ঢাকা, শুক্রবার 25 May 2018, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ৮ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ছড়া

স্মৃতির মিনার

মাহফুজুর রহমান আখন্দ

 

ভালোবাসার এই উঠোনে 

একই সুরের গান

মিলন মেলার কোমল পরশ 

জুড়িয়ে দিতো প্রাণ

 

ফুলের মতোই সুবাস মেখে

বাগান জুড়েই ছিলাম

আজ আবারো স্মৃতিগুলো

বক্ষে তুলে নিলাম

 

স্মৃতির মিনার সাজাও এবার

সবুজ বুকের বনে

শুনাও কথা অতীত দিনের

আজকে মুক্তমনে

 

সোনা ঝরা দিনগুলো হায়

আবার আসুক ফিরে

সুখের খবর যাক ছড়িয়ে 

সকল নীড়ে নীড়ে।

 

হৃদয় শুভ্র করো

তাজ ইসলাম

নামাজ পড় রোজা রাখ

গীবত কর কেনো? 

গীবত করা মস্ত গোনা

মনে প্রাণে জেনো।

 

সওয়াব পাবার আশায় রাখ

উপোস থেকে রোজা,

গীবত করে বাড়াও কেনো? 

তবে পাপের বোঝা! 

 

পাপ থেকে রও দূরে তুমি

হৃদয় শুভ্র করো , 

দ্বীনকে মানো দ্বীনের রজ্জু

শক্ত হাতে ধরো।।

 

কিশোর জিজ্ঞাসা 

মীম মিজান

 

সবুজ পাতা, সবুজ পাতা

হাওয়ায় কেনো দোলো?

সকাল বেলা ও ফুল তুমি

ঘোমটা কেনো খোলো?

 

ও নদীর জল, ছুটো কেনো

দূর মোহনার পানে?

ও পাখিসব, ভরাও কেনো

কিচির মিচির গানে?

 

 

ও অলি ভাই, ঘুরো কেনো

ফুল বাগানের মাঝে?

ও ঝিঁ ঝিঁ ভাই, ডাকো কেনো

ঝড়ে সন্ধ্যা সাঁঝে?

 

ফুল, পাখি আর অলি, ঝিঁ ঝিঁ

বলছে আমায় ডেকে,

খোদার নামে আমরা সবে

ডাকি থেকে থেকে।

 

রোযার গান

শফিকুল ইসলাম শফিক

 

দূরের শশী মিষ্টি হাসে

ফুল কলিদের সুবাস ভাসে,

এই দুনিয়ার তামাম মু'মিন 

সাড়া দিল খুশির মাসে।

 

রোযার প্রতিদানের আশা

রোযার প্রতি ভালোবাসা।

অনাহারে যতই থাকি

মনে ততই শক্তি আসে।

 

পবিত্রতা দিলে দিলে দিলে

রোযার খুশি অনাবিলে।

নানান রকম পাপাচারী

বিদায় নিল অনায়াসে।

 

চুরুলিয়ার ছোট্ট খোকা 

সব্যসাচী নজরুল

 

চুরুলিয়ার ছোট্ট খোকা

কাজী নজরুল ইসলাম;

জীবনটা যে দুখে গড়া

লেখালেখিই কাম।

 

আদর করে ডাকতো সবাই

দুখুমিয়া বলে;

বাল্যকালটা কাটিয়ে দেয় সে

লেটো গানের দলে।

 

বাঙালিজাতি ও বঙ্গভূমি 

ধন্য তাঁরই জন্য ;

সাহিত্যেরই সব শাখাতে

তিনি যে অনন্য।

 

মাহে রমযান

সা'দ সাইফ

 

বছর শেষে মুমিন মনে

দিয়ে খুশির খবর,

আসে ফিরে রমযান আবার

করো মুমিন সবর।

 

সারাটা দিন উপবাসে

কাটবে রোযাদারের,

করবে না সে পানাহার

কিংবা তৃপ্তি লাভের।

 

সকাল থেকে ঠিক সন্ধ্যা

ক্ষুধার কষ্ট নিয়ে,

সংযমের সে শিক্ষা লাভ

করবে অন্তর দিয়ে।

 

এভাবে এই রমযান আসে

তাকওয়ার ওই শিক্ষায়,

মুমিনের মন জোর ফিরে পায়

ত্যাগের মহান দীক্ষায়।

 

মা 

ইদ্রিস মন্ডল

আমার মায়ের গুণের কথা

বলতে আমি চাইরে

মায়ের মতো আপন জিনিস

কোত্থাও আর নাইরে।

ভীষণ ভালোবাসে আমার

বুকের মাঝে রাখে সে

আজও আমার ছোট্ট বেলার

নামটা ধরে ডাকে সে।

মায়ের কাজে বুঝতে পারি

তাঁর হৃদয়ের আমি জান

আমার যতো বেড়ে ওঠা

তাঁরই মধুর অবদান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ