ঢাকা, রোববার 27 May 2018, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ১০ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

প্রস্তুত কিম ফের বৈঠকের আশ্বাস ট্রাম্পের

 

২৬ মে, পিয়ংইয়ং, বিবিস : উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত বৈঠক বাতিলের একদিন পর আবারো তা আয়োজনের কথা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প সিদ্ধান্ত বদলে জানান, পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বৈঠক হতে পারে এবং সেটি পূর্বনির্ধারিত ১২ জুন তারিখেই হতে পারে।

আগামী ১২ জুন সিঙ্গাপুরে ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক হওয়ার কথা। তবে এর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে বৈঠক বাতিলের হুমকি দেয় কিম প্রশাসন। হুমকির পর বৃহস্পতিবার কিমকে লেখা এক চিঠিতে বৈঠক বাতিলের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। তার ঘোষণার পর উত্তর কোরিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিম কি গোয়ান জানান, তার দেশ যেকোনো সময় আলোচনার বসতে প্রস্তুত।

এরপরই নতুন করে ইতিবাচক সাড়া দিলেন ট্রাম্প। এর আগে, শান্তি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার একমাত্র পরমাণু পরীক্ষা কেন্দ্র পাঙ্গে-রি'র ৩টি সুড়ঙ্গ ধ্বংস করে কিম প্রশাসন। উত্তর কোরীয় নেতার সাথে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার পূর্বনির্ধারিত বৈঠক বাতিল করলেও যেকোনো সময় আলোচনায় প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন কিম জং উন। উত্তর কোরিয়ার একের পর এক হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে আলোচনা বাতিলের কথা জানায় হোয়াইট হাউজ। দুই নেতার বহুল প্রত্যাশিত বৈঠক বাতিল করায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছিল জাতিসঙ্ঘসহ বিশ্ব সম্প্রদায়।

উত্তর কোরিয়ার প্রধান পরমাণু পরীক্ষা কেন্দ্র ধ্বংসের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পূর্ব নির্ধারিত ট্রাম্প-কিম শীর্ষ সম্মেলন বাতিলের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউজে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। কিমের সাম্প্রতিক বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কিম জং উনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য তিনি খুবই আগ্রহী হলেও এই বৈঠকের জন্য এখন উপযুক্ত সময় নয়। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার বিষয়ে এক চুলও ছাড় দেয়া হবে না উল্লেখ করে পিয়ং ইয়ং এর যে কোনো তৎপরতা মোকাবিলায় মার্কিন সেনাবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, 'উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক ক্ষোভ ও প্রকাশ্য শত্রুতার পরিপ্রেক্ষিতে পূর্বনির্ধারিত শীর্ষ সম্মেলন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কোরীয় উপদ্বীপকে পরমাণু অস্ত্র মুক্ত করার মধ্য দিয়ে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সব মানুষ মিলে মিশে শান্তিতে বসবাস করতে পারে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ