ঢাকা, সোমবার 28 May 2018, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ১১ রমযান ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বিপুল মাদকদ্রব্য উদ্ধার ॥ আটক অর্ধশত ॥ গুলীতে নিহত ৫

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পৃথক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে উপজেলার যাত্রামুড়া ও কাঞ্চন এলাকা থেকে ওই মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা বলেন, যাত্রামুড়া এলাকার রাজ্জাকের ছেলে রিয়াদ হোসেন, একই এলাকার নুরু মিয়ার ছেলে ওসমান গনি ও কাঞ্চন খাপাড়া এলাকার আরজু ব্যাপারীর ছেলে ছানাউল্লাহ।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, গ্রেফতারকৃতকরা দীর্ঘ দিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাদক বিক্রি করে আসছে বলে পুলিশের কাছে খবর ছিল। শুক্রবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে রিয়াদ হোসেনকে ৩৫ পিছ, ওসমান গনিকে ১০২ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ২ বোতল ফেনসিডিল, ছানাউল্লাহকে ৫’শ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার)
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ইয়াবা বিক্রেতাসহ পুলিশ ২জনকে আটক করেছে। আটককৃতদের কাছ থেকে ৬০ পিছ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গত বৃহস্পতিবার (২৪ মে) রাত ১০টায় কমলগঞ্জ পৌরসভার কুমড়াকাপন এলাকা থেকে ২ জনকে আটকের পর তাদের কাছ থেকে ও গোপন আস্তানা থেকে ৬০ পিছ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। কমলগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কমলগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক চম্পক ধামের নেতৃত্বে পুলিশের অভিযানে কমলগঞ্জ পৌরসভার কুমড়াকাপন এলাকা থেকে এ গ্রামের আলী বরদী খানের ছেলে চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী আহমদ খান (৩০) ও  বদরুল মিয়া (২২)-কে আটক করা হয়। বদরুল বালিগাঁও -এর মৃত ফারুক মিয়ার ছেলে। পুলিশ আহমদ খানের কাছ থেকে তাৎক্ষনিক ১০ পিছ ইয়াবা উদ্ধার করে। এরপর তাদেরকে নিয়ে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ধলাই নদীর নতুন সেতুর একটি বিলবোর্ডের নিচে গোপন আস্তানা থেকে আর ৫০ পিছ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এসময় কমলগঞ্জ পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় শুক্রবার কমলগঞ্জ থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গায় জীবননগর থানা পুলিশের চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে উপজেলার বারান্দি গ্রাম থেকে বৃহস্পতিবার রাতে গাঁজা চাষী গাঁজা বাবা আবুল কাশেমকে গাঁজা গাছসহ আটক করেছে। আটককৃত গাঁজা চাষী আবুল কাশেম (৪৭) জীবননগর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বারান্দী গ্রামের দৌলৎখাঁর ছেলে।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে, এসআই সাইফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বারান্দী গ্রামে এই মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গাঁজা বাবা খ্যাত আবুল কাশেমকে ৪টি গাঁজা গাছসহ আটক করে।
ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহ নগরীতে গোয়েন্দা পুলিশ ডিবির সঙ্গে বন্ধুকযুদ্ধে রাজন (৩৫) নামে আরও এক শীর্ষ মাদক সম্রাট নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আশিকুর রহমান ও কনেস্টেবল কাওছার গুরুতর আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্যদেরকে জেলা পুলিশলাইন্স হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত পৌনে ২ টার দিকে নগরীর পুরোহিত পাড়া রেলওয়ে কলোনী ভাঙ্গা ওয়াল পুকুর পাড় এলাকায় এ বন্ধুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ আশিকুর রহমান ও উপ-পরিদর্শক পরিমল চন্দ্র দাস এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।পরিমল জানান, রাতে নগরীর পুরোহিত পাড়া এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যাবসায়ী আলালসহ ওই এলাকায় কতিপয় মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক ভাগাভাগি করছে। পরে এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওসি ডিবির নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি টিম ওই এলাকার রেলওয়ে কলোনী ভাঙ্গা ওয়াল পুকুর পাড় এলাকায় রেনু বেগমের বাড়ীর সামনে পৌছালে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করে। তখন পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পলিয়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শীর্ষ মাদক সম্রাট রাজনকে পরে থাকতে দেখা যায়। তখন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে আনা হলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত রাজনকে মৃত ঘোষনা করে।
নেত্রকোনা
পনত্রকোনা সদর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের মনাং গ্রামে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ অজ্ঞাত পরিচয়ের দুই মাদক বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন পুলিশের তিন সদস্য।
আহত পুলিশের তিন সদস্য হলেন, উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল জলিল, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) জাকির হোসেন ও কনস্টেবল ওয়াহেদুজ্জামার আহত হয়ে নেত্রকোনা সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বোরহান উদ্দিন খান মাদক কেনাবেচা হচ্ছে এমন গোপন খবর পেয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক বিক্রেতারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। এ সময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। এতে দুই মাদক বিক্রেতা নিহত হন। তাদের নামপরিচয় এখনও জানা যায়নি। ঘটনাস্থল থেকে ৭০৫ গ্রাম হেরোইন, তিন হাজার পাঁচ পিস ইয়াবা ও দু’টি পাইপগান জব্দ করা হয়েছে।
কলারোয়া (সাতক্ষীরা)
কথিত বন্দুক যুদ্ধে কলারোয়ার দক্ষিণ ভাদিয়ালী গ্রামের আব্দুল্যাহ দালালের পুত্র ইউনূস আলী (৪০) মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে দুইটায় রামকৃষ্ণপুর-বড়ালী সীমান্তে এই বন্দুকযুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শ্যুটার গান, দুই রাউন্ড গুলি ও ৭০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার হয়েছে। কলারোয়া থানার ওসি জানায়, রাত পৌনে দুইটার দিকে রামকৃষ্ণপুর-বড়ালি সীমান্তে দুইদল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলি হচ্ছে জানতে পেরে তার নেতৃত্বে টহলরত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৫ রাউ- গুলি বর্ষণ করে। এতে দুই পক্ষ পালিয়ে গেলেও বাঁচাও বাঁচাও বলে আত্মচিৎকার শুনে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ ইউনূসকে উদ্ধার করে। এরপর কলারোয়া হাসপাতালে পৌছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এসময় ঘটনাস্থলে ১টি ওয়ান শ্যুটার গান, দুই রাউন্ড গুলি ও ৭০ বোতল ফেনসিডিল পাওয়া যায়। নিহতের পিতা জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধায় স্থানীয় মসজিদে ্ইউনূস ইফতারি করে। পরে আবার মসজিদে তারাবি নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরে খাওয়ার জন্য আমের খোসা ছাড়ায় এসময় পুলিশ এসে ইউনূসকে টেনে হিচড়ে নিয়ে যায়। রাতে পুলিশ মটর সাইকেল যোগে ইউনূসকে উত্তর দিকে নিয়ে যায় বলে ভাদিয়ালী ফুলতলা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানায়।
শেরপুর
শেরপুর সদর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ সংলগ্ন সাতপাকিয়া নামক স্থানে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ২১ মামলার আসামী আজাদ (২৮) ওরফে কালু ডাকাত নামে একজন নিহত হয়েছে।
ওই ঘটনায় এক এসআইসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহত এসআই ও পুলিশ সদস্যরা হলেন যথাক্রমে আব্দুল ওয়াদুদ, সাইফুল ইসলাম ও গোলাম মোস্তফা। নিহত কালু সদর থানার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের মরাকান্দি খাসপাড়া গ্রামের মৃত মনতাজ আলীর ছেলে। কালু ডাকাতি ও মাদকসহ বিভিন্ন ধরণের ২১ টি মামলার আসামী ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ভোর রাত আড়াইটার দিকে শেরপুর সদর থানার পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার সাতপাকিয়া গ্রামে মাদক উদ্ধারে অভিযান চালাতে চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের সাতপাকিয়া নামক স্থানে পৌছলে সেখানে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা একদল সন্ত্রাসী পুলিশকে লক্ষ্যকরে গুলি ছুড়লে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালালে আজাদ ওরফে কালু ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। এসময় সন্ত্রাসীদের আঘাতে এক এসআইসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে আহতদের উদ্ধার করে শেরপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। নিহত কালুর মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
ফেনী
ফেনী মডেল থানার একবছরে ৫শ ৩৪ জন মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্যও। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তালিকায় উল্লেখিত শীর্ষ ৬ মাদক কারবারিও রয়েছে। ওই তালিকায় জেলার ২৪ মাদক কারবারির মধ্যে ফেনী থানায় ১৩ জনের নাম রয়েছে।
মডেল থানা সূত্র জানায়, বিগত বছরে ৪শ ২৮টি মাদক মামলায় ৫শ ৩৪ জন বিক্রেতাকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে গত ৯ মে বালিগাঁও ইউনিয়নের হকদি গ্রাম থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তালিকাভূক্ত মাদক ব্যবসায়ী আবু আহাম্মদের ছেলে রসুল আমিন (৩৮) কে গ্রেফতার করে। ২ মে শহরের মহিপাল থেকে নজরুল ইসলামের ছেলে আনোয়ার হোসেন মানিক ও চাঁড়িপুরের হাবিবুর রহমানের ছেলে জসিম উদ্দিনকে গ্রেফতার করে। ১ মে উত্তর হকদি গ্রামের আবুল কোম্পানীর বাড়ির আব্দুস সোবহানের ছেলে আসলাম উদ্দিন (৩৫) ও পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের ছোট ধলিয়া গ্রামের দ্বীন আহাম্মদের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন বাবু ও ধর্মপুরের মানু মিয়ার ছেলে সুমনকে গ্রেফতার করে।
নেত্রকোনা
নেত্রকোনা শহরের কাটলি পূর্বপাড়া ও পুর্ব মঈনপুর এলাকা থেকে ৭৪৩  গ্রাম হেরোইন ও ৫০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে (২৪ মে) শহরের পূর্ব চকপাড়া  পুর্ব মঈনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বোরহান উদ্দিন খান নেত্রকোনার আলোকে জানান, কাটলি পূর্বপাড়ার মো. সিপন (২৮) পিতা-মৃত মরতুজ আলী খান কাছ থেকে ৩৮২ গ্রাম হেরোইন, আমিন খান (৩০) পিতা-মৃত মজিবুর রহমান খান তার কাছ থেকে ৩৬০ গ্রাম হেরোইন, এছাড়াও পুর্ব মঈনপুর দারোগাবাড়ির ইসমাইল হোসেন (২৫) পিতা আব্দুল হাসিম তার কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তারা তিনজনেই একাধিক মামলার আসামি। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
বাঁশখালী
চট্টগ্রামের বাঁশখালী-পেকুয়া সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে বাল্বের প্যাকেটে বিশেষ কৌশলে পাচার করার সময় ৬৫ হাজার ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার  বিকেলে বাঁশখালী-পেকুয়া সড়ক থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল এলাকার অরিবিন্দু দে’র ছেলে পরিধন দে (২৩) ও একই উপজেলার মহাজনপাড়ার মকবুল আহমদের ছেলে আবু সৈয়দ (৪০)।
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহউদ্দিন হীরা সাঙ্গুর প্রতিনিধিকে বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে সারাদেশে অভিযান চলছে। অভিযানের অংশ হিসেবে বাল্বের প্যাকেটে বিশেষ কৌশলে পাচার করার সময় ৬৫ হাজার ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কক্সবাজার থেকে এনে পেকুয়া, বাঁশখালী হয়ে এসব ইয়াবা তারা বিক্রির জন্য চট্টগ্রামে পাচার করছিলো।‘ তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানান ওসি।
সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের নাম আব্দুল আজিজ (৪৫)। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পরানদহ গ্রামের কেরামত আলির ছেলে।
বৃহষ্পতিবার সকালে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াসিমলা ইউনিয়নের হিজলা চন্ডিপুর গ্রামের সিদ্ধের পুকুর নামক স্থান থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান সুটারগান, পাঁচ রাউন্ড গুলি ও ৪৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
এদিকে নিহতের পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ১০ টার দিকে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে তার গুলিবিদ্ধ লাশ কালিগঞ্জ থেকে উদ্ধার করা হয়।
আগৈলঝাড়া (বরিশাল)
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ইয়াবাসহ ইয়াবা বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই দেলোয়ার হোসেন মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বড়বাশাইল কলেজের পাশের একটি মাছের ঘের থেকে কালীপদ দাসের ছেলে নিরূপম দাসকে ১৩পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে। ওই রাতেই এসআই দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃতকে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থানা পুলিশ হাবিবুর রহমান (২৭) কে ফেন্সিডিলসহ আটক করেছে। আটকৃত হাবিবুর রহমান (২৭) জীবননগর উপজেলার শিংনগর গ্রামের আখের আলীর ছেলে। সে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকায় ৩৩ নাম্বার।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে এসআই সাইফুল, এএসআই গোলাম মোস্তফা ও এএসআই আব্দুল মালেক সঙ্গীয় ফোর্সসহ উপজেলার শিংনগর গ্রামের অভিযান পরিচালনা করেন। ১২ বোতল ফেন্সিডিলসহ হাবিবুরকে বুধবার বিকালে আটক করে।
বোদা (পঞ্চগড়)
পঞ্চগড়ের বোদায় গত ১ সপ্তাহে মাদক বিরোধী অভিযানে এ পর্যন্ত ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। জানা গেছে, এরা মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ী। বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ এ,কে,এম নুরুল ইসলাম জানান, মাদক বিরোধী অভিযানে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৪ জন মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার আসামী আর বাকি ৬ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। গত বুধবার গভীর রাতে উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের জুরাইনপাড়া গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী হিরো কামাল ওরফে কাজল ও আনোয়ার হোসেন কে আটক করা হয়েছে। মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ এ,কে,এম নুরুল ইসলাম আরো জানান। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ