ঢাকা, বৃহস্পতিবার 24 May 2018, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ৭ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

হালাল খাদ্য গ্রহণ সকলের জন্য একটি ফরযি দায়িত্ব

-এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম প্রধান, এমএম (ডাবল হাদীস, তাফসীর), বিএসএস (সম্মান), এমএসএস (রাষ্ট্র বিজ্ঞান), এলএলবি
[চার]
আমরা উদ্ধৃত আয়াত সমূহে যে সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাই তাহলো ১। হালাল প্রাণী যার মাংস খাওয়া ইসলামী শরীয়তে হালাল বা জায়েজ, তা জবেহ হতে হবে শরীয়ত সম্মত পন্থায়। ২। জবেহ করাকালে প্রাণিটির গলায় ছুরি চালানোকালে বা নহর পদ্ধতি ব্যবহার করা হলে বর্শা, নিজা বা ছুরি দ্বারা প্রাণীটিকে জবেহ করা কালে বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার  বা আল্লাহর নাম উচ্চারণ করতে হবে প্রকাশ্যে ৩। আল্লাহর নাম ছাড়া অন্যের নাম উচ্চারণে কোন হালাল প্রাণী জবেহ করা হলে তার মাংস খাওয়া আল্লাহর বিধান মতে হারাম বা নিষিদ্ধ। ৪। হালাল প্রাণীটি জবেহ করাকালে আল্লাহর নাম বাদ দিয়ে কোন ওলী, দেবদেবীর নাম উচ্চারণ করা হয় বা কার নাম উচ্চারণ না করে নীরবতা পালন করা হয় তাহলে ঐ প্রাণীর মাংস খাওয়া হারাম। এ ব্যাপারে সহীহ বুখারীতে রসুলুল্লাহ (দঃ) থেকে নিম্ন লিখিত নির্দেশনার উল্লেখ আছে। ‘‘মা উনাহিরাদ্দাম্মু ওয়াযুকিরাসমুলাহি আলাইহি ফাকুলু’’ অর্থাৎ যে প্রাণীর (হালাল) রক্ত প্রবাহিত করা হয়েছে তখন তার উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়েছে তা খাও।
হালাল প্রাণী জবেহ করার নিয়ম : ইসলামী শরীয়তে যেকোন প্রাণীকে খুবই ধারালো অস্ত্র দ্বারা কষ্ট না দিয়ে দ্রুততার সাথে গলার নীচে রক্তনালী ও কন্ঠনালী কেটে আর উট জাতীয় প্রাণীর ক্ষেত্রে ধারালো বর্শা বা ছুরি  দ্বারা নহর বা রক্ত প্রবাহিত করে জবেহ করাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমানকালে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকায় বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হালাল প্রাণী হত্যা করে তার মাংস খাওয়াকে যারা হালাল বলছেন তারা নামধারী মুসলমান। এরা কোরআন সুন্নাহর আনুগত্য থেকে সরে গিয়ে অমুসলমানদের রীতিনীতি সমূহে নিজেদেরকে মিলিয়ে ফেলেছে। শোনা যায় এখন মধ্যপ্রাচ্যের অনেক মুসলিম দেশে মেশিনের সাহায্যে পশু জবেহ করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে পশু জবেহ করার ইসলামী শরীয়ত সম্মত পন্থা পরিত্যক্ত হয়েছে।
বাংলাদেশ সহ সারা দুনিয়ায় হালাল মাংসের নামে হারাম মাংসের ছড়াছড়ি এবং ভোজনের মহা উৎসব ঃ বর্তমানে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, আরব আমীরাত, মিশর সেই লন্ডনসহ বৃটেনের লন্ডন প্রভৃতি জায়গায় মুসলমানরা মাংস ভোজী জাতি হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। পৃথিবীতে লাখ লাখ মুসলিম হোটেল থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন বড় ভোজ অনুষ্ঠান যেমন বিয়ে, আকিকা, জন্মদিন, ম্যারেজ ডে, ইফতার পার্টি, সেমিনার সিম্পোজিয়ামে প্রচুর পরিমাণ গরু, খাশি,মুরগীর মাংসসহ মুরগীর মাংস মিশ্রিত বিভিন্ন খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। ইউরোপ, আমেরিক, অষ্ট্রেলিয়ায় মুসলমানদের জন্য হালাল প্রাণীর মাংসের দোকানের নামে হালাল মিট্স শপ রয়েছে। কিন্তু কজন মুসলমান জানে যে, ঐসব দোকানের বাজারজাতকৃত গরু, খাসি বা মুরগী শরীয়ত সম্মত পন্থায় জবেহ করা হয়েছে। বাংলাদেশেও হালাল মাংস প্রসেজিং করে বিক্রির জন্য একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মাঠে নেমেছে। তারা বাজারে গরু, খাসির বা মুরগীর মাংস দ্বারা বিভিন্ন মুখরোচক খাদ্যের আইটেম তৈরি করে বাজারজাত শুরু করেছে যেমনটা দেখা যাচ্ছে কাজী ফার্মসের চিকেন ভুনার বিজ্ঞাপনে। কিন্তু এসব লোভনীয় বিজ্ঞাপন দানকারীরা কখনই নিশ্চত করেননি যে তাদের প্রসেসকৃত বা  বাজারজাতকৃত মাংস হালাল পন্থায় আল্লাহর নাম সহ জবেহ করা হয়েছে। বাংলাদেশের পরহেজগার নামাজী, মোত্তাকী, ইমানদার এবং দাড়ি, টুপি, পাগড়ী ও নিছফিসাক পাঞ্জাবী পরিধানকারী মুসলমান ভাইয়েরা যখন বড় বড় ভোজে দাওয়াত নিয়ে অংশগ্রহণ করেন তখন তারা কি নিশ্চিত হন যে তাদের সামনে পরিবেশিত হালাল প্রাণীর মাংস সমূহ শরীয়ত সম্মত পন্থায় জবেহের মাধ্যমে হালাল করা হয়েছে? খাবার সামনে দেখলে আর পেটে ক্ষুধা থাকলে আমাদের জিহ্বায় পানি চলে আসে। আমরা দ্রুত খাবার গিলতে থাকি। সে সময়ে হুঁশ থাকে না যে খাদ্যটি হালাল না হারাম।
এহুদি খৃষ্টানদের জবেহকৃত পশুর মাংস ও উক্ত মাংস সহযোগে প্রস্তুতকৃত খাদ্য খাওয়া হালাল হারাম প্রসঙ্গে রসুলুল্লাহ (দঃ) এর সাথে ৬ষ্ঠ হিজরী সনে মক্কার কুরাইশদের সাথে হুদাইবিয়ার সন্ধি চুক্তি সম্পাদন করার পর আরব জাহানের অনেক দূর দুরান্ত বা প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অনেক অমুসলিম গোত্রের লোকজন মদিনায় আগমণ করেন এবং মুহাম্মদ (দঃ) এর কাছে ইসলাম গ্রহণ করেন আবার অনেকেই কোন কোন মুসলমানের দ্বারা অনুপ্রানিত হয়ে ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নেয়। এসমস্ত নতুন মুসলমানদের অনেকেরই প্রতিবেশি ছিল এহুদি বা খ্ষ্টান। মদিনায় এসে ইসলাম গ্রহণকারী নতুন মুসলমানরা মহানবী (দঃ) এর নিকট ইসলাম গ্রহণের পর জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, তাদের প্রতিবেশিদের হাদিয়া হিসাবে পাঠানো গোশত  তারা খাবেন কি না? এবং তারা এটাও নবী করীম (দঃ) কে জানান যে, ঐ গোশত গুলির পশু  বা পাখি জবেহ করা কালে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়েছিল কি না তা তারা জানেন না। নবী করিম (দঃ)  উত্তর দিয়েছিলেন যে, তোমরা নতুনভাবে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে তা খাও। অনুমতিটি ছিল একটি অন্তর্বর্তীকালীন অনুমতি। নতুন মুসলমানদের সাথে প্রতিবেশি অমুসলমানদের সম্পর্ক যেন শুরুতেই নষ্ট না হয় বা শুরুতেই মুসলমানরা যেন কোন প্রকার খাদ্য সংকটে না পরে সে কারনে একটি সাময়িক ব্যবস্থা হিসাবে অনুমতিটি দেয়া হয়েছিল। এই ঘটনার অনেক পর সুরা আল মায়ীদার হুকুম সমূহ বিদায় হজের প্রাক্কালে বা বিদায় হজ কালে নাযিল হয়। ফলে উক্তরূপ অনুমতির কার্যকারিতা শেষ হয়ে যায়। এহুদি খৃষ্টানরা আসমানী কিতাব প্রাপ্ত জাতি। রসুলুলাহ (দঃ) এর আগমনের আগেই খৃষ্টানরা ত্রিত্তবাদ গ্রহণ করে মুশরিক হয়ে গিয়েছিল। তা সত্ত্বেও তাদের কন্যা বিবাহ করা ও তাদের জবেহ করা গোশত খাওয়াকে ইসলামে হালাল হিসাবে বহাল রাখা হয়েছে। কিন্তু এহুদি খৃষ্টান নারীদের বিবাহ করার ক্ষেত্রে মোহসিনাত বা সতীসাধবী হওয়া শর্ত আরোপ করা হয়েছে। তেমনি ভাবে যেকোন হালাল প্রাণী জবেহ করার ক্ষেত্রে আহলে কিতাব বা এহুদি খৃষ্টানদের জন্যেও আলাহর নাম উচ্চারণ করার শর্ত বহাল আছে। একজন মুসলমান অবশ্যই এহুদি খৃষ্টানদের জবেহকৃত হালাল প্রাণীর গোশত খাওয়ার সময় নিশ্চিত হতে বাধ্য যে, একজন এহুদি বা খৃষ্টান দ্বারা একটি প্রাণী জবেহ হওয়াকালে সে আলাহর নাম উচ্চারণ করেছে কিনা। হতে পারে সে তার নিজস্ব ভাষায় আলাহর নাম উচ্চারণ করবে। প্রাণিটি জবেহর ক্ষেত্রে আসমানী কিতাব সমূহের প্রদত্ত নিয়ম সমূহ পালিত হয়েছে কিনা। বর্তমান কালে কিছু ইসলামী চিন্তাবীদ হিসাবে পরিচয়দানকারী ব্যক্তি যারা আমার জানা মতে ভালো আলিম হিসাবে বিশ্বের বুকে খ্যাতি কুড়িয়েছেন তারা সুরা আল মায়ীদার ৫ নং আয়াতের শুরুতে উলেখিত ‘‘আল ইয়াওমা উহিল্লালাকুমুত তাইয়ীবাতু ওয়াতয়ামুলাযিনা উতুলকিতাবা হিলুললাকুম ওয়াতয়ামুকুম হিলুলনাকুম’’ অর্থাৎ আজ তোমাদের জন্য পবিত্র বস্তু সমূহকে হালাল করা হল। আহলে কিতাবদের খাদ্য তোমাদের জন্য হালাল। আর তোমাদের খাদ্য তাদের জন্য হালাল। অংশটি ঢালাওভাবে ব্যবহার করে এহুদি খৃষ্টানদের জবেহ করা হালাল প্রাণীর গোশত হালাল বলে ফতোয়া জারী করছেন। এসব পাশ্চাত্য পুজারী আলেমরা ভুলে বসেছেন যে, একটি হালাল প্রাণীর গোশত আলাহর নামের উচ্চারণ ব্যতিত জবেহ করার কারণে সাধারণ ভাবেই হারাম হয়ে যায়। তার কোন পবিত্রতা থাকে না তা মৃত এবং অপবিত্র হিসাবে গণ্য। যেমন সিংহ কুকুরে শিকার করা হালাল প্রাণীর গোশত। যদি ত্বওয়ামু আহলি কিতাব অর্থাৎ আহলি কিতাবদের খাদ্যের অর্থ সাধারণ ভাবে গ্রহণ করা হয় তাহলে আহলি কিতাবদের একটি অংশ অর্থাৎ খৃষ্টানরা তো শুকরের মাংস, মদ খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করে। তাহলে কি আহলি কিতাব কর্তৃক খাদ্য হিসাবে প্রস্তুত ও পরিবেশিত হওয়ার পর মদ শূকরের মাংস খাওয়া হালাল হবে? মুসলমানরা কি এতই খাদ্যাভাবে বা বিধি বিধানের দৈন্যতায় ভুগছে যে এহুদি খৃষ্টানদের ইলেকট্রিক শক করে মেরে ফেলা পশুর মাংস মুসলমানদের খেতে হয়। বিশ্বনবী (দঃ) এর পরিবারে দুই মাস পর্যন্ত চুলা জ্বলে নি অর্থাৎ রুটি তৈরি গরম করে সেকে নেয়া হয় নি বা কোন মাংসে সিদ্ধ করা হয় নি। শুধুমাত্র দুটি কালো জিনিস পানি বা খেজুর খেয়ে তারা দিন অতিবাহিত করেছেন। সাহাবায়ে কেরাম অনেক যুদ্ধে খাদ্যের অভাবে গাছের পাতা ও ছাল খেতে বাধ্য হয়েছেন। কিন্তু তথাপি হারাম খাদ্য ভক্ষন করেন নাই আমাদের বাংলাদেশে বর্তমানে অনেক মুসলমান নামধারীকে স্বচক্ষে দেখেছি হিন্দু বিয়ের বাড়ীতে বিয়ে অনুষ্ঠানে বা অন্নপ্রাসন অন্ষ্ঠুানে বীরদর্পে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের দেবতার নামে বলি দেয়া পাঠার মাংস খাচ্ছেন। অথচ আমি দেখেছি খেতে দাওয়াত দানকারী হিন্দু পরিবারের লোকজন মুসলমানদের জন্য আলাদা ভাবে হালাল খাদ্য মুসলমান রাধুনী এনে তৈরি রাখতে কার্পন্য করেন নি। এক্ষেত্রে তাদের মনোভাব অত্যন্ত প্রসংশনীয়। দেশের সকল শ্রেণির মুসলমান আলেম সমাজ ও সচেতন মুসলমানরা হালাল মাংস সংগ্রহের জন্য বা প্রক্রিয়াজাত, বাজারজাত, পরিবেশন, ক্রয় বিক্রয়ের বিষয়গুলি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সন্দেহজনক হালাল প্রাণীর মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। একজন ইমানদার মুসলমান অবশ্যই মাংস খাওয়ার ব্যাপারে নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের জন্য হালালত্ব নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের সকল মসজিদের ইমাম, ওয়ায়েজ, মাদ্রাসার শিক্ষক এবং ছাত্র, ইসলামী শিক্ষা বিভাগের ছাত্র ও শিক্ষকগণের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশের সকল হোটেল বা রেষ্টুরেন্ট মালিকগণকেও তাদের হোটেল রেষ্টুরেন্টে হালাল  মাংস সরবরাহের জন্য সিদ্ধান্ত নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। সেই সাথে আমরা যেসব বড় বড় ভোজ অনুষ্ঠানে দাওয়াত পাই সেসব অনুষ্ঠানের পরিবেশিত মাংস হালাল কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে। ঐ অনুষ্ঠানে পরিবেশিত মাংসের হালালত্ব নিশ্চিত না হলে ঐদিন মাংস খাওয়া বর্জন করতে হবে। এ ধরনের কয়েকটি ঘটনা ঘটলে এবং তার খবর চর্তুদিকে ছড়িয়ে পড়লে অবশ্যই এ বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টি হবে।
সেই সাথে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট বাংলাদেশের সরকার, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় বা ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এবং ইসলামী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে হালাল খাদ্যের বিষয়ে একটি প্রচারনার কর্মসূচি গ্রহণ করলে জাতি অনেক উপকৃত হবে। সেই সাথে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ সহ যারা বহুবছর ধরে পবিত্র রমজান মাস এবং রোজাকে ব্যাংকের কোন প্রডাক্ট এর পক্ষে স্লোগান হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন বা তারা যেভাবে জাকাত, ওয়াক্ফ এর উপর জাতীয়ভাবে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছেন সেভাবে তারা জাতিকে হালাল রোজগার, হালাল খাদ্য গ্রহণের বিষয়টিকে পবিত্র রমজান মাসে একটি স্লোগান হিসেবে নিয়ে বিষয়টি হালাল ব্যাংকিং এর পক্ষে ব্যবহার করতে পারে।
উপসংহার : পবিত্র রমজান মাসের আগমন অত্যাসন্ন। রমজান মাসে সারা দেশে লাখ লাখ ইফতার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। আসুন আমরা আগামী রমজান মাসে হালাল খাদ্য এবং হালাল মাংস দ্বারা সেহরী, ইফতার শুরু করি এবং রমজান থেকেই সারা বছর হালাল খাদ্য গ্রহণের চেষ্টা চালিয়ে যাই। জাতীয়ভাবে হালাল খাদ্য গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ অতিসত্বর দুর্নীতি এবং অশ্লীলতা মুক্ত হবে এবং বাংলাদেশ একটি উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর বুকে একটি শক্তিশালী আসনে অধিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ। [সমাপ্ত]

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ