ঢাকা, মঙ্গলবার 22 May 2018, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ৫ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

মাওয়া মহাসড়কে হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার ব্যাপক চাঁদাবাজীর অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : মাওয়া মহা সড়কের রাজেন্দ্রপুর ও নতুন রাস্তার মাঝামাঝি মোল্লার পোল নামক স্থান থেকে বুধবার সিএনজি চালকদের কাছ থেকে টাকা ঘুষ নিয়ে সিএনজি ছেড়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আরো অভিযোগ উঠছে হাসাড়া হাইওয়ে ফাঁিড়র পুলিশ প্রতিদিনই এই চাঁদাবাজী করে যাচ্ছে ঢাকা মাওয়া মহা সড়কে।
জানা যায় স্থানীয় যোগাযোগ মন্ত্রীর অনুমোদন ক্রমে সকাল সাড়ে আটার পর থেকে মাওয়া হাইওয়ে রোডে সিএনজি চলাচল বন্ধ রাত্র আটটা পর্যন্ত। কিন্ত সিএনজির গ্যাস আনতে বুধবার (১৬ মে) আসার পথে জ্যামে দেরী হওয়াতে সকাল নয় টায় অনেকগুলো সিএনজি আটকে দেয় হাসাড়া হাইওয়ে থানার এস আই মোঃ শহিদুল।
একটি ঢাকা লাইনের সিএনজিকে তাৎক্ষণিক মামলা দেওয়া হয় কারণ ঐ সিএনজির ড্রাইভার তার মালিক কে ফোন দিলো কেনো। আব্দুল্লাহ পুর স্টান্ডের দুটি সিএনজি কে আইনানুগ মামলা বা জরিমানা না করে খাসকান্দি গ্রামের আব্দুল মুন্নাফের ছেলে মোঃ হারুন (দালাল) মিডিয়া করে দুই সিএনজি থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে সিএনজি ছেড়ে দেয়া হয়।
ভুক্তভোগী সিএনজি ড্রাইভার জানান আমাদের ধরার পরে আমরা আমাদের সিএনজি মালিকের কাছে ফোন দিতে দেখে এস আই সহিদুল রাগান্বিত হয়ে বলে-কারো কাছে ফোন দিবিনা কোন নেতার কাছেও না। হারুন আসতেছে ওর সাথে যোগাযোগ কর নইলে গাড়ির মামলা দিয়ে দেবো।
জানা যায় আব্দুল মুন্নফের ছেলে মোঃ হারুনের কয়েকটি সিএনজি আছে সেই সুবাদে হাইওয়ে থানার সাথে তার ভালো স¤পর্ক। কারো সিএনজি ধরলেই সিএনজি মালিক পক্ষকে বলা হয় হারুনের সাথে যোগাযোগ করতে।  হারুনের সিএনজি সারাদিন হাইওয়ে রাস্তায় অবাধে চলাচল করলেও কোন মামলা বা জরিমানা করেন না হাইওয়ে থানা পুলিশ।
গটনার সত্যতা স্বীকার করে ছয় হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে মুক্তি পাওয়া সিএনজি ড্রাইভার খবিরউদ্দিন ও মাসুম জানান, হাসাড়া ফাঁড়ি থেকে আমাদের ছাড়া পেতে ছয় হাজার টাকা দিতে হয়েছে। তবে আবার ভয় হয় যদি পত্রিকায় নিউজ হলে পুলিশ আমাদের আবার ধরবে।
৬ মে (ঢাকা মেট্রো ন- ১৮৬১০৫) গাড়ি আটকিয়ে প্রথমে ১০হাজার টাকা দাবী করা হয় পরবর্তীতে ১৩০০ তেরশ টাকা দিয়ে ছাড়া পান শ্রীনগর মাইজপাড়ার সিএনজির ড্রাইভার। 
হাইওয়ে থানার এস আই মোঃ সহিদুল এ বিষয়ে ফোন দিলে হারুনের তার পরিচয় নাই বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
হাসাড়া ফাঁড়ির দালাল মোঃ হারুন এর সেল ফোনের এই ০১৮৬৬৮৮৪৩২২ নাম্বারে কল দিয়ে পাওয়া যায়নি।
হাসাড়া ফাঁড়ির ওসি মোর্শেদ জানান, বিষয়টি আমি তদন্ত করে দেখবো। বর্তমানে হাইওয়ে থেকে সিএনজি নিয়ন্ত্রন করা খুবই কঠিন কাজ ছিল। এখন পুরোপুরিভাবে নিয়ন্ত্রিত। কোন সিএনজি হাইওয়ে রোডে চলে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ