ঢাকা, শুক্রবার 18 May 2018, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ১ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

৩০ সাধারণ ওয়ার্ডে ও সংরক্ষিত ৮টিতে ৭৪ কাউন্সিলর প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত!

খুলনা অফিস : সদ্য সমাপ্ত খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৭৪ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এর মধ্যে নগরীর সাধারণ ৩০টি ওয়ার্ডে ৬৮ এবং সংরক্ষিত ৮টি আসনে ৬ প্রার্থী রয়েছেন। নির্বাচনে আট ভাগের এক ভাগ ভোটের কম পাওয়ায় এসব প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। কেসিসি নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীদের বেসরকারি প্রাথমিক ফলাফল শীটের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এতে আ্ওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন ও সিপিবি সমর্থিত প্রার্থীরাও রয়েছেন। জামানত হারানো কাউন্সিলর প্রার্থীদের অভিযোগ, এবারের নির্বাচনে যেভাবে ভোট ডাকাতি হয়েছে, তাতে জামানত থাকা না থাকার কিছু আসে যায় না। তারা বলেন, কোন কেন্দ্রে আমাদের এজেন্ট থাকতে দেয়া হয়নি। 

উল্লেখ্য, নির্বাচনী অনিয়মের কারণে তিনটি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত থাকায় ৩১নং ওয়ার্ডে সাধারণে এবং ৯ ও ১০নং সংরক্ষিতে কাউন্সিলর প্রার্থীদের ফলাফল ঘোষণা হয়নি। এবারের নির্বাচনে নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে সাধারণ ১৪৮ জন এবং ১০টি সংরক্ষিতে ৩৯ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।  

কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. ইউনুচ আলী বলেন, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন-২০১০) এর বিধি ৪৪/৩ ধারায় যদি কোন প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। একই সাথে এই জামানতের টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে। 

জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার প্রার্থীরা হলেন- ১নং ওয়ার্ডে মো. জাহাঙ্গীর লস্কর (ইসলামী আন্দোলন), মো. মহিউদ্দিন (বিএনপি), মো. শাহাজাহান সিরাজ (স্বতন্ত্র) ও রোজিনা বেগম রাজিয়া (স্বতন্ত্র), ২নং ওয়ার্ডে মো. আ. রহমান মোল্লা (সিপিবি) , মো. শাকিল আহমেদ (আ্ওয়ামী লীগ) ও বজলুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন), ৩ নং ওয়ার্ডে মো. শাহা আলম মীর (ইসলামী আন্দোলন) ও ডা. সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া (জামায়াত), ৪নং ওয়ার্ডে মো. আফজাল হোসেন, মো. আবু আসালাত মোড়ল (জাপা), মো. ইকবাল গাজী (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) ও মো. জাহাঙ্গীর আলম (ইসলামী আন্দোলন), ৫নং ওয়ার্ডে এস এম হুমায়ুন কবির (বর্তমান কাউন্সিলর), মো. নাজমুল সিকদার (ইসলামী আন্দোলন) ও মো. হারুন অর রশিদ (আওয়ামী লীগ), ৬নং ওয়ার্ডে শাহ মো. ওয়াজেদ আলী মজনু (আ্ওয়ামী লীগ), মো. শামসুল আলম মিল্টন (স্বতন্ত্র) ও মো. তরিকুল ইসলাম কাবির (ইসলামী আন্দোলন), ৭নং ওয়ার্ডের মিজানুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন), ৮নং ওয়ার্ডের সামসুল আলম (ইসলামী আন্দোলন), ৯নং ওয়ার্ডে শেখ শওকত আলী (ইসলামী আন্দোলন), ১০নং ওয়ার্ডের এএসএম সায়েম মিয়া (আওয়ামী লীগ), মো. জামাল (ইসলামী আন্দোলন) ও শেখ খায়রুজ্জামান (বিএনপি বিদ্রোহী), ১১নং ওয়ার্ডের কাজী নেয়ামুল হক মিঠু (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) ও মো. মোস্তফা হাওলাদার (ইসলামী আন্দোলন), ১২নং ওয়ার্ডের এইচ এম আবু সালেক (বিএনপি), মো. আজমল হোসেন (ইসলামী আন্দোলন) ও মো. শাহাবুদ্দীন (স্বতন্ত্র), ১৩নং ওয়ার্ডের মো. ইমতিয়াজ আলম (বিএনপি) ও শেখ মোছাদ্দেক হোসেন বাবুল (বিএনপি বিদ্রোহী), ১৪নং ওয়ার্ডের মোল্লা রিজাউল ইসলাম (স্বতন্ত্র), মো. মনিরুল ইসলাম (আ্ওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), শেখ গোলাম কিবরিয়া (স্বতন্ত্র), শেখ মশিউর রহমান (স্বতন্ত্র) ও শেখ লুতফার রহমান (ইসলামী আন্দোলন), ১৫নং ওয়ার্ডের এসএম আব্দুর রহমান (বিএনপি) ও জিএম কিবরিয়া (ইসলামী আন্দোলন), ১৬নং ওয়ার্ডের আতিকুর রহমান বিশ্বাস রুবেল (স্বতন্ত্র), মল্লিক আসাদুজ্জামান (জাপা) ও শেখ মারুফ হোসেন (ইসলামী আন্দোলন), ১৮ নং ওয়ার্ডের টিএম আরিফ (আওয়ামী লীগ), মো. মুকুল শেখ (ইসলামী আন্দোলন), রুস্তুম আলী হাওলাদার (সিপিবি)ও শেখ মো. আমিনুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), ১৯নং ওয়ার্ডের মো. ফজলুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন), মো. মনিরুল ইসলাম (জামায়াত) ও শেখ মনিরুজ্জামান মনির (স্বতন্ত্র), ২০নং ওয়ার্ডের মো. শাহজাহান (ইসলামী আন্দোলন), ২১নং ওয়ার্ডের এস এম শামিমুর আলম (ইসলামী আন্দোলন), মো. মনিরুল ইসলাম (জাপা), মো. ইলিয়াস হোসেন (স্বতন্ত্র) ও মো. নুর ইসলাম শেখ (স্বতন্ত্র), ২৩নং ওয়ার্ডের জুনায়েদ চৌধুরী (স্বতন্ত্র), মো. আবু তাহের (ইসলামী আন্দোলন) ও মো. ছাব্বির হোসেন (বিএনপি), ২৪নং ওয়ার্ডের এস এম খায়রুল বাশার (বিএনপি বিদ্রোহী), মো. আসাদুজ্জামান আসাদ (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), শেখ মো. নাছির উদ্দিন (ইসলামী আন্দোলন) ও সাইদুর রহমান বাবু (সিপিবি), ২৫নং ওয়ার্ডের মো. ইমরান হোসেন মিয়া (ইসলামী আন্দোলন) ও শেখ শহীদ আলী (আ্ওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), ২৬নং ওয়ার্ডের এসএম মনিরুল ইসলাম (বিএনপি), মো. মাহমুদ আলম বাবু মোড়ল (বিএনপি বিদ্রোহী) ও শেখ আব্দুল আজিজ (আ্ওয়ামী লীগ), মো. সাইফুল ইসলাম মোল্লা (স্বতন্ত্র) ও সুমন (স্বতন্ত্র), ২৮নং ওয়ার্ডের মো. শেখ ফজলুল করিম (ইসলামী আন্দোলন), ২৯নং ওয়ার্ডের মো. রুহুল আমিন বিশ্বাস (ইসলামী আন্দোলন)।  

সংরক্ষিত : ২নং পারভীন আক্তার (স্বতন্ত্র), ৩ নং-এ আফরোজা আক্তার (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), মিসেস আরিফা আলম (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) ও মোসা. ছাবিনা আখতার (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), ৪নং-এ খাদিজা সুলতানা (স্বতন্ত্র) , ৭নং-এ মনোয়ারা সুলতানা কাকলী (আ্ওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)।

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ