ঢাকা, শনিবার 19 May 2018, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রমযান উপলক্ষে পণ্যের দাম কমালো টিসিবি

স্টাফ রিপোর্টার : রমযান উপলক্ষে পণ্যের দাম কমিয়েছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। বিশেষ করে ছোলা, খেজুর ও মশুর ডালের দাম কেজিতে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে পণ্য বরাদ্দের পরিমাণ। নতুন করে নির্ধারণ করা পণ্যের মূল্য ও বরাদ্দের পরিমাণ প্রথম রোজা থেকে কার্যকর হবে।
টিসিবি সূত্রে জানা গেছে, পবিত্র রমযান ও ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ৬ মে (রোববার) থেকে খোলাবাজারে পাঁচ ধরনের পণ্য বিক্রি শুরু করে টিসিবি। শুরুতে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি কেজি খেজুর বিক্রি করা হয় ১২০ টাকায়, যা কেজিতে ২০ টাকা কমিয়ে বর্তমানে নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা। এছাড়া কেজিপ্রতি ছোলার দাম ৫ টাকা কমিয়ে ৬৫ টাকা এবং মাঝারি সাইজের মশুর ডালের দাম কেজিতে ৫ টাকা কমিয়ে ৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম রোজা থেকেই হ্রাসকৃত মূল্যে এই তিন ধরনের পণ্য পাবেন ভোক্তারা। তবে আগের দরেই অর্থাৎ প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা এবং প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ৮৫ টাকা দরে কিনতে হবে ভোক্তাদের।
টিসিবির তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ছোলা, খেজুর ও মশুর ডালের দাম বাজার দরের কাছাকাছি হওয়ায় এগুলোর মূল্য কমানো হয়েছে। এছাড়া চাহিদার কথা বিবেচনা করে ট্রাক ও ডিলার প্রতি পণ্য বরাদ্দের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে প্রথম রমযান থেকে।
পণ্যের নতুন নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ী, প্রথম রমাযান থেকে একজন ক্রেতা একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৫ কেজি চিনি, ৫ কেজি মশুর ডাল, ৫ লিটার সয়াবিন তেল, ১০ কেজি ছোলা এবং ২ কেজি খেজুর কিনতে পারবেন। এর আগে একজন ক্রেতার একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৪ কেজি চিনি, ৪ কেজি মশুর ডাল, ৫ লিটার সয়াবিন তেল, ৫ কেজি ছোলা এবং ১ কেজি খেজুর কেনার সুযোগ ছিল।
এছাড়া ট্রাক ও ডিলার প্রতি পণ্য বরাদ্দের পরিমাণ ২ থেকে ৫ গুণ বাড়ানো হয়েছে। প্রথম রমযান থেকে প্রতিদিন প্রতিটি ট্রাকের জন্য ৩’শ থেকে ৮’শ কেজি দেশী চিনি, মাঝারি সাইজের মশুর ডাল; ৩’শ থেকে ১৫’শ কেজি ছোলা; ৩’শ থেকে ৮’শ লিটার সয়াবিন তেল এবং ৩০ থেকে ১৫০ কেজি খেজুর বরাদ্দ থাকবে।
উল্লেখ্য, বাজারদর সহনীয় রাখতে সারাদেশ জুড়ে ১৮৪টি ভ্রাম্যমান ট্রাক ও ২ হাজার ৭৮৪ জন ডিলার এবং ১০টি নিজস্ব খুচরা বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে ভোক্তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করছে টিসিবির। ১৮৪টি ভ্রাম্যমান ট্রাকের মধ্যে ঢাকায় ৩২টি, চট্টগ্রামে ১০টি, অন্যান্য বিভাগীয় শহরে ৫টি এবং জেলা সদরে ২টি করে ট্রাকের মাধ্যমে প্রতিদিনই বিক্রয় কার্যক্রম চলবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ