাপের বোঝা।

 

নয়তো হেলা ডুববে বেলা

আসবে আঁধার নেমে,

তখন সময় আর পাবে না

জীবন যাবে থেমে। 

 

থাকতে সময় সওদা করো

খোদার হুকুম মানো,

কার-যে কখন ডাক আসিবে

কেউ কি তাহা জানো?

 

এসো সবাই নামাজ পড়ি

আযান যখন হবে,

অযু করে সেজদা করি

খুশি হয়ে রবে।

 

 

মনকে করো

হামিদ হোছাইন মাহদী

মনকে করো বিশুদ্ধতর

পানির মতোই,

মনকে করো সুরভিত

ফুলের মতোই।

 

মনকে করো অনেক বড়

বটের মতোই, 

মনকে করো মুক্ত সদা

পাখির মতোই।

 

মনকে করো জ্যোৎস্নাময়ী 

শশীর মতোই,

মনকে করো আলোকময়ী

রবির মতোই। 

 

মনকে করো প্রবাহমান

নদীর মতোই,

মনকে করো চকচকে ওই

সোনার মতোই।

 

মনকে করো সুললিত 

গানের মতোই,

মনকে করো নিজের মতো

আমার মতোই।

 

চাওয়া পাওয়া

শরীফ সাথী

 

লিচু তরমুজ, জাম কদবেল

কুল পেয়ারা, আম নারকেল

শহর গাঁয়ের হাট বাজারে

কমবেশী দর হোক হাজারে 

অনায়াসে পাওয়া যায়,

গ্রীষ্মকালে হরেক রকম 

সুস্বাদু ফল খাওয়া যায়।

 

ভয় শুধু কয় মনে আমার

কখন জানি ক্ষণে আবার

বজ্র-বৃষ্টি হাওয়া যায়,

ঝড়ে ফসল বৃক্ষ বাড়ি

তছনছে রূপ সীমা ছাড়ি

 

নিরাশ করে চাওয়া যায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ