ঢাকা, শনিবার 26 May 2018, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ৯ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ঐতিহাসিক-প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধারণ করে চলেছে লাহোর

মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, পাকিস্তান থেকে ফিরে : [কিস্তি-সাত]
ঐতিহাসিক, প্রশাসনিক এবং অর্থনৈতিক কেন্দ্র এই লাহোর। মুঘল, ব্রিটিশ শাসনামলের চিহ্ন এখনো রয়েছে লাহোরে। লাহোর ফোর্ট, পাকিস্তান মিনার, শালিমার গার্ডেন, বাদশাহী মসজিদ, পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় জাদুঘর, বিশ্ববিদ্যালয়, চারুকলা কলেজ সবই লাহোরে। বাদশাহী মসজিদের পাশে স্বগর্বে এখনো দাঁড়িয়ে আছে রণজিত্ সিংয়ের গুরুদুয়ারা। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধারণ করে চলেছে লাহোর জাদুঘর। কী নেই সেখানে। জাদুঘরে আছে হযরত হোসাইন (রা.)-এর হাতে লেখা কুরআন শরীফ। মুঘল এবং শিখ শাসনামলের দরজা, অনেক চিত্রকর্ম। আছে গৌতম বুদ্ধের ভাস্কর্য, হিন্দু দেবতাদের ভাস্কর্য, কালী মূর্তি, শিব লিঙ্গ। ন্যাশনাল কলেজ অব আর্টস (এনসিএ) আর লাহোর জাদুঘরের একইসঙ্গে বেড়ে ওঠে। এ প্রতিষ্ঠানটি উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন চারুকলা প্রতিষ্ঠান। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনেরও নাকি পদচারণা ছিলো এই কলেজে।
ইসলামাবাদ থেকে লাহোর। পাকিস্তান সফরের ৬ষ্ঠ দিনে আমরা রাজধানী থেকে লাহোরে পৌঁছাই। সড়ক পথে প্রায় ৪শ কিলোমিটারের দূরত্ব। পাহাড়ে ঘেরা ইসলামাবাদ থেকে যাওয়ার সময় রাস্তার দুপাশে চোখে পড়ে অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্য। চারলেনের রাস্তা ইসলামাবাদ থেকে যেন সোজা লাহোর পৌঁছেছে। কোথাও একটি স্পীড ব্রেকারও নেই। শুধু পাকিস্তান নয়, এশিয়ায় এমন আরেকটি পরিকল্পিত রাস্তা খুঁজে পাওয়া ভার। রাস্তার দুই পাশে গম আর মাল্টার বাগান। পাকিস্তানের মাল্টা বেশ জনপ্রিয়। দুই দিনে আমাদের লাহোরের ঐতিহাসিক স্থাপনার পাশাপাশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেয়া হয়।
লাহোর দুর্গ। স্থানীয়ভাবে শাহী কিল্লা বলে পরিচিত। পাকিস্তানের পাঞ্জাবের লাহোরে অবস্থিত একটি দুর্গ। দুর্গের উৎস প্রাচীনকাল হলেও বর্তমান স্থাপনা মুঘল সম্রাট আকবরের শাসনামলে নির্মিত হয়েছে। পরবর্তীতে মুঘল সম্রাটদের সময়ে দুর্গের বৃদ্ধি ঘটেছে। মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের পর শিখ ও ব্রিটিশ শাসকরাও দুর্গের বৃদ্ধি ঘটান। এর দুইটি ফটক রয়েছে। এর মধ্যে একটি সম্রাট আওরঙ্গজেব নির্মাণ করেছেন। এটি আলমগিরি ফটক বলে পরিচিত এবং তা বাদশাহী মসজিদমুখী। অন্যটি আকবরের সময় নির্মিত হয়। এটি মসজিদি ফটক নামে পরিচিত। বর্তমানে আলমগিরি ফটকটি প্রধান প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং মসজিদি ফটকটি স্থায়ীভাবে বন্ধ রয়েছে। দুর্গে মুঘল স্থাপত্যের উৎকৃষ্ট নিদর্শন এখনো বিদ্যমান। দুর্গের কিছু বিখ্যাত স্থানের মধ্যে রয়েছে শিশ মহল, আলমগিরি ফটক, নওলাখা প্যাভেলিয়ন ও মোতি মসজিদ। ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে শালিমার উদ্যানের পাশাপাশি এই দুর্গ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃিত পায়।
লাহোর দুর্গের নির্মান নিয়ে নানা মত রয়েছে। লাহোর দুর্গের উৎস স্পষ্ট নয়। কে সর্বপ্রথম এই দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন তা জানা যায় না। কিছু হিন্দু পৌরাণিক কাহিনীতে রামের পৌরাণিক পুত্র লোহকে এর প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত করা হয়। এ বিষয়ে প্রথম ঐতিহাসিক বিবরণ ১১শ শতাব্দীতে সুলতান মাহমুদ গজনভির সময় পাওয়া যায়। এটি ছিল একটি কাদা দিয়ে তৈরী দুর্বল দুর্গ এবং তা তখন ধ্বংস হয়ে যায়। পুরনো সূত্র অনুযায়ী ১২৪০ এর দশকে মঙ্গোলরা এই দুর্গ ধ্বংস করে। এর প্রায় ৫০ বছর পর গিয়াসউদ্দিন বলবন এখানে একটি দুর্গ নির্মাণ করেন। ১৩৯৯ খ্রিষ্টাব্দে তৈমুরের আক্রমণে এই দুর্গ পুনরায় বিধ্বস্ত হয়। এর ২০ বছর পর সুলতান মুবারক শাহ সৈয়দ এটি পুননির্মাণ করেন। ১৪৩০ এর দশকে কাবুলের শেখ আলি এই দুর্গ দখল করেন। ১৫৭৫ খ্রিষ্টাব্দে মুঘল সম্রাট আকবর দুর্গটি দখল করেন। এটি সাম্রাজ্যের উত্তরপশ্চিম সীমান্ত রক্ষার কাজে ব্যবহৃত হত।  তিনি ইট ও চুনাপাথর দিয়ে দুর্গ পুননির্মাণ করেন। সময় পরিক্রমায় এতে প্রাসাদ নির্মিত হয় এবং এতে যুক্ত বাগান এর সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। আকবর কর্তৃক নির্মিত অন্যান্য স্থাপনার মধ্যে  রয়েছে দৌলত খানা-এ-খাস-ও-আম, ঝারোকা-এ-দারশান, ও মাসজিদি ফটক। পরের সম্রাটদের সময় তার স্থাপনাগুলো প্রতিস্থাপিত হয়। শাহজাহান শাহ বুরুজ, শিশ মহল ও নওলাখা প্যাভেলিয়ন নির্মাণ করেছেন। তার পুত্র আওরঙ্গজেব আলমগিরি ফটক নির্মাণ করেছেন। এর দুইপাশে গম্বুজযুক্ত প্যাভেলিয়নসহ অর্ধ-গোলাকার টাওয়ার রয়েছে। ১৭৫৮ সালে রঘুনাথরাওয়েরের নেতৃত্বে মারাঠা বাহিনী এই দুর্গ দখল করে। এরপর বানগি শিখ রাজবংশ (১৭১৬-১৮১০) ১৭৬০ থেকে ১৭৯৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত লাহোর শাসন করেছে। এরপর রণজিৎ সিং বানগিদের হাত থেকে লাহোরের নিয়ন্ত্রণ হস্তগত করেন। লাহোর দুর্গও তার হাতে আসে। ১৮০১ খ্রিষ্টাব্দে তাকে সমগ্র পাঞ্জাবের স¤্রাট ঘোষণা করা হয়। ১৭৯৯ থেকে ১৮৪৯ খ্রিষ্টাব্দে শিখ সা¤্রাজ্যের পতনের আগ পর্যন্ত এই দুর্গ রণজিৎ সিং, তার পুত্র, নাতি ও স্ত্রীদের হাতে ছিল। এই দুর্গে রণজিৎ সিংয়ের আমলের দুর্লভ শিল্পকর্ম, ব্রিটিশ ও শিখদের মধ্যকার চুক্তির দলিল, অস্ত্র ও অলংকার প্রদর্শনীতে রাখা আছে। মুঘল অঞ্চল এবং কাবুল, মুলতান ও কাশ্মীরের ঘাঁটির মধ্যে লাহোর শহরের কৌশলগত অবস্থানের কারণে পুরনো কাদামাটি দিয়ে তৈরি দুর্গকে ভেঙে ইট নির্মিত দুর্গ তৈরীর প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। দুর্গটি দুইটি অংশে বিভক্ত: প্রথমে রয়েছে প্রশাসনিক অংশ। এটি মূল প্রবেশপথের সাথে সংযুক্ত এবং এতে বাগান ও রাজকীয় কাজের জন্য দিওয়ান-ই-খাস রয়েছে।  দ্বিতীয় অংশে রয়েছে ব্যক্তিগত ও আবাসিক অংশ।
দুর্গে অবস্থিত শিশ মহলটি বেশ আকর্ষণীয়। শিশ মহল হল আয়নার প্রাসাদ। মুমতাজ মহলের পিতা মির্জা গিয়াস বেগ ১৬৩১ খ্রিষ্টাব্দে শাহজাহানের শাসনামলে এটি নির্মাণ করেছিলেন। এটি প্রশস্ত হল নিয়ে গঠিত। এর পেছনে আরো কয়েকটি হল রয়েছে। এটি ছিল দুর্গের হারেম। এতে পেছনের কামরায় মার্বেলের সচ্ছিদ্র পর্দা রয়েছে। এই পর্দা লতা, ফুল ও জ্যামিতিক প্যাটার্ন দিয়ে সজ্জিত। দেয়ালে অনেকগুলো শিল্পকর্ম এখনো বিদ্যমান।
জাহাঙ্গিরের চতুর্ভুজক্ষেত্র। এটি একটি চতুর্ভুজাকার ক্ষেত্র। এটি রাজপরিবারের নারীদের আবাসস্থল ও হারেম নিয়ে গঠিত। আকবর এর নির্মাণ শুরু করেছিলেন এবং ১৬১৮ খ্রিষ্টাব্দে জাহাঙ্গীর তা সমাপ্ত করে। এই দালানগুলো ভূগর্ভস্থ কামরার উপর নির্মিত। এতে চাহার বাগ নামক বাগান রয়েছে। বাগানের সীমানায় রয়েছে হাটার পথ ও ফোয়ারা। ব্রিটিশ যুগে সেনাবাহিনীর চাহিদা অনুযায়ী এর পরিবর্তন ঘটানো হয়। নওলাখা প্যাভেলিয়ন।  এই প্যাভেলিয়ন শাহজাহান ৯ লক্ষ রুপি ব্যয়ে নির্মাণ করেছিলেন। এটি শিশ মহলের পশ্চিমে অবস্থিত। প্যাভিলিয়নটি আয়তাকার এবং বিশেষভাবে খোদাইকরা ছাদ বিশিষ্ট। শাহজাহানের যুগের স্থাপত্য নিদর্শনের মধ্যে পৃথক বৈশিষ্ট্যমন্ডিত এটি। এতে বাংলার ঢালু ছাদ ও ইউরোপের বল্ডচিনের মিশ্রণ দেখা যায়।
মাকতিব খানা সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে মামুর খানের তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয়। এটি কর্মচারীদের জন্য দুর্গের প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহৃত হত। এছাড়াও দুর্গে রাজপরিবারের পুরুষ ও মহিলা সদস্যদের জন্য পৃথক গোসলখানা রয়েছে। এই দুর্গটি দেখতে দেশী-বিদেশী পর্যটকরা এখানে ভীড় জমান। এখানে আসলে প্রাক ঐতিহাসিক নিদর্শনের পাশাপাশি মুগল আমলের বিজ্ঞানের ব্যবহার সম্পর্কে জানা যায়।
দুর্গের একপাশে অবস্থিত বাদশাহী মসজিদ। এই মসজিদ নিয়ে অনেক কথা প্রচলিত আছে। একসময় এই মসজিদই ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মসজিদ। মসজিদ প্রাঙ্গণে টানানো বিবরণ থেকে জানা যায়, বাদশাহী মসজিদটি তৈরী করেন মুহিউদ্দিন মো: আওরঙ্গজেব আলমগীর। ১৬৭৩ সালের এপ্রিল মাসে মাত্র তিন বছরে এই মসজিদের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করা হয়। এখানে বলা হয়, তখনকার সময়ে এটিই ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মসজিদ। ১৭৬ফির উঁচু চারটি মিনার এই মসজিদেও সৌন্দর্য্যকে বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। এর রয়েছে তিনটি দৃষ্টিনন্দন গম্বুজ। বলা হয়ে থাকে, এই মসজিদ নির্মাণে তখনকার সময়ের সবচেয়ে কারুকার্য এবং বিজ্ঞানকে ব্যবহার করা হয়েছে। এটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে খুব আস্তে করে আওয়াজ করলে তথা কুরআন তেলোওয়াত করলে পুরো মসজিদ চত্বরে শোনা যেত। যা এখনো বিদ্যমান। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ৯০ ডিগ্রী এঙ্গেলে এখানকার প্রতিটি কোণা তৈরী করা হয়েছে। এছাড়া ফ্লোরের নীচে বিশেষ অলঙ্কারের ব্যবহার করা হয়েছে। এই মসজিদের চারটি মিনার নিয়েও রয়েছে ব্যাপক গবেষণা। মিনারগুলো মসজিদের একটু বাইরে একটু বাঁকা করে তৈরী করা হয়ছে। দেখতে মনে হবে মিনারগুলি হেলে আছে। বলা হয়ে তাকে, ভূমিকম্প বা অন্যকারণে মিনারগুলো হেলে পড়লে যাতে মুসল্লীদের ক্ষতি না হয় সেজন্য এভাবে তৈরী করা হয়েছে। মসজিদের প্রবেশমুখে একটি লাইব্রেরী এবং জাদুঘর রয়েছে। যেখানে ঐতিহাসিক নিদর্শনসহ ইসলাম প্রচারকদের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্রও দেখা যায়। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে হাতে লিখা পবিত্র কুরআন শরীফ, হযরত মুমাম্মদ (স:) এর ব্যবহৃত কম্বল, পাগড়িসহ বেশ কিছু জিনিসপত্র। এছাড়া পরবর্তীকালের বেশ কয়েকজন ইসলাম প্রচারকের ব্যবহৃত জিনিসপত্র রক্ষিত আছে এখানে।
লাহোরের আরেক ঐতিহাসিক নিদর্শন হচ্ছে শালিমার উদ্যান। লাহোর শহরে অবস্থিত অত্যন্ত সুন্দর ও সাজানো গোছানো বাগান এটি। মুঘল আমলের স্থাপনা হিসেবে ১৬৪১ সালে এর অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু হয়। পরের বছরই এর কাজ শেষ হয়। মুঘল সাম্রাজ্যের শাসক শাহজাহানের বিচারালয়ের সাথে জড়িত খলিলুল্লাহ খানের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানের উদ্যানের এ কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়। তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন আলী মর্দান খান ও মোল্লা আলাউল মুলক তানি। ‘শালিমার’ শব্দের অর্থ নিয়ে বিভ্রান্তি থাকলেও আন্না সুভরোভা তার লাহোর: তপোফিলিয়া অব স্পেস এন্ড প্লেস গ্রন্থে আরবী কিংবা ফার্সি থেকে শব্দের উৎপত্তি ঘটেছে বলে তুলে ধরেন। মধ্য এশিয়া, কাশ্মির, পাঞ্জাব, পারস্য ও দিল্লি সালতানাতের চিত্রশৈলী এতে প্রাধান্য পেয়েছে। এখানে সর্বমোট ৪১০টি ঝর্ণাধারা রয়েছে। এরফলে এলাকাটি সবসময় বেশ শীতল থাকে। মুঘল প্রকৌশলীদের নকশায় তৈরী এ জলাধারের জন্য ব্যবহৃত পানি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি বর্তমানের বিজ্ঞানীদের কাছে আজো অজানা রয়েছে।
লাহোর দুর্গের সামনেই অবস্থিত পাকিস্তান মিনার। এখানে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তার উত্থাপন করা হয়েছিল। শহরের জনগণের জন্য বিশাল এই এলাকাটি সমসময় উম্মুক্ত থাকে। তবে মিনারের ভেতরে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ নিষেধ। লাহোর প্রস্তাব হচ্ছে ভারতীয় উপমহাদেশে বসবাসকারী মুসলিমদের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্রের দাবী জানিয়ে উত্থাপিত প্রস্তাবনা। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ পাকিস্থানের লাহোরে মুসলিম লীগের সম্মেলনে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক কর্তৃক প্রস্তাবটিই উত্থাপিত হয়। এটি কখনো কখনো পাকিস্তান প্রস্তাব হিসেবেও অভিহিত হয়। এই প্রস্তাবগুলো পাকিস্তান মিনারের গায়ে বাংলা, ইংরেজী ও উর্দুতে এখনো শোভা পাচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ