ঢাকা, শনিবার 19 May 2018, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

দেশ আরও উন্নতির পথে এগিয়ে গেছে -আমু

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশের উৎক্ষেপণ করা স্যাটেলাইট অত্যাধুনিক ও যুগোপযোগী বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। এর মাধ্যমে দেশ আরও উন্নতির পথে এগিয়ে গেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
গতকাল শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন মন্ত্রী। ২০১৭ সালে প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষায় সাফল্যের জন্য ৬৫ জনকে বৃত্তি দেয়া হয় অনুষ্ঠানে। ডিআরইউ সদস্যদের সন্তানদের মধ্যে ৩৪ জন প্রাথমিক সমাপনী, ৩০ জন জেএসসি এবং একজন মাদ্রাসায় সাফল্যের জন্য বৃত্তি পেয়েছে। এ সময় শিক্ষা নিয়ে বক্তব্যের পাশাপাশি গত ১১ মে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে উৎক্ষেপিত দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ নিয়েও কথা বলেন। এই প্রকল্পকে বাংলাদেশের সমৃদ্ধির পথে যাওয়ার অন্যতম মাইলফলক হিসেবে তুলে ধরছে সরকার। তবে বিএনপি নানাভাবে এই প্রকল্পের সমালোচনা করছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা টাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলন, উত্তরা ইউনিভার্সিটির ভিসি ইয়াসমীন আরা লেখা, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি শাবান মাহমুদ।অেনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিআরইউর সভাপতি সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক শুক্কুর আলী শুভ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডিআরইউর কল্যাণ সম্পাদক কাওসার আজম।
আমু বলেন, ‘বিগত যেসব দেশগুলো স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছেন তাদের চেয়ে আমাদেরটা অনেক বেশি অত্যাধুনিক এবং যুগোপযোগী। অথচ আামাদের বন্ধুরা এটার সাথে কৃষকদের তুলনা নিয়ে আসলেন।’‘তারা বলছেন- যে স্যাটেলাইট তো উৎক্ষেপিত হল এখন কৃষকদের কী হবে? কৃষকদের কী হবে তাদের কাছে আমাদের জিজ্ঞাসা, কারণ তাদের ক্ষমতার আমলে এই কৃষকরা সার চাইতে গিয়ে জীবন দিয়েছেন। ১৮ জন কৃষককে তারা গুলি করে হত্যা করেছেন।’
‘স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সঙ্গে কৃষকদের সম্পর্ক স্থাপন করার যে চেষ্টা সেটা একটা অশিক্ষিত লোকের মতো কথাবার্তা বলে আমি মনে করি। এগুলি এই দেশের মানুষ বহন করে না।’
সরকার দেশে শিক্ষার হার শতভাবে উন্নীত করতে চায় বলে জানান মন্ত্রী। বলেন, শিক্ষিত জাতি প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নেবে। ‘আমরা যখন ক্ষমতায় আসি ২০০৯ সালে, তখন শিক্ষার হার ছিল ৪৭ শতাংশ। আজকে শিক্ষার হার ৭৭ শতাংশ। এটাকে ১০০ শতাংশে উন্নীত করার মধ্যদিয়ে এই দেশকে একটি শিক্ষিত জাতি হিসেবে আমরা গড়ে তুলব।’
‘কোনো শিশুরা যাতে আর্থিক অনটনের কারণে লেখাপড়া থেকে দূরে না থাকে সেজন্য প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে বই বিতরণের ব্যবস্থা করেছি। নানা রকম বৃত্তি, উপবৃত্তি দেয়া হচ্ছে। অভিভাবকদেরও বৃত্তি দেয়া হচ্ছে।’
২০১০ সালে শিক্ষানীতি প্রণয়নের পর এক শ্রেণির মাদ্রাসা শিক্ষককের আন্দোলনের কথা তুলে ধরে আমু বলেন, ‘তারা বলেছিলেন, এই শিক্ষানীতি হলে মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করেছি বর্তমানে মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ হয়নি। বরং যারা মাদ্রাসায় পড়েন তারা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কবি, সাহিত্যিকসহ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ