ঢাকা, বুধবার 21 November 2018, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

চট্টগ্রামে বন্ধুকে খুনের দায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: অর্থের লোভে বন্ধুকে খুনের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। একই রায়ে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় আরও দুই আসামিকে বেকসুর খালাসের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৮ মে) চট্টগ্রামের সপ্তম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফেরদৌস আরা এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, আলী আজম (২৫) ও মোহাম্মদ আলম (২৪)।

এদের মধ্যে আলম কারাগারে থাকলেও আজম জামিন নিয়ে পলাতক আছেন।

নাইমুল ইসলাম রাকিব ও মোহাম্মদ নাছের নামে দুজন খালাস পেয়েছেন।

অতিরিক্ত জেলা পিপি দেলোয়ার হোসেন জানান, খুনের শিকার আকতার হোসেন ও আসামিরা পরস্পর বন্ধু। আকতার হোসেনের একটি পুরনো সিএনজি অটোরিকশা ছিল। আসামিরা সেটি বিক্রি করে তাকে নতুন একটি অটোরিকশা কেনার পরার্মশ দেন।

আকতার রাজি হওয়ার পর হাটহাজারী উপজেলার জনৈক ইলিয়াছ কোম্পানি নামে একজনের কাছে ২ লাখ ৯০ হাজার টাকায় পুরনো অটোরিকশাটি বিক্রি করে দেওয়া হয়।

এরপর আসামিরা আকতারকে ফুসলিয়ে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার কথা বলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিয়ে যান। এরপর তাকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলে। ঘটনাটি ঘটে ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর।

আকতারকে নৃশংসভাবে হত্যার পর আসামিরা টাকাগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয়। এ অবস্থায় আকতারের ভাই মোহাম্মদ রফিক বাদী হয়ে একই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর হাটহাজারি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে আসামি করা হয় আকতারের বন্ধু আলী আজম, মোহাম্মদ আলম, নাইমুল ইসলাম রাকিব ও মোহাম্মদ নাছেরকে।

এর মধ্যে আসামি আলী আজম ও মোহাম্মদ আলম গ্রেফতার হয়ে আদালতে জবানবন্দি দিয়ে হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে নেয়। তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে আকতারের লাশ উদ্ধার করে।

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানার কুলগাঁও এলাকার বাসিন্দা আকতারকে হত্যার ঘটনায় দাযের করা মামলার তদন্ত করে পুলিশ ২০১৩ সালের ১৫ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখির করে। এরপর ২০১৪ সালের ৯ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্যদিয়ে চারজনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়।

অভিযোগপত্রে উল্লেখিত ১৩ জনের মধ্যে আদালতে মোট ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ