ঢাকা, সোমবার 28 May 2018, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ১১ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে হলে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই

গতকাল রোববার স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে নাগরিক ঐক্যের উদ্যোগে গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত ইফতার পার্টিতে বক্তব্য রাখেন বিকল্পধারার চেয়ারম্যান ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে হলে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বিশিষ্টজনরা। গতকাল রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে নব গঠিত রাজনৈতিক জোট যুক্তফ্রন্টের অন্যতম শরিক নাগরিক ঐক্যের ইফতার অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ এই কথা বলেন।
রাজধানীর ‘এশিয়া হোটেল এন্ড প্যাসিফিক’  হলে নবগঠিত ‘যুক্তফ্রন্ট’ এর অন্যতম শরিক নাগরিক ঐক্য এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে। গত বছরের ৪ ডিসেম্বর বিকল্পধারার অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক জোট ‘যুক্তফ্রন্ট’ হয়। এই জোটে বিকল্পধারার সঙ্গে রয়েছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও নাগরিক ঐক্য।
সাবেক প্রেসিডেন্ট এ কিউ এম বদরুদ্দৌজা চৌধুরী ছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাষ্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সভাপতি আবদুর রব, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক  সাইফুল হক, বিলল্পধারা’র মহাসচিব অবসরপ্রাপ্ত মেজর আবদুল মান্নান,  নাগরিক ঐক্যের উপদেষ্টা এসএম আকরাম, সমন্বয়ক শহীদুল্লাহ কায়সার, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহদীন মালিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক আসিফ নজরুল প্রমুখ ইফতারে উপস্থিত ছিলেন। 
বিএনপির শামা ওবায়েদ, শায়রুল কবির খান, ন্যাপের গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, এনডিপি‘র  মনজুর হোসেন ঈসা, জাতীয় পার্টির এম এ মুকিত, সোনার বাংলা পার্টির শেখ আবদুর নূর, নাগরিক ঐক্যের ফজলুল হক সরকার, মোমিনুল ইসলাম, জিল্লুর চৌধুরী, মাহবুব মুকুল, খন্দকার সেলিম, আতিকুর রহমান, জাহেদ-উর-রহমানসহ  নেতৃবৃন্দ ইফতারে অংশ নেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আজকে গণতন্ত্রকে যেভাবে লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, মানুষের অধিকারগুলোকে যেভাবে হরণ করা হয়েছে  আজকে কেউ নিরাপদ নই আমরা। এই অবস্থার প্রেক্ষিতে আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হতে না পারি তাহলে জাতি আমাদের ক্ষমা করবে না। আমি শুধু একটি আহবান জানাতে চাই, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার আগে যে কথাটি বলে গিয়েছিলেন, সেই কথাটি হচ্ছে- আজকে গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হলে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। এই জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করবার জন্য আমি সকল দলের প্রতি, সকল নেতাদের প্রতি জানাচ্ছি ।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের আজ চরম সংকট দেখা দিয়েছে। এই সংকট কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়। এইট গোটা জাতির জন্যই সংকট। কোথাও কারো নিরাপত্তা নেই। সবাই হুমকির মধ্যেই বসবাস করছে। তিনি বলেন, এই সরকার গণতন্ত্রকে লুট করে নিয়ে গেছে। এ সময় যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ না হই তাহলে জাতি আমাদের ক্ষমা করবেনা।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে ভয় পায়। তারা বেগম জিয়াকে ছাড়াই নির্বাচনের স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু তাদেও এই স্বপ্ন কোনদিনই পূরণ হবেনা। তিনি বলেন, এই নির্বাচন কমিশন এরই মধ্যে বিতর্কিত হয়ে পড়েছে। তারা সরকারের পক্ষেই কাজ করছে এটা সর্বজন স্বীকৃত। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে অবশ্যই লেভেল  প্ল্যেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে। তিনি বলেন, দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে হলে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।
যুক্ত ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিকল্পধারা বাংলাদেশ এর সভাপতি অধ্যাপক একিউিএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশর মুক্তির একটাই পথ- আমাদেরকে জাগিয়ে দিতে হবে, আমাদের পেছনে সংগঠিত হতে হবে, আমাদের পেছনে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ভবিষ্যতে দেশে যারাই ক্ষমতায় আসতে চায় তারা যেন বুঝে শুনে চলেন। তারা যাতে বুঝতে পারেন জনগণ দুর্নীতিকে ঘৃণা করে। দুর্নীতি আমরা সহ্য করতে রাজি নই। অনেক সহ্য করেছি আমরা আর সহ্য করবো না
কারাবন্দী খালেদা জিয়ার প্রতি  ইঙ্গিত করে সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, আমরা দেখেছি, সুপ্রিম কোর্টের রায় মানা হয় না, হাইকোর্টের  ভেতরে রায় মানা হয় না। রায়ের অধীনে যে বক্তব্য দেয়া হয়, সেই বক্তব্যে মানুষকে মুক্তি দেয়া হয় না। হাজার হাজার মানুষ জেলের ভেতরে আছে। কতদিন চলবে এগুলো। আমরা আমরা সহ্য করতে রাজী না। বাংলাদেশের মানুষ জেগে উঠেছে। এই জাগরণের সাথে আমরা থাকবো।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সভাপতি আসম আবদুর রব সরকারের দুর্নীতির অপশাসনের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি, দেশ স্বাধীন করেছি, পতাকা উড়িয়েছি, জাতীয় সঙ্গীত দিয়েছি, বঙ্গবন্ধু সৃষ্টি করেছি। এভাবে দেশ চলতে আর দেয়া  যায় না। আমাদের ট্রায়াল চলছে। জনগণ নিয়ে আমরা রুখবো এই স্বৈরাচার।
রব বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘ অর্ধ শতক পর এমন স্বৈরাচারী সরকার দেখিনি। স্বৈরাচারী আচরণের সব কিছুই এরা ছাড়িয়ে গেছে। এভাবে আর চলতে দেয়া যাবেনা। আমাদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, খুলনায় ভোট চুরি নয় ডাকাতি হয়েছে। সকাল ১১টার পর দরজা বন্ধ করে দিয়ে এরা নৌকার পক্ষে সিল মেরেছে। প্রশাসনের সহায়তায় এমনকি নর্বাচন অতীতের সব কিছুকেও হার মানিয়েছে। এদের অধীনে কোনেভাবেই সংসদ নির্বাচন হতে পারেনা।
মুক্তিযুদ্ধের এ সংগঠক বলেন, আওয়ামী লীগ হচ্ছে বেহায়া। এদেও কাছে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি করে লাভ হবেনা। তিনি বলেন, এরা আবারো ক্ষমতায় আসার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। তারই অংশ হিসেবে বেগম খালদা জিয়াকে ছোট মামলায় কারাগারে আটক রেখেছে। এই সরকার এখনো বুঝতে পারছেনা আমাদের ক্ষমতা কি। আমরা কি করতে পারি। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধেও অসমাপ্ত কাজ গুলো এবার শেষ করতে চাই। ক্ষমতাসীনদের বলতে চাই, এখনো সময় আছে, পালানোর জায়গা ঠিক করুন। আপনাদের মাঠও ছাড়তে হবে, দেশও ছাড়তে হবে।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গিয়ে সেই দেশকে কি দিয়েছেন সেসব কথা বলেছিলেন। এসব বলার উদ্দেশ্য একটাই। আবারো ভারতকে দিয়ে ক্ষমতায় আসা। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের জামিন নিয়ে সরকার কত তালবাহানা করছে। আজও তার জামিন হয়নি। একজন সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর সাথে এমন আচরণ সত্যিই গণতন্ত্রের জন্য হুমকি ছাড়া আর কিছুই নয়। তিনি বলেন, দেশের বিচার ব্যবস্থা আজ প্রশ্নবিদ্ধ। অধিকাংশ বিচারপতিরই বিবেক বলে কিছু নেই। বিচারকরা দেশে নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু তারা করছে না। তিনি বলেন, দেশে সামনে কঠিন সময় আসছে। এই ভয়াবহ সংকট থেকে উত্তোরণ ঘটাতে হলে সম্মিলিত প্রয়াসের কোনো বকল্প নেই। নির্বাচনে সবাইকে ঐক্যভদ্ধভাবে আওয়াজ দিতে হবে। সবাইকে ঐকব্যবদ্ধ হতে হবে।
নাগরিকের এই ইফতারে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, দেশে এখন একটা নির্মমতার চাষ হচ্ছে, ভয়ের সংস্কৃতি চালু করবার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাকে কেউ কেউ বলেছেন, এখন মাদক নিয়ে অভিযান হচ্ছে, এর পরে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা ঘটবে। আরো কিছু ঘটনা চলতেই থাকে। এরকম অভিযান ও ক্রসফায়ার-মৃত্যর মহড়া চলবে। এর মধ্যে নাকী ভোট সাজাবার ব্যবস্থা করা হবে।
 আমি মনে করি, এটা একটা মৃত্যু উপত্যকা। এটা একটা মরণদ্বীপ। আজ নিজেদের মধ্যে যত সব ছোট-খাটো সমস্যা আছে সেই কথা বলে বিভেদ বাড়াবার অবকাশ নেই। এরকম পাখির মতো করে যখন মানুষ মারছে তখন সকলে আমরা যাতে বেঁচে থাকতে পারি, মানুষের মতো স্বাভাবিক মৃত্যুর নিরাপত্তা পাই সেজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করতে হবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে এই ইফতারে আমন্ত্রণ জানানোর কথা উল্লেখ করে মাদক বিরোধী অভিযানে বিচারবহির্ভূত হত্যার সমালোচনা করে তিনি বলেন, উনি (ওবায়দুল কাদের বলেছেন কাউকে ছাড়বো না যদি প্রমাণ পাই সবার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবো। এই ৬৪টা লোককে গুলী করে মেরেছে প্রথম দাবি করছি তাদের নাম-ঠিকানা পত্র-পত্রিকা-মিডিয়ায় প্রকাশ করা হোক, এদের নামে কী কী অভিযোগ আছে তা বলা হোক, তাদের নামে কী কী মামলা আছে তা বলা হোক। এই মামলার কি প্রমাণ আছে সেটাও বলা হোক।
তিনি বলেন, প্রমাণ ছাড়া যদি বদির চুলও ধরা না যায়, তাহলে প্রমাণ ছাড়া ৬৪ জনকে যে হত্যা করেছেন অপেক্ষা করেন দিন আসবে এই রোজার মাসে মধ্যে আমি বলি-কাউকে ছাড়বো না। এদেরকে সমস্ত অন্যায়ের জবাবদিহি করতে হবে এবং তাদেরকে আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। আপনারা গুলী করে মারবেন আর গুলী করে হত্যার নীতিতে বিশ্বাস করি না কিন্তু ছেড়ে দেয়া যাবে না
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, শেখ হাসিনা ভারত সফরে গিয়ে তিস্তাসহ দেশের কোনো সমস্যার কথাই বলেননি। শুধু বলেছেন, কি তিনি দিয়েছেন সেটি। তিনি সেখান থেকে ড্রিগিও নিয়েছেন। আমরা জানতে চাই কেন তিনি তিস্তারসহ ভারতের সাথে চলমান সমস্যার কথা বলেননি? তিনি ভারত থেকে কি বিনিময় চান? শেখ হাসিনা ভেবেছিলেন ভারত কিছু বলবে। কিন্তু মোদি-মমতা কিছু বলেনি। এমনকি রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়েও কিছু বলেনি।
মান্না বলেন, অবৈধ এ সরকারকে উৎখাতে শুধু কথা বললে হবেনা। আন্দোলন করতে হবে। আর সেটি করতে হবে ঐক্যবদ্ধভাবে। এরা ঐক্যবদ্ধ লড়াই ছাড়া নিরপেক্ষ নির্বাচন দিবেনা। তিনি বলেন, শুধু নির্বাচনে গেলেই হবেনা। নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করেই যেতে হবে।
মির্জা আব্বাস বলেন, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র আজ নেই। এই সরকার দেশটাকে বন্ধক দিয়ে দিয়েছে। এখন সেটিকে উদ্ধার করতে আমাদেও সবাইকে এক হতে হবে।
গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, আমরা যতই বলিনা কেন আওয়ামী লীগ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেবেনা। তাদেও কাছে এই দাবি জানানো টা হবে বোকামী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মুখে যা বলেন কাজে তার উল্টাটা করেন। তিনি ২০১৪ সালে বলেছিলেন নিয়মরক্ষার নির্বাচন। কিন্তু তারা প্রায় ৫ বছর কাটিয়ে দিলো। এদেরকে বিশ্বাস করা যাবেনা। তিনি বলেন, যখনই কেউ নিরপেক্ষ নির্বাচন, স্বাধীন বিচারও অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলে তাদের শরীরে কাঁপন শুরু হয়ে যায়। এরা নিজেদেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের শক্তি বলে। অথচ এরাই তার উল্টোটা করে চলেছে।
আসিফ নজরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভারতে গিয়ে বাংলাদেশ তাদের কি দিয়েছে সেটিই শুধু বলেছেন। কিন্তু ভারত থেকে কোনো উত্তর আসেনি। তিনি বলেন, দেশে এখন আর ভোট দেয়ার অধিকার আছে বলে মনে হয়না। তাই সবার ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের মাধ্যমে দেশবাসীকে তাদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।
বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির সেক্রেটারি সাইফুল হক বলেন, দেশের এই অবস্থায় জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের মতাদর্শ ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু সময়ের প্রয়োজনে আজ সবার এক হওয়া জরুরি। সব কিছু ভুলে আমাদের ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জিম্মি দশা থেকে জাতিকে মুক্তি দিতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ