ঢাকা, শনিবার 26 May 2018, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ৯ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনায় থ্যালাসেমিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে

খুলনা অফিস: খুলনায় থ্যালাসেমিয়া আক্রান্তের সংখ্যা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। চলতি মাসে ২১ মে পর্যন্ত ৫০ জন থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ব্যক্তি রক্ত সঞ্চালন করতে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এ হিসেবে গড়ে ২ জনের বেশি থ্যালাসেমিয়া আক্রান্তের হিসাব পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগে ওই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের কোনো পরিসংখ্যান নেই।
খুলনা সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগের রেজিস্ট্রি খাতায় অন্তর্ভুক্ত চলতি বছরের ১ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত মে পর্যন্ত থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়ে রক্ত সঞ্চালন করেছেন এমন রোগীর সংখ্যা ৫০ জন। এর মধ্যে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন করার জন্য ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন। এর মধ্যে ১ মে ১ জন, ৩ মে ৪ জন, ৬ মে ৩ জন, ৭ মে ১ জন, ৮ মে ৮ জন, ৯ মে ৪ জন, ১০ মে ২ জন, ১২ মে ৪ জন, ১৩ মে ১১ জন, ১৪ মে ৪ জন, ১৬ মে ৩ জন, ১৭ মে ২ জন, ১৯ মে ও ২০ মে ১ জন করে এবং ২১ মে ৩ জন ভর্তি হয়ে রক্ত সঞ্চালন করানো হয়। আক্রান্ত ব্যক্তিদের বয়স ২ মাস থেকে বয়স্করা পর্যন্ত রক্ত সঞ্চালন করেছেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ সিনিয়র স্টাফ নার্স নিলুফা ইয়াসমিন জানান, বিগত বছরের তুলনায় থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। প্রতিদিন কোনো না কোনো জায়গা থেকে ওই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা রক্ত সঞ্চালন করার জন্য আসছেন।
খুলনা সদর হাসপাতালে নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মো. শরাফাত হোসাইন বলেন, মামাতো-খালাতো ভাই-বোনদের সাথে বিয়ে হলে এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
শিশু বা কোনো ব্যক্তিদের শরীর ফ্যাকাসে হয়ে গা সাদা হয়ে যায়, শারীরিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হওয়া, জন্ডিস হলে আর সারতে চায় না ইত্যাদি থ্যালাসেমিয়া রোগের লক্ষণ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ